Chupi Chor Purbasthali : A paradise for bird watcher

Chupi Chor Purbasthali : A paradise for bird watcher

Reading Time: 8 minutesChupi Chor Purbasthali : A paradise for bird watcher চুপি চুপি “চুপির চর” “এ মন ব্যাকুল যখন তখন” …. কি করা ??? … ব্যাকুল মনকে তো শান্ত করার কোন উপায় চাই ……. তাই সিন্থিয়া আর আমি চুপি চুপি কেটে পড়লাম …. কাটোয়া লোকালে টিকিট কেটে উঠে পড়লাম … ট্রেন ফাঁকাই ছিল … জানলার ধারে বসার সিটও পেয়ে গেলাম …. ব্যাস আর পায় কে …. “আজ আবার মোরা ভবঘুরে ” …. দুই বান্ধবী মিলে পাড়ি অজানার উদ্দেশ্যে ….. ট্রেন মিনিট দশেক দেরী করে ছাড়লেও কোন অসুবিধা হলো না …. এরপর ট্রেনে ঝালমুড়ি, শশা, মটর, চা, বাড়ি থেকে আনা কেক খেতে খেতে আর জানলা দিয়ে বাইরের দৃশ্য দেখতে দেখতে ১১টা ১০ এ পৌঁছে গেলাম পূর্বস্থলী … ৩ নং প্লাটফর্মে ট্রেন আমাদের নামিয়ে দিয়ে চলে গেল …. স্টেশন চত্তর বেশ বড় । ফ্লাই ওভারের ব্রীজ দিয়ে উপরে উঠে ১ নং প্লাটফর্মের দিকে এসে বাইরে বেরোলাম …. স্টেশনের বাইরে বেশ ফুলগাছ দিয়ে সাজানো …. বাইরে গাছতলায় অনেক টোটো দাঁড়িয়ে … চড়ে বসলাম একটায় … তার আগে অবশ্য একটু আখের রস খেয়ে নিলাম … মিনিট ২৫ এর মধ্যে পৌঁছে গেলাম আমাদের আস্তানায় …. “চুপি কাষ্ঠস্থালী পাখিরালয় কটেজ” …. ঢুকেই মন ভরে গেল … বিশাল জায়গা নিয়ে বাগান করা …সুন্দর করে সাজানো…. তার সামনেই সেই ঝিল … যেখানে শীতে পরিযায়ী পাখীরা এসে একে অনিন্দ্যসুন্দর করে তোলে … সেই “চুপির চর” …. স্থানীয় লোক একে অবশ্য খাড়ি গঙ্গা বলে । এরপর আমাদের ঘরে গিয়ে দেখি এসি আগে থেকেই চালিয়ে ঘর ঠান্ডা করে রাখা হয়েছে … ঘর পরিষ্কার… ছিমছাম … রট আয়রনের খাট ধবধবে সাদা চাদর পাতা, সোফা কাম বেড, দুটি সুন্দর পাটের দড়ি দিয়ে তৈরি টুল, ছোট একটি আলমারী, টি টেবিল, টি ভি...
Mukutmanipur : The queen of Bankura

Mukutmanipur : The queen of Bankura

Reading Time: 10 minutesMukutmanipur Travel Guide Mukutmanipur is one of the most attractive tourist destinations of Bankura District of West Bengal. The main attraction of Mukutmanipur is second largest earthen dam of India. This is ideal destination for a weekend trip from Kolkata and here you will get Dam, Jungle, Hills and beautiful nature. Where is Mukutmanipur located? Mukutmanipur is situated at Khatra Sub Division of Bankura District, West Bengal and the dam is made at the confluence of Kangsabati and Kumari River. How to reach Mukutmanipur from Kolkata: Mukutmanipur can be reached in many ways. The nearest town of Mukutmanipur is Khatra. Bankura is only 55km away. Bankura is the nearest rail head. One has to reach Bankura first then has to take a bus or car to reach Mukutmanipur. Regular buses ply between Bankura and Mukutmanipur. One can also reach Mukutmanipur from Bishnupur also but it will take much more time. How to reach mukutmanipur from Kolkata by Car: One can easily reach by car from Kolkata. To reach Mukutmanipur by car one have to take Kolkata > Tarakeswar > Arambag > Bishnupur > Bankura > Mukutmanipur which is approximately 241 K.M. Another but recommended route to reach Mukutmanipur is like Kolkata > Dankuni > Bardhaman > Durgapur (till here NH2) > Bankura (SH9)> Mukutmanipur which is nearly 270km but the road condition is really good. You will get regular bus service from Kolkata to Mukutmanipur. Another but most scenic route is Jhargram to Mukutmanipur. In that case one has to reach Jhargram first then he has two options, at first he can explore Jhargram and on...
বুদ্ধগয়া ভ্রমণ

বুদ্ধগয়া ভ্রমণ

Reading Time: 7 minutesবুদ্ধগয়া ভ্রমণ By..Soumitra Bhattacharjee সপ্তাহান্তে ঘুরতে যেতে চান, হাতে দু তিন দিনের ছুটি , কোথায় যাবেন ভাবছেন, আসুন কলকাতা থেকে সল্প দূরত্বের কিছু স্পট প্রতি সপ্তাহে আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরব। ভালো লাগলে শেয়ার করে আর লাইক দিয়ে উৎসাহ দেবেন। *******প্রথম পর্ব******** বৈশাখী পূণিমা উপলক্ষে ১৩৪২ বঙ্গাব্দে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অকুন্ঠ শ্রদ্ধাভরে বলেছেন, আমি যাকে অন্তরের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব বলে উপলদ্ধি করি, আজ এই বৈশাখী পূণিমায় তাঁর জন্মোৎসবে আমার প্রণাম নিবেদন করতে এসেছি।কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অন্তরে ’যাঁকে সর্বশ্রেষ্ঠ মানব বলে উপলদ্ধি করেছিলেন , তিনি হলেন মহামানব গৌতম বুদ্ধ।মহামানব গৌতম বুদ্ধের জীবনের সঙ্গে যে চারটি স্থান অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত বুদ্ধগয়া তাদের মধ্যে অন্যতম। এই বুদ্ধগয়ার নিরাঞ্জনা নদীর তীরে আজ থেকে ২৫৫০ বছর পূর্বে বোধিপ্রাপ্ত হয়েছিলেন তিনি। তাই আজও সারা বিশ্বের বৌদ্ধধর্মালম্বী জনগনের কাছে বুদ্ধগয়া এক মহান তীর্থস্থান। বলা হয় নেপালের কপিলাবস্তুর এক শাক্য বংশে বুদ্ধদেবের জন্ম হয় | তবে তাঁর জন্ম স্থান অবশ্য কপিলাবস্তু নয়, প্রাচীন লুম্বিনী বা বর্তমান রুম্মিনদেঈ গ্রাম তাঁর জন্ম স্থান | তাঁর পিতা শুদ্ধোদন,মা মায়াদেবী | গৌতমের জন্মের সাতদিনের পর তাঁর মা মারা যান | এরপর তিনি তাঁর বিমাতা তথা মাসী প্রজাপতি গৌতমীর কাছে মানুষ হন | কোনো কোনো ঐতিহাসিক মনে করেন গৌতমী মাসির কাছে মানুষ হওয়ায় তাঁর নাম গৌতম | তবে বেশির ভাগ ঐতিহাসিক মনে করেন গৌতম গোত্রে জন্ম হওয়ায় তিনি গৌতম | তাঁর পিতৃ দত্তা নাম ছিল সিদ্ধা র্থ | তাঁর জন্মকালে সকলের ইচছাপূরণ হয়েছিল তাই এরুপ নামকরণ করা হয় বলে মনে করা হয় | শাক্যবংশে জন্ম করেন বলে তাঁকে শাক্যসিংহ বলা হয় | সম্যকজ্ঞানলাভের পর তাঁর বুদ্ধ নামকরণ হয় | সুত্তনিপাতে বলা হয়েছে, গৃহীজীবন বন্ধনময়, দুঃখ কষ্টে ভরা | এই জীবনের প্রতি গৌতমের বিতৃষ্ণা জন্মে এবং এর ফলেই তিনি সন্ন্যাস নেন |...
আলস্যের আউলিতে

আলস্যের আউলিতে

Reading Time: 6 minutes  জোশিমঠথেকে সোজা রাস্তা চলে গেছে আরও দূরে বদ্রীনাথের দিকে। কপালে পুণ্যিটুন্যি বিশেষ নেইও আমার। তাই এখান থেকে গাড়ি ঘুরল উপর পানে। আঁকাবাঁকা এ পথ চলে গেছে আরও ১৬ কিলোমিটার দূরে আউলির দিকে। আপাতত গন্তব্য আমার ঐখানে। আরে ভাই, ওটা তো একটা স্কি রিসোর্ট। বরফের ওপর স্কি করতেই সবাই যায় ওখানে। বিদেশিদের ভিড় ই বেশি। আলুপোস্ত খাওয়া ভেতো বাঙালী তুমি ওখানে গিয়ে কি করবে শুনি? তার ওপর আবার ভাঙা কোমর নিয়ে? এমনতর হাজার প্রশ্নের স্রেফ একটাই উত্তর আমার। যাবো আউলিতে একটু আলিস্যি করতে। করুক না সবাই স্কি টি বরফের ওপর। আমি না হয় ততক্ষন কুঁড়েমি করে শুয়ে বসে অপার হিমালয়ের অপরূপ রূপ দর্শন করি। শুরুতেই বিপত্তি। পথ জুড়ে বরফের আস্তরন। একজন আর্মির ভদ্রলোক ওপর থেকে নেমে আসছিলেন। আমাদের চালক শুধল তাকে, পথ কি খোলা না বন্ধ? একগাল হেঁসে মানুষটি জানালেন বিশুদ্ধ হিন্দিতে, কাল তক তো সড়ক বন্ধই থা। বহুত বরফ গিরা থা। লেকিন আজ খুল গিয়া রাস্তা। সাবধানী সে যাও। এই বলে তিনি ওপরের দিকে নাকি স্বর্গের রাস্তার দিকে আঙুল দেখিয়ে দিলেন। অত্যন্ত অনিচ্ছায় ড্রাইভার একবার আমার সর্বাঙ্গ মেপে নিয়ে গিয়ার মেরে গাড়ি চালু করলেন। তার ইচ্ছে ছিল জোশিমঠেই ঘাঁটি গাড়া এবং আমাদের রোপওয়ে দিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া। সহযাত্রীরা তো আরও বিরক্ত আমার ওপর। একে ঠাণ্ডা, তায় বরফ, তার ওপর সরু রাস্তা, প্রান রাখার কি বিন্দুমাত্র ইচ্ছে আমার নেই? কারুর গোঁফ গেছে ঝুলে, উদ্বেগে আর আমার ওপর রাগে। কারুর বা লিপস্টিক ফ্যাকাশে। এমন বেখেয়ালে বাউন্ডুলে ঘোরাফেরা তাঁদের বিলকুল না পসন্দ। কিন্তু ঐ যে বরফের পাহাড়শ্রেণী উঁচু হয়ে আমাকে হাতছানি দিচ্ছে, পাগল করা রূপ নিয়ে। যেতে তো আমাকে হবেই। বেশ একরোখা হয়েই বললাম, চলিয়ে ড্রাইভার সাহাব, সাবধানী সে চলিয়ে। আউলি তো আ গিয়া হ্যায়। সব হতাশায় জল ঢেলে...
হিমাচলের কয়েকদিন

হিমাচলের কয়েকদিন

Reading Time: 54 minutes ‘হিমাচলের কয়েকদিন’ (প্রথম পর্ব) ১লা মার্চ, ২০১৮। আজ দোল। নেট ঘেঁটে ঘেঁটে সিমলা মানালি চণ্ডীগড়ের লেখা পড়ে আর ছবি দেখে চোখে ছানি পড়ে গেছিলো। এদিকে গাদাখানেক লোকজন কোত্থেকে জানতে পেরে ফোন লাগিয়েছে, দাদা গাড়ি লাগেগা, হোটেল লাগেগা, এইসব। আমি আমার বিখ্যাত হিন্দিতে তাদের যথাসম্ভব নিরস্ত করছি। একজন তো বিরক্ত হয়ে বলেই বসল হোটেল লাগবে না তো কি গাছতলায় থাকবেন? সেই কবে টিকিট কাটা হয়েছে, সিমলার ঘর বুক করা হয়েছে। ব্যাস, তারপর দিন যেন আর কাটছেই না। শেষে কাল অফিসে সবাইকে টা টা করে বেরিয়ে মনটা কেমন ফুরফুরে হয়ে গেল। সত্যি বলছি ফেব্রুয়ারির আঠাশ তারিখ, সবে মাইনে ঢুকেছে অ্যাকাউন্টে, অফিসে জেলাস পার্টি গুম হয়ে বসে আছে যেই শুনেছে দেড় সপ্তাহের ছুটিতে সিমলা মানালি বেড়াতে যাচ্ছি। এদিকে আমিও হ্যাপ্পি হোলি ইন অ্যাডভান্স বলে একটু তাড়াতাড়িই বেরিয়ে পড়েছি।আজ রাতের ঘুমটা খুব জরুরি। কারণ কালকে রাতটা ট্রেনে জেগে কাটাবো। গড প্রমিস, একটুও ঘুমোবো না। ট্রেনে ঘুম আসে না তা নয়, ছোটবেলায় দোলনায় দুলিয়ে দুলিয়ে ঘুম পাড়ানো হত, ধেড়ে হয়ে যাওয়ার পরে একমাত্র ট্রেনেই দুলে দুলে ঘুমোনো যায়। কিন্তু কাল তো পূর্ণিমা, চারদিকে চাঁদের আলো পড়বে, আর আমি ভোঁস ভোঁস করে নাক ডাকিয়ে ঘুমোবো এমন বেরসিক আমি নই। তাই বলে যে দাঁতে কলম আটকে কবিতা লিখব তাও নয়। শুধু বাইরের দিকে তাকিয়ে মোবাইলে খুব প্রিয় কিছু গান শুনব এরকম ইচ্ছে আছে। সক্কাল বেলা বাইরে চেঁচামেচি। পিচ্চি পিচ্চি সব বাচ্চাগুলো রং খেলতে বেরিয়ে পড়েছে। ধেড়েরা বারোটার পর বেরোবে, কারণ ওদের বারোটা অনেক আগেই বেজে গেছে। এমন ছুঁচো, কি একটা কিনতে একটু বেরিয়েছিলাম, বাঁদুরে রং লাগিয়ে দিলো। আমিও আচ্ছা করে কথা শুনিয়ে দিয়েছি ওর বাবা না কাকা কে একটা দাঁড়িয়েছিল ভুত হয়ে, তাকে। বুঝলাম, সাতটা চল্লিশে হাওড়া থেকে ট্রেন, যদি সুস্থভাবে যেতে...