Puja Special Train and Last Minute Trip Plan

Puja Special Train and Last Minute Trip Plan

Reading Time: 2 minutesPuja Special Train and Last Minute Trip Plan যখন কোনো কিছু না হওয়া বা না পাওয়া টা হঠাৎ পাওয়া যায় বেশ ভালো লাগে। তেমনি পুজোয় যারা বেড়াতে যাওয়ার টিকিট পাননি তাদের জন্য ভারতীয় রেলওয়ে বেশ কিছু স্পেশাল ট্রেনের এনাউন্স করল। কিন্তু একেবারে শেষ সময়ে মনে হতে মাত্র 1-2 দিনের ব্যবধানে হঠাৎ করে কিভাবে প্ল্যান করবেন? হোটেলই বা পাবেন কিভাবে? আপনাদের সাহায্যের জন্য আমি কিছুটা চেষ্টা করলাম। আসুন একে একে দেখে নেই- স্পেশাল ট্রেনের তথ্য 1: 08047 Santragachi- Njp special AC ছাড়ছে: 06.10.19 তা NJP তো পৌঁছে গেলেন, এবার যাবেন কোথায়? প্রচুর যাওয়ার জায়গা আছে কিন্তু হোটেল পাবেন কিনা সেটাই চিন্তার। আমি কয়েকটা চেনা আবার কয়েকটা অফবিট জায়গার নাম বলছি একটু যোগাযোগ করে দেখতে পারেন। 1. তুরজুম: মিরিকের থেকে কাছে চায়ের বাগানের মাঝে সুন্দর জায়গা। সঙ্গে ঘুরে নিতে পারেন তাবাকশি ও মিরিক। থাকা, খাওয়া ও ঘোরার ব্যাপারে জানতে পড়ে দেখুন Turzum – A heaven inside tea garden 2. নকধারা : ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম, পাহাড়ি মানুষ ও নির্জনতা। দারুন জায়গা। পড়ে দেখতে পারেন Nok Dara – A beautiful village of North Bengal 3. লুসিং: নদী ও ভ্যালি পছন্দ হলে আদর্শ জায়গা পড়ে দেখুন Lossing and Rangpokhola – A offbeat gateway of east sikkim 4. চিসাং : নতুন জায়গা একেবারে পাহাড়ের কোলে। পড়ে দেখুন Chisang – A hamlet near Todey -Tangta valley 5. এলবং : ট্রেক পছন্দ হলে এই জায়গাটি আপনার ভালো লাগবেই। Hidden Treasure of West Bengal-Yelbong 6. মঙ্গলবারে: ছোট্ট ছুটিতে নির্জন,শান্ত ও ঘরোয়া পরিবেশে দু-তিন দিন কাটাতে চান? ঘুরে আসুন মঙ্গলবারে (Mangalbarey) নাঃ এটা কোনো সাপ্তাহিক বার নয়। এটা একটা জায়গায় নাম। পশ্চিম সিকিমে এর অবস্থান। ওখানে থাকতে পারেন Boonu -এর হোমস্টেতে। ওর আতিথেয়তা আর মুখের হাসি আপনার সমস্ত ক্লান্তি...
পুজোর ছুটিতে বেড়াতে যাওয়ার টিকিট হয়নি? চিন্তা নেই সমাধান আছে

পুজোর ছুটিতে বেড়াতে যাওয়ার টিকিট হয়নি? চিন্তা নেই সমাধান আছে

Reading Time: 4 minutesআপনাদের সবার পুজোয় বেড়াতে যাওয়ার টিকিট হয়েছে তো? নাকি এখনও টিকিট করে উঠতে পারেন নি? ভাবছেন আর কি টিকিট পাওয়া যাবে? নাকি ভঅবছেন টিকিট কাটা হয়ে ওঠেনি তাই এখন তো আর টিকিট পাওয়া যাবে না। তাই এইবারের বেড়ানো আর হবে না। ভুল ভাবছেন ! আপনাদের জন্য আজকে এম কিছু জায়গায় সন্ধান আনলাম যেখানে আপনি পুজোর সময় অনায়াসে ঘুরে আসতে পারবেন। এবং টিকিট এখনো আছে ঐ জায়গা গুলোতে যাওয়ার জন্য। আসুন দেখে নেই ঠিক কোন কোন জায়গায় যাওয়া যেতে পারে- 1. কেওনঝর : পাহাড়, নদী, ঝর্ণায় নিয়ে প্রকৃতির বুকে কেওনঝর হতে পারে এবারে আপনার পুজোয় ঘুরে আসার সেরা জায়গা। কতদিন লাগবে : 5-7 দিনের ট্রিপে ঘুরে আসতে পারেন কেওনঝর। কিভাবে যাবেন : হাওড়া থেকে ট্রেনে জাজপুর কেওনঝর রোড (কোড: JJKR) পৌঁছে ওখানে গাড়ি ভাড়া করে 120কিমি দূরে কেওনঝর। অথবা বাবুঘাট থেকে রাতের এসি ভলভো বাস ধরে কেওনঝর। সময় লাগবে 9-10 ঘন্টা। এখনও যাওয়া ও আসার টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। হাওড়া থেকে ভুবনেশ্বরগগামী জন শতাব্দীতে। কি কি দেখবেন: পাহাড়, নদী, জঙ্গল, ঝর্ণা। কোথায় থাকবেন: Otdc পন্থনিবাস, সব রুম AC, ভাড়া 1150+tax (ব্রেকফাস্ট ইনক্লুডেড)।এছাড়াও অনেক বেসরকারি হোটেল আছে। প্ল্যান : প্রথমদিন : হাওড়া থেকে কেওনঝর পৌঁছে, কেওনঝরে রাত্রিযাপন। দ্বিতীয় দিন : গাড়ি করে ঘুরে নিন ভিমকুন্ড, গুন্ডি চাগাই, তারিণী মন্দির,সীতাবিঞ্জ, কানঝরি ড্যাম। রাত্রিযাপন কেওনঝর। তৃতীয় দিন: খন্দধার, গোনাসিকা, বড়া ঘাঘরা, সনা ঘাঘরা, নেচার পার্ক, জগন্নাথ মন্দির ও রাজবাড়ী।রাত্রিযাপন কেওনঝর। চতুর্থ দিন: হাঁড়িভাঙ্গা, মুর্গা মহাদেব, কিচকেশ্বরী। রাত্রিযাপন কেওনঝর পঞ্চম দিন: কেওনঝর থেকে জাজপুর হয়ে ব্যাক। আনুমানিক খরচ: জনপ্রতি 7-9 হাজার। Read about Keonjhar here  2. জগদলপুর ও আরাকু: পাহাড়, ঝর্না, নদী, উপত্যকা নিয়ে জগদলপুর হতে পারে এবারে পুজোয় বেড়ানোর সেরা জায়গা। কতদিন লাগবে : 5-7দিন। কিভাবে যাবেন: হাওড়া থেকে ট্রেনে জগদলপুর...
দক্ষিণ কলকাতা পূজা পরিক্রমা 

দক্ষিণ কলকাতা পূজা পরিক্রমা 

Reading Time: 3 minutesদক্ষিণ কলকাতা পূজা পরিক্রমা    সাউথ কলকাতার জন্য আমরা শুরু করব কসবা থেকে। প্রথমেই কসবা পৌঁছে আমরা দেখে নিন বোস পুকুর শীতলা মন্দির। তারপর কিছুটা পায়ে হেঁটে দেখে নিতে হবে তালবাগান। এরপরে একটা অটো ধরে(অটো বিকেল তিনটে অবধি চলবে) বা বাস ধরে চলে আসুন গড়িয়াহাট। বাস থেকে নেমে গড়িয়াহাট এর উড়ালপুল বরাবর দক্ষিণ দিকে কিছুটা এগোলেই একডালিয়া এভারগিন। একটু এগিয়ে সুইনহ স্ট্রীট এ দেখে নিন ফাল্গুনী সংঘ ও দুরগাবাড়ি এটা দেখা হলে, বাম হাতে ফাল্গুনী সংঘ ও ডান হাতে দুরগাবাড়ি ও মাঝ বরাবর যে রাস্তাটা গেছে ওটা বন্ডেল রোডে মিশেছে ওই রাস্তাটা ধরে একটু এগোলেই 21পল্লীর পুজো, এটা দেখার পর গড়িয়াহাট পার্ক সার্কাস গামী বড় রাস্তায় চলে আসুন, বড় রাস্তায় পৌঁছে বাস ধরে চলে আসুন গরিয়াহাটে,নেমে পড়ুন একডালিয়া ঢোকার মুখটাতে। যে ফুটে একডালিয়া গেলেন তার বিপরীতে এসে একটু এগোলেই সিংহী পার্ক। সিংহী পার্ক দেখে আবার চলে আসুন  গড়িয়াহাটের মোড়ে। গড়িয়াহাট এর মোড় থেকে একটা বাস ধরে চলে আসুন যোধপুর পার্ক, 95পল্লী ও পল্লিমঙ্গল সমিতির পুজো। যোধপুর পার্কের পুজো দেখা পায়ে হেঁটে চলে আসুন সেলিমপুর। ওখানে সেলিমপুর পল্লী দেখে এবার ঢাকুরিযার দিকে আসুন। দেখে নিন বাবুবাগান এর পুজো। ঢাকুরিয়া থেকে একটা বাস ধরে চলে আসুন গোলপার্কের মোড়ে। এখান থেকে পুর্নদাস রোড ধরে চলে আসুন হিন্দুস্তান পার্ক (আপনার ডান দিকে পড়বে), এটা দেখা হলে আবার পূর্ণদাস রোড ধরে এগোলেই বামহাতে পড়বে বালিগঞ্জ কালচারেল। পাশেই রয়েছে সমাজসেবী চাইলে ওটা দেখে লেক ভিউ রোড ধরে বা পূর্ণদাস রোড ধরে(যদি সমাজসেবী স্কিপ করেন) রাসবিহারী এভিনিউ আসুন। একটা ক্রসিং পড়বে পর পর দুটো রাস্তা একটা মনোহর পুকুর রোড আরেকটি মতিলাল নেহেরু রোড, মতিলাল নেহেরু রোড ধরুন। একটু এগোলেই বাম হাতে দক্ষিণ কলিকাতা সার্বজনীন, এটা দেখে সোজা একই রাস্তায় এগোলে দান হাতে ত্রিধারা...
দক্ষিণ কলকাতার কিছু পুজো দেখতে যাবার Route Map – শুভব্রত সান্যাল

দক্ষিণ কলকাতার কিছু পুজো দেখতে যাবার Route Map – শুভব্রত সান্যাল

Reading Time: 2 minutesআজ আলোচনা করবো একট দক্ষিণ কলকাতার দুর্গা ঠাকুর দেখার ব্যাপারে। যে ঠাকুর গুলো আমরা দেখতে চলেছি এই তালিকায় সেগুলোর মধ্যে কোনো প্যান্ডেল সনাতনী ঐতিহ্যের ধারক কোনোটি অপরূপ শিল্প সুষমায় উজ্জ্বল। আবার কোনটি শিল্পের মাধুর্য বজায় রেখেও সনাতনী মায়ের রূপ বজায় রেখেছে। আসুন শুরু করি… রুট প্ল্যান 1 শিয়ালদাহ স্টেশনের দক্ষিণ শাখা থেকে বজবজ বাদে যে কোনো ট্রেন ধরে আমরা সহজেই পৌঁছে যাব ঢাকুরিয়া স্টেশন। line পাল্টে রাস্তায় এসে গলি দিয়ে মিনিট পাঁচেক এগোলেই আমরা পাবো বাবুবাগান। দেখে নিয়ে একটু সংলগ্ন মাঠে খাওয়া দাওয়া করে আমরা বান্ধব সম্মেলনী দেখে main road এ এসে একটু খানি হেঁটেই চলে যাবো সেলিমপুর পল্লী। পল্লী দেখে আবার main road এ এসে রাস্তা পেরিয়ে আমরা পাবো যোধপুর পার্ক। আর তার সমান্তরাল রাস্তায় 95 পল্লী, দেখা শেষ। আবার বড় রাস্তায় এসে বাস ধরবো বালিগঞ্জ যাওয়ার,অনেক বাস পাবো। নামবো গড়িয়াহাট ব্রীজ পেরিয়ে pantaloons এর সামনে। পিছিয়ে এসে দেখে নেব সিংহী পার্ক। কিছুটা পাশে হিন্দুস্থান পার্ক,এরপর একডালিয়া ফাল্গুনী সঙ্ঘ দেখে বালিগঞ্জ স্টেশন দিয়ে বাড়ি। রুট প্ল্যান 2 Sealdah station থেকে বজবজ গামী ট্রেনে new alipore নেবে একটু খানি হেঁটেই পাবো দক্ষিণ কলকাতার বড় পুজো সুরুচি সঙ্ঘ। দেখা হয়ে গেলে auto 20 টাকা প্রতিজন বা min 20 হেঁটে আপনি পৌঁছে যান আর এক বড় পুজো চেতলা অগ্রণী। এর পর ধরুন রাসবিহারী avenue, কালীঘাট মন্দিরের কাছে আসতেই আপনি পেয়ে যাবেন বাদামতলা আষাঢ় সঙ্ঘ ও 66 পল্লী। দুটোই একদম পাশাপাশি। আরো কিছুটা এগিয়ে আসুন, চার রাস্তার মোড়, ডান দিকে গেলে পাবেন শিবমন্দির ও মুদিয়ালি। এই দুই ঠাকুরের মধ্যবর্তী রাস্তার নাম জানেন? রজনী সেন রোড, চেনা চেনা লাগছে?? লাগবেই তো, আমাদের কিশোর জীবনের চির সাথী ফেলুদার বাড়ি ই তো 21 রজনী সেন রোড। যদিও বাস্তবে 21A আর 21B আছে।...
বেড়াতে যাওয়ার আগে কিছু টিপস

বেড়াতে যাওয়ার আগে কিছু টিপস

Reading Time: 2 minutesবেড়াতে যাওয়ার আগে কিছু টিপস: সামনে অনেকেই বেড়াতে যাচ্ছেন, সব প্ল্যান তৈরী, টিকিট ও কাটা হয়ে গেছে এবার বেরিয়ে পড়ার পালা। বেড়াতে যাওয়ার আগেই বা বেড়াতে গিয়ে যদি আপনার বেড়ানোটা মাটি হয়ে যায়? ভাবুনতো কতটাই না খারাপ হবে। তাই বেড়াতে বেরোনোর আগে প্রাক ভ্রমণ কিছু টিপস আপনাদের জন্য আজ শেয়ার করছি। 1. ট্রেন বা প্লেনের টিকিটটা ভালো করে দেখে নিন, pnr টা চেক করে দেখেনিন, সব ঠিক আছে কিনা। টিকিটে লেখা Journey Date and  Schedule Departure ভালো করে দেখুন। অনেক সময় ট্রেন বা প্লেন এর date: 12-Oct-2018, (শুক্রবার) আর Schedule Departure time : 00: 10 am দেখায়, অনেক সময়েই আমাদের ভুল হয়ে যায় এরকম সময় গুলির ক্ষেত্রে। এটা মানে আপনার জার্নি শুক্রবার ভোরে যেটা আমরা চলতি কথায় বৃহস্পতিবার রাতে বলে থাকি। তাই গুলিয়ে যাওয়ার প্রমুখ সম্ভাবনা। 2. PNR স্ট্যাটাস রেলের চার্ট তৈরীর পর অবশ্যই চেক করুন। অনেক সময় seat and coach upgrade হয়ে যায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। 3. এখন হোটেল বুকিং অনেকেই অনলাইনে করেন তাই হোটেলের পেমেন্ট এর প্রিন্ট নিন। 4. রওনা হওয়ার একদিন আগে হোটেলে ফোন করে কনফার্ম করুন আপনি আসছেন আর আপনার বুকিংটা ঠিক আছে কিনা জেনে নিন। 5. সঙ্গে নিজের ও ভ্রমণ সঙ্গীদের অরিজিনাল id বিশেষ করে ভোটার বা আধার কার্ড সঙ্গে রাখুন। বাচ্চা থাকলে বার্থ সার্টিফিকেট সঙ্গে রাখুন। আর সকলের id গুলোর দুকপি করে জেরক্স করিয়ে রাখুন। 6. Indian railway এর ওয়েবসাইট থেকে দেখে নিন আপনার ট্রেনের রুট ঠিক আছে কিনা। 7. যদি ফ্লাইটে যান তাহলে ডোমেস্টিক ফ্লাইটের জন্য 2ঘন্টা আগে চেকইন এর জন্য ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট হলে 3ঘন্টা আগে চেকইন এর জন্য পৌঁছে যাবেন। 8. গাড়ি আগেথেকে বুক করা থাকলে এজেন্সি বা ড্রাইভারকে বলুন গাড়ির নাম্বার টেক্সট করে দিতে। আপনি পৌঁছনোর...
উত্তর কলকাতার পূজা পরিক্রমা

উত্তর কলকাতার পূজা পরিক্রমা

Reading Time: 2 minutesকলকাতায় দুর্গাপুজো কাগজে কলমে চার দিন অর্থাৎ ষষ্ঠী থেকে দশমী হলেও,পুজোর রেশ শুরু হয়ে যায় তৃতীয়া, চতুর্থী থেকেই। কিন্তু তা হলেও সঠিক পরিকল্পনা ও রুট গাইড না থাকলে, পুরো কলকাতার পুজো এই চারদিনে ঘুরে দেখা প্রায় অসম্ভব। তাই সেসব কথা মাথায় রেখেই এবারে আমরা কলকাতার পূজা গুলোকে মোট চার ভাগে ভাগ করে আপনাদের জন্য পূজা পরিক্রমার রুট প্রস্তুত করলাম। এই পর্বে আপনাদের জন্য থাকছে উত্তর কলকাতার পূজা পরিক্রমা। এই রুট গাইডটা তৈরী করেছেন অতনু চক্রবর্তী উত্তর কলকাতার পূজা পরিক্রমাঃ শুরু করবেন শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড় থেকে। শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড় থেকে যে রাস্তাটা বিটি রোড দিকে গেছে সেই বিটি রোড ধরে মিনিট সাতেক হাঁটলেই একটি ব্রিজ পড়বে, ব্রিজের ডানদিকে একটি রাস্তা গিয়েছে টালা বারোয়ারি পূজা প্রাঙ্গনের দিকে। টালা বারোয়ারি পূজা দেখে ইন্দ্রমিত্র স্ট্রীট ধরে কিছুটা গেলেই টালা প্রত্যয়। টালা প্রত্যয় পূজা দেখা হয়ে গেলে যে পথে গিয়েছিলাম সেই পথেই ফিরে আসব মানে শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড় একটু আগে ডানদিকে পড়বে বাগবাজার স্ট্রিট। বাটার জুতোর দোকানের সামনে থেকে পাওয়া যাবে বাগবাজার যাবার অটো। অটোতে চেপে চলুন বাগবাজার সার্বজনীনের পূজা দেখতে। দেখা হয়ে গেলে এক্সিট পয়েন্ট দিয়ে ডানদিকে কিছুটা হেঁটে রবীন্দ্র সরণির রাস্তা ধরুন। বাঁদিকে হেঁটে এগিয়ে চলুন কুমোরটুলী সার্বজনীনের পূজা দেখতে। এর পরে একে একে দেখুন জগৎ মুখাজ্জী পার্ক, কুমোরটুলী পার্ক। কুমোরটুলী পার্ক দেখা হয়ে গেলে অটো (৩ টের পরে অটো বন্ধ হয়ে যায়) বা টানা রিকশা করে চলুন আহিরীটোলা সার্বজনীন। এরপরে পায়ে হেঁটে দেখুন আহিরীটোলা যুববৃন্দ আর বেনিয়াটোলা সার্বজনীন। এর পরে হেঁটে চলে আসুন বি কে পালের মোড়ে বা আর একটু এগিয়ে পূর্ণ চন্দ্র সুরাইয়ের জামাকাপড়ের দোকানের সামনে। বাস বা অটো বা টানা রিকশা ধরে চলুন হেদুয়ার কাছে কাশীবোস লেনের পূজা দেখতে। তারপরে পায়ে হেঁটে চলুন হাতিবাগানের...