Doban Valley – A offbeat destination of North Bengal

Doban Valley – A offbeat destination of North Bengal

Reading Time: 11 minutesIf you are looking for a beautiful pristine destination in North Bengal then you should consider Doban to spend your weekend with your beloved one or your friends. The picturesque Doban Valley is ideal destination for Nature Loves. In Nepali Language ‘DO’ means two and ‘BAN’ means place between so Doban means place between two. Actually Doban is situated at the confluence of Reshi river and Rangpo river. Though Doban is a part of Kalimpong Sub-Division but to reach Doban one has to come from Rorathang side of East Sikkim. As per map being a part of West Bengal Doban is sharing border with Eastern part of Sikkim thus Doban makes a perfect stop over for people visiting to East Sikkim. This place is gradually becoming more famous for its location and landscapes. Things to do at Doban Valley Doban is surrounded by lush green hills and two beautiful rives. This place is paradise for birds’ lovers. Apart from bird watching, the valley itself is quite beautiful and you can simply relax here away from the hustle-bustle of the city. There are also few places near Doban worth visiting. Seat, Relax and enjoy the nature: Doban is an ideal place for nature lovers to soak them in the beauty of nature. You can simply relax here and can enjoy the beauty of surrounding hills and flowing rivers. If you are a book warmer you will fall in love with this place with your favorite book. Bird watching: Doban is a paradise for bird watchers. You will find many beautiful Himalayan birds here even if you are...
Nok Dara – A beautiful village of North Bengal

Nok Dara – A beautiful village of North Bengal

Reading Time: 4 minutesলাইফ IS বিউটিফুল @ নকদারা – পাপড়ি গোস্বামীর কলমে ****************************** ছবির মতো ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম নকদারা। শহুরে আমেজ থেকে সন্তর্পণে নিজেকে লুকিয়ে রেখেছে এখনো। এমন গ্রামে ঢুকে পড়েছি যখন, অভ্যর্থনাও যে অন্যরকম হবে এতো বলাই বাহুল্য। গাড়ির শব্দেই ঝরনাধারার মতো কলবল করতে করতে এগিয়ে এলো দুষ্টুমির শিরোমনিগুলো। প্রাইমারী স্কুলের মাঠের সামনে অনাবিল শৈশব। কেউ ভেংচিকেটে, কেউবা স্মাইলি দেখিয়ে, কেউবা উলটো হয়ে দাঁড়িয়ে সাদর আমন্ত্রণ জানালো ওদের জগতে। মেয়ে এগিয়ে গেলো ভাব জমাতে, আমরা পা বাড়ালাম আমাদের অস্থায়ী আস্তানার দিকে। পা বাড়ালাম বললেই কিই আর পা চলে, শহুরে চোখ ঠোক্কর খায় বারেবার। চোখ বলছে এসেছ ফুলেদের জলসাঘরে, মন বলছে এসেছি নিজের সাথে দেখা করতে।দুদিনের আস্তানা যে কাঠবাড়ি তার ফুলেল বাগান নিয়ে যেন এক রূপকথা।কাছের দুরের আদুরে পাহাড়গুলো আগলে রেখেছে সবটুকু। প্রেয়ার ফ্ল্যাগের আড়াল থেকে মায়াজাল বোনে দিনমণি। পাখিদের কন্সার্টে কথা যায় হারিয়ে। আজন্ম লালিত সংস্কার ছেড়ে বারবার ছুটে যাচ্ছি অন্দরমহলে,অঞ্জু ববিতার কাছে, ওদের রান্নাঘরে হানা দিতে, গল্প করে জানতে চাইছি ওদের মনের অতল, ভাব জমিয়ে চাইছি ওদের মতো হতে,অন্তত এই দুটো দিনের জন্যে। এতো সারল্য, এতো আন্তরিকতা, এমন ভালোবাসার ক্ষমতা দেখে লজ্জায় পড়তে হয়। মানুষ হিসাবে ওদের পাশে নিজেকে দেখলে কেমন অস্বস্তি হয়,শুধু মনে হয় কিই যেন নেই।শুধু এই মিসিং লিনক খুঁজতেই একবার নকদারা যাওয়া যায়।     পাহাড়ি পথে সন্ধ্যে এলো ঝুপ করে। পাইনবনের পাতার ফাঁকেফাঁকে লুকোচুরি খেলতে খেলতে। দুরের হাইস্কুল থেকে বাচ্চারা ফিরছে দল বেঁধে , হাতে বই, মাথার দুপাশে ফিঁতেয় মোড়া বিনুনি, মুখে হাসি, উচ্ছ্বসিত আশপাশ,ঝরনাও লজ্জা পাবে ওদের দেখলে। কচিকাঁচাগুলো সাইকেলের ক্যারামতিতে ব্যাস্ত। মায়েরা চটপট ঘরকন্নায়।বাবাগুলো ফিরছে পিঠে ভারি বোঝা। মাঝে বেমানান আমরা তিনজন, বোকা হাসি মুখে পাড়া বেড়াচ্ছি।অন্ধকার আরো গভীর হতে টাইসন এলো, আমাদের নিতে, ঝুঁটি বাধা সুন্দরী লাসা। ঢাকা দেওয়া উঠোনটুকু...
JHARGRAM TRAVEL GUIDE – A WEEKEND DESTINATION

JHARGRAM TRAVEL GUIDE – A WEEKEND DESTINATION

Reading Time: 5 minutes A WEEKEND IN JHARGRAM – নিস্তব্ধতার ডাকে – ঈপ্সিতা বসাকের কলমে   একটা বিশালাকার ব্রীজের মত আমার শহর, ব্যস্ততার ট্রাফিক জ্যামে ভগ্নপ্রায় অথচ কি নির্বিকার..! ব্রিজের ওপারে সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল…., দূষণ ধোঁয়ায় শহরবাসীর যোগাযোগকারী ব্রীজ মেরামতের হাজার চেষ্টাও বিফল! এমন সময় সাহায্য খুঁজতে ছুটে যায় আকুল মন, বিশ্বাসঘাতক পর্বতমালার দুর্গম চূড়া ডিঙিয়ে পৌঁছায় তখন… একটা হাত! একটা হাত এগিয়ে আসে, এসেই খুন করতে চায় সবাইকে….! বলে হাইজ্যাক করে নিয়ে যাবে সুন্দরী তিলোত্তমাকে… নিয়ে যায় এক পাথরে ঘেরা শান্ত স্থির নীল নদীর তীরে…. আকাশের নীল চোখের ছায়া পরে যেই জলে…নীল চোখেই হারিয়ে যাওয়া যায় যেখানে… যেখানে রাজা রাণীর গল্পেরা জীবিত, নীরবতা কথা বলে কানে কানে…. সাথে করে হেঁটে চলে লাল মাটির পথ, সবুজ শাল পাতার ছোঁয়ায়…. যা পিচের মতো কালো হয়ে যায়নি! পাহাড়, শান্ত  ঝর্ণারা…. যেখানে বাসা বেঁধে আছে নিজেদের মতো, কেউ বিরক্ত করেনা- যাদের, সরলতা আর মাটির গন্ধ যেখানে একসাথে, লুটোপুটি খায়, খড়ের আঁটিতে শুয়ে খেলা করে হাতে হাতে…! এমন একটা হাত যদি সত্যিই হাইজ্যাক করে তোমার ধুলো মাখা শহরকে…. খুব কি অপরাধ হবে? নাকি…তিলোত্তমা তুমিও মত দেবে দুদিনের এই হাইজ্যাকে?? কি? ইচ্ছে হচ্ছে তো এইভাবে হাইজ্যাক হতে? হবারই কথা আমারও হয়েছিল।ব্যস্ততার থেকে একরাত আর দুটো দিনের ছুটি নিয়ে স্বেচ্ছায় হাইজ্যাক হয়েছিলাম…. চলে গিয়ে ছিলাম নীল নদীর ধারে, রাজা রাণীর গল্পেরা সত্যি যেখানে, সেই যেখানে অরণ্যে পাতার খসখসানী সাথে করে গভীরে নিয়ে যায় আদিম বীজ খুঁজে পেতে সাহায্য করবে বলে, যেখানে নিস্তব্ধতা আপন মনে গুনগুনিয়ে গান গায়। হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন…. ঝাড়গ্রাম। ঝাড়গ্রাম পশ্চিমবঙ্গের ২২তম জেলা,যা ২০১৭ সালে পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে আলাদা হয়ে যায়। এই জেলার উত্তরে বেলপাহাড়ি আর দক্ষিণ দিয়ে বয়ে গেছে সুবর্ণরেখা নদী। প্রকৃতিপ্রেমী বিশেষ করে যারা অরণ্যের রোমাঞ্চে আগ্রহী আর যারা অকৃত্রিম সৌন্দর্যরস...
Nimpith and Kaikhali trip guide

Nimpith and Kaikhali trip guide

Reading Time: 4 minutes Nimpith and Kaikhali – tourist spot near kolkata আগের উইকএন্ডে দেওঘর থেকে ঘুরে আসার পর শনিবার সকালে উঠেই আবার মনে হল শীতকালে ছুটির দিনগুলো বাড়ি বসে নষ্ট হতে দেওয়া কি ঠিক? কাছে পিঠেই নাহয় কোথাও ঘুরে আসি। আমার যে ‘পায়ের তলায় সর্ষে’। কোন আগাম প্ল্যান ছিল না। তাই একদিনেই ফিরে আসার মত জায়গার কথা ভাবতে গিয়ে মনে এল নিমপিঠ ও মাতলা নদীর ধারে কৈখালির নাম। শিয়ালদা থেকে দুজনে চেপে বসলাম লক্ষীকান্তপুর লোকালে। প্রথম গন্তব্য জয়নগর। শিয়ালদা সাউথ সেকশনের ট্রেনের ভিড়ের কথা সকলেরই জানা। ১ ঘন্টা ২০ মিনিটের ট্রেন যাত্রায় পৌঁছলাম জয়নগর-মজিলপুর স্টেশনে। স্টেশনের বাইরে এসে শেয়ার অটো ধরে মিনিট দশেকে নিমপিঠ (Nimpith) রামকৃষ্ণ আশ্রম। বেলুড় মঠের আদলে তৈরি সুন্দর মন্দির ও সমগ্র কম্পাউন্ড জুড়ে নানান রঙ বেরঙের মরসুমি ফুলের বাহার। রয়েছে স্কুল। দুপুর হয়ে গেছে। কম্পাউন্ডের একপাশে পাতা সার সার টেবিল চেয়ারে বসে অনেক মানুষ। জানা গেল একটু বাদেই খাবার বিতরণ হবে। ভিতরের অফিস ঘর থেকে কুপন কেটে আমরাও বসে পড়লাম দুটি চেয়ারে বাকিদের সাথে। এই আশ্রমে প্রতিদিন শতাধিক মানুষের আহারের আয়োজন করা হয়। বসে থাকা ভোজনার্থীদের মধ্যে যেমন স্থানীয় পড়ুয়া রয়েছে, তেমনই কুপন কেটে আমাদের মত কলকাতা থেকে আসা ভ্রমণার্থীও আছে। নিরামিষ আহার পর্ব সারার পর আশ্রমের অফিস ঘরে গিয়ে খোঁজ নিলাম মাতলা নদীর পাড়ের কৈখালির। শুনেছিলাম সেখানে এদেরই আরেকটি আশ্রম ও আশ্রম পরিচালিত পর্যটক আবাস আছে। জানতে চাওয়া হল আমরা সেখানে রাত্রিবাস করব কিনা। দিনে দিনে ঘুরে আসার প্ল্যানের কথা জানাতে আশ্রমের এক সন্ন্যাসী পরামর্শ দিলেন অটো রিসার্ভ করে ঘুরে আসতে। সেই মত গেটের বাইরে থেকে একটি অটোর সাথে ৫০০টাকায় চুক্তি হল যে আমাদের কৈখালি ঘুরিয়ে নিয়ে এসে সন্ধ্যেবেলা জয়নগর স্টেশনে ছেড়ে দেবে। নিমপিঠ থেকে কৈখালি ও মাতলা নদী নিমপিঠ থেকে কৈখালি ৩৮কিমি।...