উইকএন্ডে ঝিলিমিলি – সাথে জঙ্গল মহলের সুতান, কাঁকড়াঝোড়

উইকএন্ডে ঝিলিমিলি – সাথে জঙ্গল মহলের সুতান, কাঁকড়াঝোড়
Reading Time: 7 minutes

ঝিলিমিলি – সাথে জঙ্গল মহলের সুতান, কাঁকড়াঝোড়

শান্ত নিরিবিলি পরিবেশে শালের জঙ্গলে ছাওয়া একটি টিলার উপর ইকো ট্যুরিজম রিসর্টের ট্রি হাউস। ট্রি হাউসের বারান্দায় বসে সারাদিন গাছে গাছে নানা পাখির ডাক শোনা, গাছের গায়ে কাঠবিড়ালিদের দাপাদাপি, বা নিচের জমিতে মুরগীদের খেলে বেড়ানো, টিলার নিচের জঙ্গল, মাঠঘাটের পানে চেয়ে সবুজের আস্বাদন, কখনও বা নিচে গ্রামের রাস্তায় দু একটি গাড়ির শব্দ। যেদিকে চোখ যায় শুধুই সবুজ আর সবুজ। উইকএন্ডে ঘুরে আসতে পারেন ঝিলিমিলি (Jhilimili)। সাথে জঙ্গল মহলের বন্য পরিবেশে তালবেরিয়া ড্যাম, সুতানের জঙ্গল, কাঁকড়াঝোড়, বেলপাহাড়ী। বাঁকুড়া জেলায় হলেও ঝিলিমিলির অবস্থান তিনটি জেলা – বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের সংযোগ স্থলের কাছে।

রিমিল গেস্ট হাউস

শনিবার সকাল সকাল ইস্পাত এক্সপ্রেস ধরে পৌঁছে গেলাম ঝাড়গ্রাম। আরেকবার জঙ্গলমহলে ভ্রমণ। স্টেশন থেকেই গাড়িতে রওনা হলাম ৬৫কিমি দূরের ঝিলিমিলি। একে একে পার হলাম দহিজুড়ি, শিলদা, বেলপাহাড়ী, ভুলাভেদা। জঙ্গল মহলের এই সব জায়গা কয়েক বছর আগে অশান্তির কারণে থাকত খবরের শিরোনামে। তবে আজ একেবারে শান্ত। আজ জঙ্গল মহল সমস্ত অশান্তির স্মৃতি সরিয়ে নতুন ভাবে পর্যটনের স্বপ্ন দেখছে। সুন্দর পিচ রাস্তা চলে গেছে জঙ্গল ও আদিবাসী গ্রাম পেরিয়ে। বছর দুয়েক আগেও একবার এসেছিলাম এ পথে। সেবার ঝাড়গ্রাম থেকে ভুলাভেদা পেরিয়ে ‘লালজল’ ফরেস্ট অবধি এসেছিলাম। এবার ভুলাভেদা ছাড়িয়ে বাঁশপাহাড়ী পেরিয়ে আরো খানিকটা চলে দেড় ঘন্টাতেই পৌঁছে গেলাম বাঁকুড়া জেলার ঝিলিমিলি।



ঝিলিমিলির বাজার থেকে আধা কিমি দূরে জঙ্গলে ঢাকা ‘রিমিল গেস্ট হাউস’ (Rimil Guest House)। টিলার উপর অবস্থিত রিমিল লজটি স্থানীয় পঞ্চায়েতের উদ্যোগে নব কলেবরে সেজে উঠেছে। ২০১৭ সালে গড়ে উঠেছে ইকো ট্যুরিজম। রিমিলে থাকার জন্য মূল লজের AC, non-AC রুম ছাড়াও আছে সুন্দর কটেজ ও সবচেয়ে আকর্ষণীয় দুটি ট্রি হাউস। আসল গাছের উপর নয়, কৃত্রিম ভাবে বানানো ‘গাছ বাড়ি’। সবুজের মাঝে নিরিবিলিতে দু একটি দিন অবকাশ যাপনের আদর্শ জায়গা ঝিলিমিলির এই রিমিল লজ।

চাঁদের আলোয় ঝিলিমিলি

উপর থেকে নিচে দেখা যায় জঙ্গলে ঢাকা উপত্যকা, মাঠ-ঘাট, চোখে পড়ে দূরে দু একটি গ্রাম, আরো দূরে ছোট ছোট টিলার রেখা। গাছপালার ফাঁক দিয়ে দেখা যায় নীচ দিয়ে বয়ে চলা একটি ছোট নদী। সেই নদী পেরিয়ে গ্রাম্য রাস্তা চলে গেছে। সেপ্টেম্বরের শেষ। তবে কয়েকদিন বৃষ্টি হওয়ায় আবহাওয়া বেশ মনোরম। এখনও হাল্কা মেঘ ও বৃষ্টি চলছে। গাছের ছাওয়ায় ট্রি হাউসের বারান্দায় বসে ঠান্ডা বাতাসে ও নীচের দৃশ্য দেখে শরীর ও মন যেন জুড়িয়ে যায়। মনে হয় এখানে বসেই কাটিয়ে দি সারাটাদিন। এখানে জিও নেট ওয়ার্ক নেই, তাই ইন্টারনেট, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ছাড়াই শুধুই বিশ্রাম ও অবকাশ যাপন।

রিমিল গেস্ট হাউসের বারান্দা থেকে





বিকেলের দিকে চললাম আশপাশটা একটু পায়ে হেঁটে ঘুরতে। লজ থেকে বেরিয়ে রাস্তার বিপরীতে একটি শালের জঙ্গল। তার ভিতর চলে গেছে লাল মাটির রাস্তা। লজের নিচেই একটি স্কুল। নিচে নেমে চোখে পড়ল গাছে ঘেরা একটি পুস্করিনি। খুব শান্ত পরিবেশে। বাঁদিকের রাস্তা ধরে একটু এগোতেই পৌঁছে গেলাম উপর থেকে দেখতে পাওয়া ছোট্ট নদীতে। নদীর উপর কালভার্ট পেরিয়ে রাস্তা চলে গেছে রাওতোড়া গ্রামের দিকে। স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছে দল বেঁধে ছেলে মেয়েরা। নির্মল গ্রাম্য জীবন। আর চারিদিকে শুধুই সবুজের সমারোহ। ফিরতি পথে চললাম আধ কিমি দূরের ঝিলিমিলির বাজার এলাকার দিকে। এদিকেও রয়েছে একটি বড় স্কুল। সেটা ছাড়িয়ে কিছু দোকানপাট ও বাস স্ট্যান্ড। এখান থেকে ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর, রানিবাঁধের বাস যাতায়াত করে। এমনকি কলকাতার একটি নাইট সার্ভিস বাসও চলে ঝিলিমিলি থেকে। একটি মিস্টির দোকানে শিঙারা ও চা খেয়ে লজে ফিরে এলাম সন্ধ্যার আগে।



আকাশে সমস্ত মেঘ সরে গিয়ে সন্ধ্যায় বেরিয়ে এল পূর্ণিমার চাঁদ। জ্যোতস্নার আলোয় জঙ্গল আরো মোহময় হয়ে ওঠে। তবে রিমিল লজের বিজলি বাতির বাহারও নিতান্ত কম নয় সে জ্যোতস্না ছাপিয়ে যেতে। শরতের রাতে শিউলি ফুলের সুগন্ধে চারিদিক মাতোয়ারা। খানিকবাদে যখন লোডশেডিং হল, জ্যোতস্নালোকে আলোকিত নিচের জঙ্গলময় উপত্যকা এক অপূর্ব রূপ নিল। চারিদিকে ঝিঁ ঝিঁ র শব্দ। কখনও রাতচড়া পাখির ডাক। তবে সে পরিবেশ দীর্ঘস্থায়ী হতে দিল না রিমিল লজের জেনারেটার।

রিমিল গেস্ট হাউসের বারান্দা থেকে সামনের জঙ্গল

পরদিন সকালে গাছে গাছে নানা পাখির ডাক শুনে কম্পাউন্ডের মধ্যে ও আশেপাশে একটু হাঁটাহাঁটি। কম্পাউন্ডের মধ্যে ঘুরে বেড়ানো মুরগিদের পাশাপাশি একটি বাচ্ছা ময়ূরও চোখে পড়ল। জঙ্গল থেকে ময়ূরের বাচ্ছাটিকে নিয়ে এসে এখানে প্রতি পালন করা হচ্ছে। ট্রি হাউসের বারান্দায় বসে নিচের জঙ্গলময় উপত্যকা দেখতে দেখতে ব্রেকফাস্ট সারা। ব্রেকফাস্টের পর গাড়িতে করে সাইট সিয়িংয়ে বেরনো। ঠিক হল আশেপাশের সব দ্রষ্টব্য দেখে ঐ একই গাড়িতে ফিরে যাব ঝাড়গ্রাম। তাই মালপত্র নিয়ে গাড়িতে করে বেরিয়ে পরলাম ঝিলিমিলির রিমিল লজকে বিদায় জানিয়ে।

জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে

তালবেরিয়া ড্যাম :

 


সাইট সিয়িংয়ে প্রথম গন্তব্য ৮কিমি দূরের তালবেরিয়া ড্যাম। সেই ছোট নদীটির উপর কালভার্ট পেরিয়ে প্রথমে পড়ল রাওতোড়া গ্রাম। আমাদের ড্রাইভার উপেন্দ্র মাহাতোর বাড়ি এই গ্রামে। সুন্দর, পরিচ্ছন্ন, বর্ধিষ্ণু গ্রাম লালতোড়া। গ্রাম থেকে একটু বেরলেই শুরু জঙ্গল। গ্রাম পেরিয়ে কিছুটা গিয়েই একটু উঠে পৌঁছে গেলাম তালবেরিয়া ড্যাম। সবুজ জঙ্গলময় টিলায় ঘেরা নীল জলের বিশাল জলাধার, যা দেখে মন ভরে যায়। মূলত বৃষ্টির জল এসে জমা হয় এই জলাধারে। স্বচ্ছ, টলটলে জল। ড্যামের একটি লক গেট খুলে চ্যানেলের মাধ্যমে জল সরবরাহ হয় আশেপাশের গ্রামগুলিতে। ড্যামের উপর পিচ রাস্তা। ওপারে নীচে যতদূর চোখ যায় শুধুই জঙ্গলে ঢাকা। কয়েকদিন পর পরিস্কার ঝকঝকে মেঘমুক্ত আকাশ। শরতের নীলাকাশের নীচে সবুজ অনুচ্চ পাহাড়ে ঘেরা টলটলে নীল জলের বিশাল জলাধারের দৃশ্য এক কথায় অপূর্ব।

তালবেরিয়া ড্যাম

তালবেরিয়া ড্যাম

সুতানের জঙ্গল:

 


এর পরের গন্তব্য সুতানের জঙ্গল। রানিবাঁধগামী রাস্তা ধরলাম। রাস্তার দুধারে শাল গাছ ছাড়াও রয়েছে মহুয়া, কেন্দ, শিরিষ গাছ। বাঁদিকে চলে গেল মুকুটমনিপুরের রাস্তা। কিছুটা এগিয়ে জঙ্গলের মাঝে ‘বারো মাইল ভিউ পয়েন্ট’। রাস্তার ধারে দুটি ওয়াচ টাওয়ার। ওয়াচ টাওয়ারের মাথায় উঠে সামনের দৃশ্য দেখে অভিভুত হয়ে গেলাম। উপর থেকে দেখা যাচ্ছে জঙ্গলে ঢাকা বিস্তৃত উপত্যকা। তার মাঝে দূরে দু একটি গ্রাম। আরো দূরে কাঁসাই নদী ও সমগ্র মুকুটমনিপুর ড্যামের দারুণ এক দৃশ্য। উপর থেকে চোখে পড়ছে মুকুটমনিপুরের এক অসাধরণ বার্ডস আই ভিউ। বেশ কয়েক বছর আগে যাওয়া মুকুটমনিপুরের স্মৃতি রোমন্থন করছিলাম সে দৃশ্য দেখে। কাঁসাই ও কুমারি নদীর উপর মাটির তৈরি দীর্ঘ বাঁধ।

বারো মাইল ভিউ পয়েন্ট থেকে মুকুটমণিপুর

আরো খানিক চলে রানিবাঁধগামী রাস্তা ছেড়ে সুতানের জঙ্গলে প্রবেশ করল গাড়ি। বহুদিন ধরে সুতানের জঙ্গলের কথা শুনে একবার আসার যে তীব্র ইচ্ছা ছিল, তা এযাত্রায় পূর্ণ হল। মূলত শাল গাছের বিশাল জঙ্গল। জায়গায় জায়গায় বেশ গা ছম ছমে। কয়েকবছর আগে মাওবাদীদের আস্তানা হয়ে উঠেছিল এই সুতানের জঙ্গল। যতই ভিতরে প্রবেশ করি ততই ঘন ও নিবিড় এ জঙ্গল। তবে জঙ্গলে তেমন জন্তু জানোয়ার নেই। একসময় কিছু হরিণ ছিল, তাও এখন দেখা যায় না। শুনলাম ময়ুর দেখা যায় এ জঙ্গলে। তবে এই দিনমানে ময়ুরেরা আমাদের দর্শন দিল না। জঙ্গলের রূপ ও গন্ধ উপভোগ করে প্রায় ৮ কিমি জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে চলে, শেষের কিছুটা পিচ রাস্তা ছেড়ে লাল মাটির রাস্তা ধরে জঙ্গলের একেবারে অন্দরে একটা খোলা প্রাঙ্গনে পৌঁছলাম। কিছু বাড়ির ভাঙা কাঠামো ছড়িয়ে আছে।



সেখানেই ছিল ফরেস্ট রেস্ট হাউস, যা মাওবাদীরা পুড়িয়ে দিয়েছিল। তবে তা আবার নতুন করে তৈরি করার কাজ চলছে। একটি ওয়াচ টাওয়ারও তৈরি হচ্ছে। পাশেই জঙ্গল ঘেরা একটি জলাশয়। তার উপর ছোট্ট একটি সাঁকো পেরিয়ে ওপারে জঙ্গলের গভীরে পায়ে চলা উঁচু নিচু পথ চলে গেছে। সে পথে ড্রাইভারের সাহায্য নিয়ে খানিক জাঙ্গল ট্রেক করে ফিরে এলাম। এই ফরেস্ট রেস্ট হাউসটির পুনর্নির্মাণ হলে ঘন জঙ্গলের মাঝে আরণ্যক পরিবেশে অবকাশ কাটানোর এক দারুণ স্পট হয়ে উঠবে এই সুতান।

সুতানের জঙ্গলে

ছোট্ট জলাশয় সুতানের জঙ্গলে

কাঁকাড়াঝোড়:

 

ফেরার সময় লাল মাটির শর্টকাট রাস্তায় চলে জঙ্গল ছেড়ে মূল পিচের রাস্তায় নিয়ে এল ড্রাইভার। এবার ঝিলিমিলির নিচ দিয়ে বাঁকুড়া জেলা ছেড়ে ঝাড়গ্রাম ফেরার রাস্তা। আগেরবার এপথে এসে বেলপাহাড়ীর আশেপাশে ঘাঘরা প্রপাত, তারাফেনী ড্যাম দেখলেও কাঁকাড়াঝোড় যাওয়া হয় নি সময়াভাবে। বিকেলে ফেরার ট্রেন, তাই হাতে একটু সময় আছে। কাঁকাড়াঝোড় ঘোরার ইচ্ছের কথা বলে ড্রাইভারে কাছে আবদার করায় সে রাজি হয়ে গেল। বাঁশপাহাড়ির আগে থেকে মূল রাস্তা ছেড়ে কাঁকাড়াঝোড়ের রাস্তায় চলল গাড়ি। প্রায় ১৩কিমি পথ। আদিবাসী গ্রাম পেরিয়ে শুরু হল আবার জঙ্গল ও কিছুটা পাহাড়ি পথ। পাহাড়ের একটা বাঁক ঘুরে কিছুটা নেমে খানিকটা খোলা প্রান্তরে গাড়ি থামল। কাঁকাড়াঝোড় এসে গেছে। পাহাড় ঘেরা একটা উপত্যকার মাঝে কি সুন্দর একটি গ্রাম। পিছনে জঙ্গলময় পাহাড়। সামনে সবুজ মাঠ ও ধানক্ষেত। আর তার ওপারে তিনদিক ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে পাহাড় সারি। দূরে কয়েকটি আদিবাসিদের ঘর। কি অদ্ভুত এক শান্ত পরিবেশ। রাস্তাটি সামনের পাহাড়ের পাদদেশ দিয়ে সীমানা পেরিয়ে ঝাড়খন্ডের ঘাটশিলা চলে গেছে। একসময় কাঁকাড়াঝোড় ছিল এক দারুণ ট্যুরিস্ট স্পট। পাহাড়ের উপর ছিল এক সুন্দর পর্যটক আবাস। কিন্তু মাওবাদী আন্দোলনে পুড়িয়ে দেওয়া হয় সে বাংলোও। তার জায়গায় আজ রয়েছে CRPF Camp।

কাঁকাড়াঝোড়




এবার সোজা বেলপাহাড়ীর রাস্তা। শরতের নীলাকাশে সাদা মেঘের ভেলা। তার নীচ দিয়েই আঁকাবাঁকা রাস্তা দিয়ে চলেছি আমরা। কোথাও আদিবাসি গ্রাম। ঘর গুলির বাইরে শালপাতা শুকাচ্ছে। কোথাও বা পথের ধারে সবুজ টিলা, কোথাও তাল গাছ, কোথাও বা পথের ধারে কাশফুল। কি সুন্দর প্রকৃতি জঙ্গল মহলের এই রাস্তায়। আধ ঘন্টা চলে পৌঁছে গেলাম বেলপাহাড়ী। দুপুর গড়িয়ে গেছে। এদিকে পেটে ছুঁচোর ডন। চোখে পড়ল ‘সুলভ মূল্যে খাবার’ এর সাইনবোর্ড। ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসের ভিতরে স্থানীয় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর পরিচালিত ক্যান্টিনে ন্যায্য মূল্যে দুপুরের খাবার। জঙ্গল মহল থেকে বিদায় বেলায় যত্ন সহকারে শালপাতার থালায় পরিবেশিত সুস্বাদু সে লাঞ্চএর স্বাদ অনেকদিন মনে থাকবে।

কাঁকাড়াঝোড়

এবার ফিরে চলা ঝাড়গ্রাম স্টেশনের দিকে। বিকেলে হাওড়া ফেরার ট্রেন। দিন দুয়েক স্থানীয় মানুষের সান্নিদ্ধ্যে, জঙ্গল মহলের উজাড় করা বন্য প্রকৃতির মাঝে কাটিয়ে, আবার ফিরে চলা কলকাতার মানুষের জঙ্গলে।

যাতায়াত :

 

হাওড়া থেকে ট্রেনে ঝাড়গ্রাম ২ থেকে আড়াই ঘন্টা। ঝাড়গ্রাম থেকে ঝিলিমিলি ৬৫ কিমি। গাড়ি ভাড়া ১৪০০ টাকা। এছাড়া কলকাতা থেকে সরাসরি নাইট সার্ভিস বাস আছে ঝিলিমিলির। বাঁকুড়া, মেদিনীপুর থেকেও বাস আছে ঝিলিমিলির।
ঝিলিমিলি থেকে সুতানের জঙ্গল – ২২কিমি, মুকুটমনিপুর – ৩৫ কিমি, কাঁকড়াঝোড় – ২৫ কিমি।
ঝিলিমিলি থেকে তালবেরিয়া ড্যাম, বারো মাইল ভিউ পয়েন্ট, সুতানের জঙ্গল গাড়ি ভাড়া – ১৩০০ টাকা।

থাকার জায়গা :

 

রিমিল গেস্ট হাউস

রিমিল লজ ইকো ট্যুরিজম। ভাড়া ১৫০০ থেকে ৩৫০০।

যোগাযোগের মাধ্যম:

Rimil Guest House : 85388 34031, 094342 02485

Driver Upendra Mahato: 081456 68911

রিমিল গেস্ট হাউসে ফোন করেও আপনারা ড্রাইভারের ব্যবস্থা করতে পারেন।



This content is written by Mr. Subhrangsu Dasgupta. The photographs used in this blog is taken by the Author unless and otherwise the photo courtesy is mentioned. Mr. Subhrangsu Dasgupta is an Engineer by profession. He loves to travel various parts of India.


 


5 Comments

  1. Night service bus kotha thek chare advance booking ER bepar ache kina ei information ta Jodi diten ro valo hoto. Bus ER details ta ektu jante chailam. Advance thanks .

    Reply
  2. Very well narrated.

    Reply
  3. Really Superb……
    খুব ভালো লাগলো।

    Reply
  4. i had stay there 2 months back, room and the view is good.but service quality and food is not only below standard, its very very bad. i would never stay there…. mind it , i have traveled entire india since the age of 8 with my parents…. never face such issue…. and the manager is rude at all the time… i wl suggest go some place elce than this rimin lodge.

    Reply
  5. Very nice place to spend a day or two. Just remember that this so called ‘TREE HOUSE’ is just a normal room built of cement, sand etc and hoisted at first floor level on concrete pillars. We expected a room on a tree and were disappointed.

    Reply

Trackbacks/Pingbacks

  1. Top 20 weekend destinations from kolkata for 2019 - Tour Planner Blog - […] Read more here […]
  2. 5 Offbeat Destinations for your Perfect Weekend Gateway - Tour Planner Blog - […] To know more about this place, click the link. […]

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Advertisement