Simlipal National Park Tour guide

Simlipal National Park Tour guide

Reading Time: 8 minutesSimlipal National Park and Bangriposi weekend trip guide সিমলিপাল(Simlipal National Park) !! নামটা বেশ জমকালো। কিন্তু জায়গাটা কেমন? ইন্টারনেট ঘেঁটে যা তথ্য পাওয়া যায় তাই দিয়েই সেরে নেওয়া হল যাবার পরিকল্পনা। সিমলিপাল ন্যাশনাল পার্ক আয়তনে ২৭৫০ বর্গ কিলোমিটার। গড় উচ্চতা ২০০০ ফুট।গভীর জঙ্গলে পরিপূর্ণ সুউচ্চ পর্বতমালা উড়িষ্যার উত্তর পূর্ব দিকে কোথাও বিস্তীর্ণ বা কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে রয়েছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল সিমলিপাল।উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গের সীমানা থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার। সড়কপথে কলকাতা থেকে দূরত্ব প্রায় ২৩০ কিলোমিটার। তাই কলকাতা ও শহরতলির মানুষজনের ক্ষেত্রে কাছাকাছির মধ্যে মনোরম অথচ অন্যরকম জায়গা এই সিমলিপাল। সিমলিপাল ন্যাশনাল পার্কের প্রবেশপথ প্রধানত দুটি। ১. পিথাবাটা ২. যোশীপুর। কাছাকাছি হোটেল বলতে বারিপাদায়( পিথাবাটা গেট থেকে ২০ কিমি) যথেষ্ট হোটেল আছে। বেশীরভাগ পর্যটক তাই বারিপাদা থেকেই সিমলিপাল যান। পিথাবাটা গেট দিয়ে ঢুকে আবার পিথাবাটা দিয়েই বেরিয়ে আসেন। কিন্তু আমরা হোটেল নিলাম বাংরিপোসি তে,সিমলিপাল রিসর্ট(One of the good resort near Simlipal national park)। পাহাড়ে ঘেরা উন্মুক্ত প্রান্তরের মাঝে ছোট্ট রিসর্ট,কলকাতা মুম্বাই জাতীয় সড়কের পাশেই। এখান থেকে পিথাবাটা গেট ৪৬ কিলোমিটার, এবং যোশীপুর গেট ৭০ কিলোমিটার। আমরা পিথাবাটা গেট দিয়ে ঢুকে যোশীপুর গেট দিয়ে বেরিয়ে যাব। তাতে সময় যেমন বাঁচবে বেশী, তেমনি জঙ্গলের অনেকটা জায়গা এক্সপ্লোর করা যাবে সীমিত সময়ের মধ্যেই। জঙ্গলের মধ্যেও যদিও থাকার যায়গা রয়েছে। বহির্বিশ্বের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে প্রকৃতির মাঝে ক দিন কাটাতে চাইলে এখানে থাকা যেতেই পারে। আমরা সকাল সাড়ে ছটায় বাংরিপোসির রিসর্ট থেকে রওনা দিলাম। বারিপাদা ছাড়িয়ে আমরা ঢুকতে শুরু করেছি জঙ্গলের রাস্তায়। গেট অবধি সরু পিচের রাস্তা।আশপাশের ভুমিরূপ উঁচুনিচু। মাঝে মাঝে খেজুর গাছ,পথের দু পাশে চাষের জমি। সদ্য ধান কাটা হয়েছে। ধূসর আগাছাগুলো শুধু রয়ে গেছে সোনালী ধানের স্মৃতি হিসেবে। দূরে দেখা যাচ্ছে কুয়াশামাখা পাহাড়। মাঝে মাঝে আদিবাসী গ্রাম। মুঠোফোনের নেটওয়ার্ক যাওয়া...
Bonda Tribe : The Oldest and Primitive tribe of Mainland India

Bonda Tribe : The Oldest and Primitive tribe of Mainland India

Reading Time: 7 minutesTHE OLDEST AND MOST PRIMITIVE TRIBE IN MAINLAND INDIA : BONDA TRIBE – এক আদি অনার্যের উপাখ্যান – ডাঃ কৌশিক মন্ডলের কলমে বন্ডা (বোন্ডা) জনজাতি বা Bonda Tribes হলো ভারতে বসবাসকারী প্রথম জনজাতি। আনুমানিক ষাট হাজার বছর আগে অধুনা আফ্রিকা থেকে যে আদিম জনগোষ্ঠী পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছিল বন্ডা তাদের অন্যতম। প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি যে জীবাশ্মবিদ (ফসিল-বিশারদ) এবং নৃতত্ত্ববিদরা বিস্তর গবেষণা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে আফ্রিকাই হলো আধুনিক মানব, বা হোমো স্যাপিয়েন্স-এর আসল আঁতুড়ঘর। আরো স্পেসিফিক্যালি বলতে হলে ইথিওপিয়া এবং সংলগ্ন আফ্রিকা। এই অঞ্চল থেকেই তখনকার মানুষ মাইগ্রেট করা শুরু করে। মাইগ্রেশনটা অবশ্য এক বারে নয়, বরং বেশ কয়েকটা কিস্তিতে হয়েছিলো। প্রথম কিস্তিটা আজ থেকে মোটামুটি ষাট-সত্তর হাজার বছর আগের কথা। সেবার বেশ কিছু আদিম নরনারী আফ্রিকা থেকে ‘Horn of Africa’ হয়ে অধুনা Yemen-এ পৌঁছাল, তার পর আরো এগোতে এগোতে বিভিন্ন ভাগে ছড়িয়ে পড়লো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটা অঞ্চলে। সেখানে তারা জঙ্গলের মধ্যে গোষ্ঠীগত ভাবে বসবাস শুরু করলো। এই আদিম নরনারীর একটা গোষ্ঠী হচ্ছে বন্ডা। পৌরাণিক আখ্যানে বর্ণিত বন্ডা সম্প্রদায়: বন্ডারা এসে যেখানে ঘাঁটি গাড়লো সেটাকেই পৌরাণিক কাহিনীতে দন্ডকারণ্য বলা হয়েছে। রামায়ণের গল্প অনুযায়ী রামচন্দ্র অ্যান্ড কোং এখানেই বনবাস যাপন করেছিলেন। এখান থেকেই সীতাহরণ হয়, আবার এখানেই লক্ষণের হাতে শুর্পনখার নাক কাটা যায়। শুধু রামায়ণ নয়, মহাভারতেও এই দণ্ডকারণ্যের উল্লেখ আছে। জায়গাটা অধুনা ওড়িশার কোরাপুট, মালকানগিরি, অন্ধ্র প্রদেশ, ছত্তিশগড়ের বস্তার জেলা হয়ে মহারাষ্ট্রের কিছুটা পর্যন্ত বিস্তৃত। পৌরাণিক আখ্যানগুলোয় দন্ডকারণ্য-কে রাক্ষসদের দেশ হিসাবে প্রজেক্ট করা হয়েছে। কনসেপ্টটা খুব সিম্পল! বহিরাগত আর্যদের কাছে ভারতের এই আদি ও আদিম বাসিন্দারা রাক্ষস ছাড়া আবার কি? কোথায় সেসব তপ্তকাঞ্চনবর্ণ, উন্নত গ্রীবা, তীক্ষ্ণ নাসা, বলিষ্ঠ চেহারাধারী পুরুষের দল, আর কোথায় এই কালোধূলো, প্রায়-উলঙ্গ, জংলী সব পাবলিক ! একদিকে ক্ষীণতটি, গুরুনিতম্ব,...
Kuldiha Forest – A Weekend Destination in Orissa

Kuldiha Forest – A Weekend Destination in Orissa

Reading Time: 5 minutesKuldiha Forest – A Weekend Destination in Orissa কুলডিহার জঙ্গলে Content by Sanghamitra Mondal   সারাটা বছরের কত সুখ-দুঃখের ঘটনা একটু একটু করে আমাদের স্মৃতির পাতায় জমা হতে থাকে আর যখন তাকে ছেড়ে আর একটা নতুন বছরে পা দিই মনটা আপনিই কেমন হু হু করে ওঠে। তাই শুরুটাই যদি একটা বেড়ানো দিয়ে হয় তবে মনটাও ফুরফুরে হয় আবার নতুন বছরটাকেও বেশি আপন মনে হতে থাকে! অবশ্য যারা কিনা বেড়ানো পাগল তারা বছরের যেকোনো সময়ই ঘুরতে যাওয়ার ঠিক একটা যুতসই কারণ খুঁজে মনকে বুঝিয়ে নেয়। যাই হোক আমরাও তাই নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে গোঁড়ার দিকেই ছোট্ট একটা ট্রিপের আয়োজন শুরু করে দিলাম। নামের মাধুর্যের কারণেই হোক বা কাছপিঠে বলেই হোক, কুলডিহা নামটা অনেকদিন থেকেই মাথায় বাসা বেঁধেছিল। যাবার দিন স্থির হল। ট্রেনের টিকিটও কেটে নিলাম। পরের পর্ব হল কোথায় থাকব আর কি দেখব! বিস্তর গুগুল সহায়তা আর মেলামেলির পর একটা নাম ও ফোন নাম্বার বের করলাম। মনোরঞ্জন দাশ! উড়িয়া এই ভদ্রলোকের দেওয়া মাথাপিছু চার হাজারি প্ল্যানটা বেশ ন্যায্য আর ঝক্কিহীন মনে হল! ব্যাস আরকি! হাওড়া থেকে সকাল 7.25 এর ফালাকনামায় চেপে বসলাম আরেক অজানাকে জানবার উদ্দেশ্যে। মাত্র ঘণ্টা তিনেকের রেলপথ। সকালের কাঁচা ঘুমটা সামান্য কেক-বিস্কুট দিয়ে ট্রেনেই পাকিয়ে নিয়ে যখন বালাসোর পৌঁছলাম গাড়ি স্টেশনে অপেক্ষা করছিল আমাদের জন্য। সময় নষ্ট না করে হোটেলের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। শান্ত নিরিবিলি, সবুজ মাঠ আর দূরের পাহাড়ের হাতছানি এরই মাঝে আমাদের ছোট্ট হোটেল। ঠিক যেমনটা সিনেমায় হয়। কিন্তু দুদিনের সফরে এসে হোটেলে বসে প্রকৃতি উপভোগ করার বিলাসিতা কি আর আমাদের সাজে! তাই একটু বিশ্রাম নিয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে বেরিয়ে পড়লাম পঞ্চলিঙ্গেশ্বর মন্দিরের উদ্দেশ্যে। দূরপাহাড়ি রাস্তার দুপাশে কখনও সবুজ জঙ্গল কখনও খোলা মাঠ এই নিয়েই চলতে থাকল আমাদের গাড়ি। এক জায়গায় মূর্তি...
ফুলের পাহাড় : এমন দেশটি কোথাও খুঁজে…

ফুলের পাহাড় : এমন দেশটি কোথাও খুঁজে…

Reading Time: 5 minutes লঙ্গুড়ি পাহাড় – পুষ্পগিরি বিহার প্রথম যখন পুথিপত্রে এর খোঁজ পাই, তখন ওড়িশার প্রায় কোনও মানুষের কাছেই লঙ্গুড়ি পাহাড়ের সঠিক অবস্থানটি জানতে পারিনি। ভাসা ভাসা শুনতে পাই পাঁচ নম্বর জাতীয় সড়ক হয়ে যেতে হবে। জাজপুর জেলা। কিন্তু এটুকু তথ্য যথেষ্ট নয়। হঠাৎ আমার দফতরে একজন সহকর্মীর স্থানান্তর হলো।  এই ভদ্রলোকের বাড়ি জাজপুরে ব্রাহ্মণী আর কিমিরিয়া নদীর সঙ্গমের কাছে। তাঁর কাছে তখন লঙ্গুড়ি পাহাড়ে সম্প্রতি উদ্ধার করা বৌদ্ধ পুরাবশেষের কিছু হদিশ পেলুম।  তিনি নিজেও সেখানে কখনও যাননি। কিন্তু এইটুকু জানেন চণ্ডীখোল আর জারকের মাঝখান থেকে একটি রাস্তা বেরিয়ে গেছে নদী-গ্রাম-জঙ্গল পেরিয়ে। সেটি ধরে গেলে পুষ্পগিরি বিহারের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পাওয়া যাবে। আমিআমার সহায়ক অফিসারকে বললুম চণ্ডীখোল শাখার ম্যানেজারকে বলো আমার সঙ্গে কথা বলতে। সে ভদ্রলোক অবিলম্বে আমাকে ফোন করলেন। কিন্তু তিনিও শুনেছেন পুষ্পগিরির কথা। নিজে যাননি কখনও। সঠিক জানেন না। তাঁকে বলি, কয়েকদিন পর চণ্ডীখোল হয়ে একটি সরকারি কাজে পারাদিপ যাবো। তার আগে খোঁজখবর করে রাখুন। তা তিনি করেছিলেন। কয়েকজন স্থানীয় মানুষকে জোগাড় করে প্রায় একটা স্কাউট পার্টি তৈরি করে জিপে আমাদের গাড়ির আগে পাইলটের মতো লাগিয়ে দিলেন। পরে বুঝলুম, এই সাহায্যটি না পেলে কদাপি পৌঁছোতে পারতুম না পুষ্পগিরি বিহারের কাছে। নদীমাতৃক ওড়িশার  চোখ জুড়োনো সবুজের সমারোহ আর জলে ভাসাভাসি নদীছাপানো অসংখ্য স্রোতধারা চারদিকে। তার  মধ্যে দাঁড়িয়ে ছোট ছোট কয়েকটি পাহাড়। তাদের মধ্যে কয়েকটি মাটির  গভীরে  লুকিয়ে থাকা বৌদ্ধ স্তূপের ধ্বংসাবশেষ। এই পুরানির্মাণটির বিস্তৃতি অতি বৃহৎ। চোখে দেখে মনে হয় শতকরা দশভাগের  বেশি এখনও উদ্ধার করা যায়নি। কিন্তু যা দেখা যাচ্ছে, তার গুরুত্ব এই কারণে কমে যায়না। পুরোপুরি উদ্ধার হলে পুষ্পগিরি আমাদের  বিস্ময়কর ঐতিহ্যের একটা উজ্জ্বল নিদর্শন হয়ে উঠবে। পুষ্পগিরিরকথা প্রথম পাওয়া যায় চিনা পরিব্রাজক পণ্ডিত জুয়ান জঙের (হিউ-এন-সাং-৬০২-৬৬৪ খ্রিস্টাব্দ) দিনলিপিতে। কয়েকটি অন্য প্রাচীন শাস্ত্রেও এর উল্লেখ...
Vetnai – The Blackbuck Nation

Vetnai – The Blackbuck Nation

Reading Time: 6 minutes Vetnai – The Blackbuck Nation কোলকাতা থেকে উইকএন্ড প্ল্যান করে আপনারা ঘুরে আসতে পারেন উড়িষ্যার ভেতনইতে (Vetnai)। ছোট করে গল্পের শুরু জানতে হলে প্রায় ১০০ বছর ইতিহাসে ফেরত যেতে হবে। সেবার বর্তমানে ওডিশার গঞ্জাম জেলা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে প্রখর খরা হল। চাষ-বাস প্রায় যায় যায় অবস্থায়, এমন সময় গ্রামের লোকেরা একপাল কৃষ্ণসার হরিণ দেখলেন যা আগে কখনও গ্রামে দেখা যায়নি। অত্যাশ্চর্য ভাবে তীব্র খরা কাটিয়ে পরদিন বৃষ্টি নামল। তারপর থেকেই গ্রামের লোকেরা কৃষ্ণসার হরিণদের সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে প্রায় দেবদূত এর ন্যায় মর্যাদা দেওয়া শুরু করলেন। কৃষ্ণসারদের প্রতি এই মনোভাব আর ভালবাসার গ্রামটিই ভেতনই। যাওয়ার রুট: শুক্রবার সন্ধ্যায় অফিস করে, কলকাতা থেকে দক্ষিন ভারত গামী যে কোনও রাত্রের ট্রেন এ চেপে বসুন। চলে যান চিলকা হ্রদ এর পাশ দিয়ে, ওডিশার প্রায় শেষ প্রান্তে অবস্থিত ব্রহ্মপুর (Berhampur) অবধি। সকালে ট্রেন থেকে নেমে একটা লোকাল অটো নিয়ে পৌঁছে যান বাস স্ট্যান্ড । সেখান থেকে বাস ধরে আপনার ফাইনাল গন্তব্য আস্কা। প্রত্যেক ১০-১৫ মিনিট অন্তরে আস্কা’র বাস পাবেন। ঘন্টা খানেক এর মধ্যে সবুজ পাহাড়ে ঘেরা দারুন রাস্তা অতিক্রম করে বাস পৌঁছবে আস্কা। থাকার জায়গা: বাস স্ট্যান্ডের পাশেই কয়েকটা থাকা ও খাবারের হোটেল রয়েছে – নিশ্চিন্তে স্পট বুকিং পেয়ে যাবেন। বলে রাখা ভাল যে হোটেল গুলি সাধারণত মধ্যমানের – কিন্তু আপনি যেহেতু প্রকৃতিপ্রেমী আর মোটে ১ রাতের ব্যাপার তাই আরামে থাকতে পারবেন। আপনাদের যদি এরসাথে মংলাজোড়িতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে তাহলে আপনারা ওখানে থাকার জন্যে Godwit Eco Cottage বা Mangalajodi Ecotourism দেখতে পারেন। Contact of Godwit Eco Cottage : Phone no. – 8455075534, 8455075534 E-mail – godwitecocottage@gmail.com Contact of Mangalajodi Eco-tourism : E-mail -mangalajodiecotourism@gmail.com Phone: (+91) 88952-88955, 97766-96800 ঘোরার বিবরন: হোটেল এ চেক-ইন করে ফ্রেশ হয়ে ভরপেট লাঞ্চ করে নিন। তারপর একটা অটো বুক...