“দেবভূমি” – প্রথম পর্ব (হরিদ্বার)

“দেবভূমি” – প্রথম পর্ব (হরিদ্বার)

“দেবভূমি” – প্রথম পর্ব (হরিদ্বার)


বেনারস থেকে ঘুরে এসেই মনটা আবার কোথাও যাই যাই করছিলো। পুজোয় ছুটিও ছিল কয়েকটা। আড়াই মাসের মাথায় তাই আবার বেরোতেই হলো। এবার ঘুরে এলাম দেবভূমি থেকে। মানে হরিদ্বার, হৃষীকেশ, কনখল আর তার সাথে বদ্রীনাথ, আউলি, মানাগ্রাম, সারি, দেওরিয়াতাল, কোটীশ্বর, দেবপ্রয়াগ, বিষ্ণুপ্রয়াগ, রুদ্রপ্রয়াগ, নন্দপ্রয়াগ, কার্তিকস্বামী, চোপতা ইত্যাদি। ইচ্ছে করছে সব জায়গাগুলো সম্বন্ধেই বলি। আপনারা অনেকেই হয়ত গেছেন, অনেকে যাবেন। অনেকে না গিয়েও শুনতে চাইবেন। হ্যাঁ, সব জায়গাগুলোতেই আপনাদের নিয়ে যাবো, তবে এক এক করে। আজকে কোথায় যাওয়া যায় বলুন তো?
শুরু থেকেই শুরু করা ভালো, কি বলেন? এখন আমরা হাওড়া যাই চলুন।
না না, রাগ করবেন না। হাওড়া থেকে ট্রেনটা ধরবো শুধু। আসলে যাবো সেই ‘হরিদ্বার’।
সেদিন পঞ্চমী (৬ অক্টোবর, ২০১৬), ছুটি ছুটি মেজাজ। যারা ছুটি পাচ্ছে তাদের বেশ মজা। যারা পাচ্ছেনা তারা হাসি হাসি মুখ করে বিপক্ষকে অভিশাপ দিচ্ছে। কিছু ফ্রেঞ্চ লোকজন আবার পুজোটা কি জিনিস সেটা বোঝার আপ্রাণ চেষ্টা করছে। একটা মিটিং ছিল, ঝটপট শেষ করে ‘শুভ বিজয়া ইন অ্যাডভান্স’ জানিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। এইরকম আবহাওয়ায় কি আর অফিসে থাকা যায়?

অপ্রাসঙ্গিক কথা শেষ হলো, এবার কাজের কথায় আসি। পঞ্চমীর বিকেলে লোকে নেমেছে ঠাকুর দেখতে। সাড়ে আটটায় আমাদের দুন এক্সপ্রেস, রাস্তায় জ্যাম হবে ভেবে পাঁচটায় বেরিয়েছি বাড়ি থেকে। হাওড়া স্টেশন মেরেকেটে পঁয়তাল্লিশ মিনিট লাগবে, কিন্তু কোথায় কি? গাড়ি তখন রিকশার চেয়েও আস্তে চলছে। হাওড়া পৌঁছলাম যখন ঘড়িতে ঠিক বাজে সাড়ে সাতটা।
আর কোনো ট্রেনে টিকিট পাইনি, তাই দুনই ভরসা। রাত সাড়ে আটটায় ছেড়ে পরদিন সারাদিন-রাত শেষে ভোর পাঁচটায় যখন হরিদ্বার পৌঁছলো, তখন দূরে মনসাপাহাড়ের মাথায় টিমটিমে আলো জ্বলছে।

রাস্তায় তখন লোক নেই। একটা রিকশা ধরলাম। এই প্রথম হরিদ্বারে আসা, তাই রাস্তাঘাট দেখতে দেখতে চললুম। মিনিট দশেকের মধ্যেই হোটেলের সামনে। ঘর আগে থেকে ঠিক ছিল, দোতলায় ঘর থেকেই গঙ্গা দেখা যাচ্ছে। তখনই চন্ডীপাহাড়ের ঠিক পেছন থেকে সূর্যটা ঝুপ করে বেরিয়ে এল। একটু ফ্রেশ হয়ে দেখি ট্রেনের সমস্ত ক্লান্তি কেটে গেছে। বারান্দায় এসে বসলুম।
হোটেলের সম্বন্ধে একটু বলে নিই। বাঙালি ম্যানেজার, অতিথিপরায়ণ, পরিচ্ছন্ন, এসি, ভাড়া ঠিকঠাক। ঘরগুলো বড়, আসবাব বলতে, টিভি, আলমারি, টেবিল, চেয়ার, ওয়েস্টার্ন টয়লেট সবই আছে। ঘর থেকে বা ব্যালকনি তে দাঁড়ালে গঙ্গা দেখা যায়। মানে, গঙ্গার ওপরেই হোটেল। জানলা দিয়ে কিছু ফেললে গঙ্গায় গিয়েই পড়বে। চাইলে নিচে থেকে টুপ্ করে দুটো ডুব দিয়ে আসতে পারেন। ঠিক করে পজিশনটা বোঝার সুবিধের জন্যে ছবিটা দিলাম।

Haridwar from hotel

Morning view

গঙ্গা দেখতে দেখতে পেটের মধ্যে কেমন একটা আওয়াজ হল। মনে পড়লো, কাল রাতে লখনৌ থেকে একটা বার্গার আর একটা ভেজ স্যান্ডুইচ খেয়ে আছি, এখন খিদে তো পাবেই। তাই ভাবলাম, এখানে পাঞ্জাবি হোটেলে হরিদ্বারি খাবার খাওয়া যাক। বড় রাস্তায় তখন বেশ লোকজন, গঙ্গাস্নানে চলেছে হর-কি-পৌরির দিকে। জানেন তো, এই হর-কি-পৌরিই হল হরিদ্বারের প্রধান ঘাট। তার পর আছে বিষ্ণু ঘাট, রাম ঘাট, গো-ঘাট। রাস্তার দুধারে তখন সোয়েটারের দোকান সবে খুলছে, আর এটা-সেটার দোকান। সব মিলিয়ে হৈহৈ কান্ড শুরু হবে, বোঝাই যাচ্ছে। ঘাটের কাছে এসে দেখি, একজন ছাইমাখা সাধু আখড়ায় বসার তোড়জোড় করছেন। হর-কি-পৌরি কথাটার দুটো মানে। এক, ‘হর’ বা শিবের পেয়ারী, অর্থাৎ পার্বতী। আর দ্বিতীয়, হরের পদচিহ্ন। গাড়োয়ালি ভাষায় ‘পৌরি’ মানে পা। যাই হোক, ঘাটগুলো সুন্দর করে বাঁধানো। অনেকটা চওড়া, বহু লোকে স্নান করছে, রোদ তখনও বেশি ওঠেনি বলে গরম লাগছে না।

Morning view of Haridwar from hotel

Morning view of Haridwar from hotel

স্বচ্ছ ভারত মিশনে এখানে অনেকগুলো শৌচালয়, কাপড় বদলানোর জায়গা হয়েছে। তাছাড়া ঘাটগুলোও সত্যি পরিষ্কার। ঘাটের ওপর অনেকগুলো ব্রিজ। এখানে মূল গঙ্গার মাঝে চড়া পড়ে গেছে, সেই চড়াটিকে বাঁধিয়ে সুন্দর বসার জায়গা হয়েছে। তাই, পাড় থেকে চড়ায় যাবার অনেকগুলো ব্রিজ। চড়া থেকে আরতি দেখতে সুন্দর লাগবে, আজ বিকেলে তাই আবার আসবো।

Morning view of Haridwar from hotel

View of ganga

হরিদ্বারে কোনো বিশেষ মন্দির নেই। অতীতের ‘মায়াপুরী’ আজ হরিদ্বার, আর সব মন্দিরই নিজেকে আদি বলে দাবি করে। ঘাটের ওপর অনেকগুলো মন্দির, আদি হোক বা না হোক, দেখতে সুন্দর লাগে। তবে এখানে গঙ্গাদেবী ডমিনেট করছেন। আশেপাশে লক্ষ্মী, কালী, নারায়ণ আরো অনেক অনেক মন্দির। সবাই আপনাকে ধরে বসিয়ে পুজো করতে চায়, হাতে সুতো, কপালে তিলক দিয়ে কত লোক যে অর্থোপার্জনের আশায় এখানে বসে আছেন তার ইয়ত্তা নেই। অতি বড় পাপীও এখানে স্বর্গের কনফার্মড টিকিট পেয়ে যায়, অন্তত RAC তো হবেই।
ঘাটে বসে থাকলেই সময় কেটে যায়, তবু আমরা উঠলাম। ও বলতে ভুলে গেছিলাম, ঘাটে আসার আগে আমরা অতি জঘন্য আলুর পরোটা আর কাবলি ছোলার তরকারি খেয়েছিলাম। এখন তার বিশ্রী ঢেকুর উঠছে। এখন থেকে বেরিয়ে অনেকগুলো মন্দিরে ঢুঁ মারা গেলো।

People are taking bath at ghat

Ganga Mandir

প্রথমেই গেলাম বৈষ্ণদেবী আশ্রম। হর-কি-পৌরির কাছেই সুন্দর ধর্মশালা আর মন্দির। সময়ে সময়ে ভজন হয়। কম করে দশ-বারোটা মূর্তি, আর বিগ্রহগুলি ভারি মনোরম, সপ্তাহের একএক দিনে একএক রঙের পোশাক পরানো হয়। সেদিন ছিল সাদা।
একটা গলির মধ্যে লোকচক্ষুর একটু আড়ালে আছে পশুপতিনাথের মন্দির। নেপালের পশুপতিনগরেও ঠিক এই পঞ্চমুখী শিব দেখেছি। মন্দিরে লোকজন কম ছিল, বাঁদর ছিল কিছু। কিন্তু তারা অতি ভদ্র, আমাদের দেখেই মহিলা বাঁদরেরা অন্দরমহলে চলে গেলো। বয়স্করা আলোচনা করছিলো (সম্ভবত মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে)। তবে আমাদের কোনোরকম বিরক্ত করেনি।

Crossing a bridge

Crossing a bridge

বিকেলে আবার এলাম হর-কি-পৌরিতে। সন্ধ্যায় আরতি হয়। বেশ ভিড়, তবু তার মধ্যেই সামনের দিকে জায়গা পেয়ে গেলাম। আস্তে আস্তে সন্ধ্যে হল, আলো জ্বললো। শ্বেতবস্ত্র পুরোহিতরা একে একে এলেন, হাতে পুজোর নানান উপাচার। উদাত্ত কণ্ঠে উচ্চারিত হল, ‘দেবী সুরেশ্বরী ভগবতী গঙ্গে’। সাথে নিয়মমাফিক সচেতনবাণীও, গঙ্গাকে দূষিত না করার আবেদন। তারপর হাতে এলো ১০০৮ দীপসম্বলিত পঞ্চপ্রদীপ। মোট বারোজন পুরোহিত আরতিতে থাকেন, সাথে বাজনা ইত্যাদি। প্রদীপের অনির্বান শিখার প্রতিবিম্ব পড়েছে গঙ্গায়, সে এক অনির্বচনীয় ঘটনা। লেখায় তার খানিকটা আভাস হতে পারে মাত্র, কিন্তু কলমের জোরে সেই অনুভূতি তৈরী করার মতো লেখা লিখতে আমি পারিনা। মাত্র কিছুক্ষন, তারপর আরতি শেষ। এবার যে যার গন্তব্যে।

ganga-arati

Ganga-arati

আমাদের মোট বেড়ানোটা ১৩ দিনের, তাই বদ্রীনাথ-আউলি থেকে ঘুরে এসেও আমরা দুদিন হরিদ্বারে ছিলাম। ফেরার দিন সকালে গেলাম মনসা মন্দিরে। হর-কি-পৌরির কাছেই মনসাদেবীর রোপওয়ে (Cable car) স্ট্যান্ড। এখান থেকে মুহূর্তে মুহূর্তে রোপওয়ে যাচ্ছে মনসা পাহাড়ের ওপরে। ছোট নাগরদোলার মত, চারজন বসতে পারে। উঠতে সময় নেয় ৭ মিনিট মতো। এটা ছাড়াও পায়ে হেঁটে ওঠার ব্যবস্থা আছে। কিন্তু এটা খানিক অন্য অভিজ্ঞতা। হরিদ্বারে চন্ডী ও মনসা এই দুই ব্রাত্য দেবী মহাসমারোহে পূজিতা হন। মহাভারতের কাল অবধি এঁদের অস্তিত্ব ছিল নগন্য, চন্ডীমঙ্গল ও মনসামঙ্গল কাব্যে তাঁদের সামাজিক প্রতিষ্ঠা দৃঢ় হয়। ওপরে পৌঁছে দেখি মেলা বসে গেছে; ভয়ঙ্কর ভিড়। সেই ভিড় ঠেলেও দর্শন হলো ভালোই। এখানে কিছু ছিনতাইকারী আছে, ভাগ্যিস তারা মানুষ নয়, বাঁদর। আবার নামের সময়েও সেই রোপওয়ে, যাকে ওরা হিন্দিতে বলে ‘উড়ান খাটোলা’। নামার সময় পুরো হরিদ্বার শহরটার একটা ভিউ পাওয়া যায়, অসাধারণ লাগে, মনে হয় যেন স্বর্গ থেকে দেখছি।
আগেই বলেছি, হরিদ্বারের আগের নাম ছিল মায়াপুরী। সেটা হয়েছিল মায়াদেবীর নামে। হরিদ্বার বাসস্ট্যান্ডের কাছে এই মায়াদেবীর মন্দির। সক্কাল বেলায় গিয়ে গাওয়া ঘিয়ের সুজি প্রসাদ পেলাম। পাশেই আছে ভৈরবের আখড়া। বেশ সুন্দর আর নিরিবিলি। শহরের চারদিকে ছড়িয়ে আছে শয়ে শয়ে ধর্মশালা। ধর্মশালা বলতে আমরা যেমন ঘিঞ্জি, অন্ধকার, সাধুরা থাকেন বলে ভাবি, তেমনটা মোটেও নয়। একেকটা আকারে-ব্যবস্থায়-আয়োজনে নামকরা হোটেলকেও হার মানায়। এরকমই ভোলানন্দ ধর্মশালায় দেখি চমৎকার দুর্গাপুজো হচ্ছে। দেড়-মানুষ সমান উঁচু অপূর্ব একচালা দূর্গামূর্তি, কিন্তু খাঁটি পিতলের। তাই বিসর্জন হয় না। সেখানেও কি যেন প্রসাদ খেলাম, এখন ভুলে গেছি।

Devi durga

এবার হরিদ্বারে খাবারের কথা বলে শেষ করবো। এখানে ১৪টি দোকান আছে যাদের নাম ‘দাদা-বৌদির হোটেল’। আছে একখানা মাসির হোটেল। সবকটাতেই শুদ্ধ নিরামিষ বাঙালি খাবার পাওয়া যায়। মালিকও বাঙালি, খদ্দেরও বাঙালি, তাই ঢুকলেই আপনার বাড়ি-বাড়ি ফিলিং হতে বাধ্য। সবার সামনেই লম্বা লাইন পড়ে দুপুরবেলা। মেনু মোটামুটি একই রকম। দেরাদুন চালের ভাত, ঘি, বেগুন বা আলু ভাজা, ডাল, কপি বা অন্য সবজির দুটো তরকারি, চাটনি, পাঁপড়। ঢুকলেই শুনতে পাবেন, এখানে আরেকটু তরকারি হোগা? কিংবা পাঁপড় তো নরম হো গয়া, ভাজা নেহি হ্যায় ঠিক করে। অনভ্যাসের হিন্দি আর কি! দাদা-বৌদি ছাড়াও অনেক হোটেল আছে। ভাত-রুটি সহযোগে থালিও পাবেন। প্রসিদ্ধ মথুরাবালার মিষ্টির দোকান আছে, যেখানে হরিদ্বারের বিখ্যাত প্যাড়া পাওয়া যায়। খাঁটি দুধ আর রাবড়ির জন্যে আছে ত্যাগীর দোকান। সবকটাই বাজারের গলিতে। আর এখানে এলে অবশ্যই একগ্লাস লস্যি ট্রাই করবেন। বড় স্টিলের এক গ্লাসে ঘন ঠান্ডা লস্যি খেলে অতি রাগী লোকেরও মাথা ঠান্ডা হয়ে যাবে। এখানকার পাঁপড় আর আচার নাকি বেশ নাম করা। অনেকে দেরাদুন রাইস কিনছে মুদির দোকান থেকে। আছে অজস্র হার-দুল-পুঁতির দোকান, সোয়েটারের পাহাড়, রাবড়ির নদী, পেতলের মূর্তির জঙ্গল আরো কত কি!

Har-Ki-Pouri Ghat

View of Har-Ki-Pouri Ghat

তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে শুতে হবে, পরের দিন থেকে আমাদের যাত্রা শুরু হবে, বদ্রীনাথের উদ্যেশ্যে। কাল সকাল সাতটায় গাড়ি আসবে। পটাপট আলো নিভিয়ে সটান বিছানায়। কিন্তু ঘুম কি আর আসে? আরতি-রাবড়ি-দাদাবৌদি-মায়াদেবী সব মিলিয়ে এক জগাখিচুড়ি অবস্থা। দূরে যেন দেখতে পাচ্ছি, পাহাড়ের ওপর দিয়ে বদ্রীনাথের রাস্তা, বিপদ আর বরফে ঢাকা।
গোটা লেখাটা মন দিয়ে পড়েছেন? সত্যি বলবেন কিন্তু। তাহলে বলে ফেলুন কেমন লাগলো, আসলে আমার যেন কেমন খুঁতখুঁত করছে। খারাপ হলেও বলবেন, পরের লেখায় শুধরে নেবো। এরপরে বলবো বদ্রীনাথের গল্প।

Part 2 coming soon. .


Sourav Mukherjee – An IT expert by profession and A traveller by heart.

His facebook profile: Facebook

2 Comments

  1. ভ্রমন-কাহিনি কিন্তু কাহিনি হবে না । যে যাচ্ছে সে তার সাথে আপনাকেও টেনে নিয়ে যাচ্ছে আর পড়ার পর মনে হবে হরিদ্বার কিন্তু এবার যাওয়া আছে। কেউ না গেলেও আমি তো যাবোই । যারা গেছেন তারা ও মনে করবেন দেখ দেখি এমন টা তো দেখি নি । এবার গিয়ে এই ভাবে দেখতে হবে । সৌরভ বাবু তো হরিদ্বার বেড়িয়ে নিলেন তার সাথে পাঠকদের সাথে এই কাণ্ড টিও চুপচাপ করে দিলেন । তবে এখনো হরিদ্বারের তো অনেক কিছু দেখা বাকি সেগুলো দেখলেন না? নাঃ আপনাকেও কিন্তু আমাদের সঙ্গে আসতে হবে । সোজা বদ্রিনাথ যাচ্ছেন । ঘুরে আসুন তার পর বলবো ।

    Reply
  2. অত্যন্ত স্বাদু লেখা। পড়তে খুবই ভাল লাগছে। চলতে থাকুক এইভাবে। কিন্তু দু একটা বিষয়ে একটু খটকা লাগছে। যেমন, হোটেলের বিস্তারিত বর্ননা তো পড়া গেল, কিন্তু হোটেলটির নাম কোথাও দেখতে পেলাম না। ট্যারিফ কি রকম তাও জানা হোল না। পরের দিন সকালে গাড়ী আসবে pick up করতে তাও জানা গেল, কিন্তু কোথা থেকে গাড়ী ভাড়া নেওয়া হল বা তার ভাড়াই বা কি রকম, সেটা তো জানতে পারা গেল না। আচ্ছা, এই তথ্য গুলি এই ফোরামে জানানো কি বারন ?

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Advertisement