Nimpith and Kaikhali trip guide

Nimpith and Kaikhali trip guide

Nimpith and Kaikhali – tourist spot near kolkata আগের উইকএন্ডে দেওঘর থেকে ঘুরে আসার পর শনিবার সকালে উঠেই আবার মনে হল শীতকালে ছুটির দিনগুলো বাড়ি বসে নষ্ট হতে দেওয়া কি ঠিক? কাছে পিঠেই নাহয় কোথাও ঘুরে আসি। আমার যে ‘পায়ের তলায় সর্ষে’। কোন আগাম প্ল্যান ছিল না। তাই একদিনেই ফিরে আসার মত জায়গার কথা ভাবতে গিয়ে মনে এল নিমপিঠ ও মাতলা নদীর ধারে কৈখালির নাম। শিয়ালদা থেকে দুজনে চেপে বসলাম লক্ষীকান্তপুর লোকালে। প্রথম গন্তব্য জয়নগর। শিয়ালদা সাউথ সেকশনের ট্রেনের ভিড়ের কথা সকলেরই জানা। ১ ঘন্টা ২০ মিনিটের ট্রেন যাত্রায় পৌঁছলাম জয়নগর-মজিলপুর স্টেশনে। স্টেশনের বাইরে এসে শেয়ার অটো ধরে মিনিট দশেকে নিমপিঠ (Nimpith) রামকৃষ্ণ আশ্রম। বেলুড় মঠের আদলে তৈরি সুন্দর মন্দির ও সমগ্র কম্পাউন্ড জুড়ে নানান রঙ বেরঙের মরসুমি ফুলের বাহার। রয়েছে স্কুল। দুপুর হয়ে গেছে। কম্পাউন্ডের একপাশে পাতা সার সার টেবিল চেয়ারে বসে অনেক মানুষ। জানা গেল একটু বাদেই খাবার বিতরণ হবে। ভিতরের অফিস ঘর থেকে কুপন কেটে আমরাও বসে পড়লাম দুটি চেয়ারে বাকিদের সাথে। এই আশ্রমে প্রতিদিন শতাধিক মানুষের আহারের আয়োজন করা হয়। বসে থাকা ভোজনার্থীদের মধ্যে যেমন স্থানীয় পড়ুয়া রয়েছে, তেমনই কুপন কেটে আমাদের মত কলকাতা থেকে আসা ভ্রমণার্থীও আছে। নিরামিষ আহার পর্ব সারার পর আশ্রমের অফিস ঘরে গিয়ে খোঁজ নিলাম মাতলা নদীর পাড়ের কৈখালির। শুনেছিলাম সেখানে এদেরই আরেকটি আশ্রম ও আশ্রম পরিচালিত পর্যটক আবাস আছে। জানতে চাওয়া হল আমরা সেখানে রাত্রিবাস করব কিনা। দিনে দিনে ঘুরে আসার প্ল্যানের কথা জানাতে আশ্রমের এক সন্ন্যাসী পরামর্শ দিলেন অটো রিসার্ভ করে ঘুরে আসতে। সেই মত গেটের বাইরে থেকে একটি অটোর সাথে ৫০০টাকায় চুক্তি হল যে আমাদের কৈখালি ঘুরিয়ে নিয়ে এসে সন্ধ্যেবেলা জয়নগর স্টেশনে ছেড়ে দেবে। নিমপিঠ থেকে কৈখালি ও মাতলা নদী নিমপিঠ থেকে কৈখালি ৩৮কিমি। অটোতে প্রায় দেড় ঘন্টা...
Hidden Treasure of West Bengal-Yelbong

Hidden Treasure of West Bengal-Yelbong

Hidden Treasure of West Bengal-Yelbong Are you a nomad? Do you love hills more than anything? Got love for adventure? Got love for hilly rivers? Does outdoor Camping under the starry night or beside a hilly river amidst of jungle excites you? Do you love to explore hidden beautiful waterfalls or mother nature’s beautiful rare creation the ”River Canyon” ,which is seldom found?Does the chirping of birds,kiss of lovely butterflies ,sound of a flowing river and sudden sound of silence provide foods to your soul? Do you love to hear the hymns in a calm place far from madding crowd while sitting idle at a rock or resting in a hammock in front of your tent? Do you love those amateur jamming sessions with guitar/ukulele/flutes around a bonfire with local drinks and smells of smoked chicken? If all the answer is yes and you are searching for a such place then your search ends here in Yelbong, a tiny rural hilly hamlet in Kalimpong district of West Bengal with lovely villagers who are ready to welcome you and show you the hidden treasures, mother nature kept around them and they are protecting them very well. Let me introduce this very beautiful place which is very lesser known to many a travel bugs.   Reaching there:: You have to take the road via Bagrakot to reach the village,last 4 km is only accessed by foot or 4×4 car (available on request). It’s near to New mal Jn and from Siliguri it will take around 2.5 hours.The distance from bagrakot is around 18km.Last 4km is only accessed either by foot or...
Singti Fair in West Bengal

Singti Fair in West Bengal

Singti Fair in West Bengal সিংটির মেলা Content by Reshmi Pal ‘ভিডিও করতেচে রে’, ‘কোন কাগজ থেকে?’, ‘টিভিতে দ্যাকাবে?’ – একযুগ পর শুনলাম এসব কথা। আজ থেকে প্রায় আট-ন বছর আগে যখন কুমোরটুলির ঠাকুর গড়া, বাগবাজারে সিঁদুরখেলা কি ইস্কনের রথের ছবি তুলতে যেতাম, তখন গলায় এস এল আর ক্যামেরা দেখে লোকজন এমন প্রশ্ন করত। আজকাল লোকের কাছে এসব নেহাত জলভাত হয়ে গেছে। তাই এবার সিংটির মেলা দেখতে গিয়ে যখন লোকজনকে আগের মতোই সরল বিশ্বাস থেকে প্রশ্ন করতে দেখলাম, সেটা বেশ একটা নতুন রকমের ব্যাপার ছিল। সিংটির মেলাটা গ্রামের মেলা হতেই পারে, কিন্তু মোটেই প্রত্যন্ত গ্রাম নয়। কোলকাতা থেকে মোটে চুয়ান্ন কিমি দূরে, হাওড়া-হুগলির বর্ডারে বাসরাস্তার একদম কাছেই মেলাটা। যে রাস্তা দিয়ে দিল্লী পাবলিক স্কুল ডোমজুড়ের উজ্জ্বল হলুদ স্কুলবাস চকচকে পড়ুয়াদের তুলতে তুলতে যায়। যে রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ কোলকাতায় কাজ করতে আসেন। যে মেলায় ঘুরতে আসা অল্পবয়সীদের সাজ-পোশাকে, হাবভাবে কলকাত্তাইয়া কেতা নকল করার প্রাণান্তকর চেষ্টা চোখে পড়ে, যেখানে পাড়াগেঁয়ে মনসাপুজোতেও ডিজে না এলে ঠিক মস্তি হয় না, সেইখানে সেই সিংটিতে লোকে এখনও মেলায় এস এল আর নিয়ে ঘুরতে আসা লোক দেখলে এমন অবাক হয়! আসলে বিস্তর ‘ক্যাল কানেকশন’ সত্ত্বেও শহুরে লোকেদের মোটেই এ মেলায় বেড়াতে আসতে দেখা যায় না। কারণ এ মেলার কথা শহরে বিশেষ কেউ জানেই না। আসলে অবাকটা আমাদেরই হওয়ার কথা। আমরা মুঠোয় স্মার্টফোন ভরে দুনিয়াদারি করে বেড়াই, কিন্তু ‘ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া’ এমন একটা অন্যরকম গ্রামীণ মেলা যে প্রতি বছর পয়লা মাঘে বসে সে খবর কেউ রাখি না। এবার বলি মেলাটা কেন অন্যরকম। নতুন ধান ওঠার উদযাপন যেমন নবান্নে-পিঠেপুলিতে, তেমনি নতুন আলুর আনন্দও কি বাদ দিলে চলে? সিংটি সংলগ্ন এলাকায় অনেক আলুচাষ হয়। পয়লা মাঘে সিংটিতে একটা গোটা মাঠ জুড়ে আলুর দমের...
Eco Park Kolkata tour guide

Eco Park Kolkata tour guide

Eco Park Kolkata tour guide ইকোপার্ক (কলকাতা) ভ্রমণের সম্পূর্ণ গাইড –পূর্ণেন্দু ফাদিকার যারা কলকাতার কাছাকাছি একদিন পিকনিক বা ডে আউট করতে চান তাদের জন্য ইকো পার্ক একবারে আদর্শ স্থান। এমন কি চাইলে আপনি ইকো পার্কের লেকের দ্বীপের ভিতরে থ্রি স্টার হোটেল ‘একান্তে কটেজ’ –এ কয়েকটা দিন বিলাসবহুল দিনযাপন করতে পারেন। মনে রাখবেন সাধারণের জন্য ইকো পার্কে এন্ট্রি পার্ক প্রতি সোমবার বন্ধ থাকে। = ইকো পার্কের অবস্থান কোথায়? = নিউ টাউনে অবস্থিত ইকো পার্ক। সরকারি নাম প্রকৃতি তীর্থ। এটি রাজারহাট নিউ টাউন অ্যাকশন -II এরিয়ার মেজর আর্টারিয়াল রোডের পাশে অবস্থিত। Coordinates Latitude: 22°35′56″N Longitude 88°28′01″E. কলকাতা বিমানবন্দর থেকে প্রায় ৯ কিমি দূরে এবং হাওড়া বা এসপ্ল্যানেড থেকে প্রায় ২২ কিমি দূরে অবস্থিত। = ইকো পার্ক কি ভাবে যাবেন ? = সবথেকে ভালো নিজেদের গাড়িতে বা কোনও ক্যাব (ওলা, উবের) বা ট্যাক্সি করে সরাসরি ইকো পার্কে পৌঁছে যাওয়া। আমি আমার বাড়ি থেকে শেষবার (গত সপ্তাহে) হলুদ ট্যাক্সি করে গিয়েছিলাম বাড়ি থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে। মিটার উঠেছিলো ২৩০টাকা। উবেরে ৩৭০ টাকা দেখাচ্ছিল। ইকো পার্কের জন্য কিছু বাস রুটের সন্ধান ১) S-44 বাস নবান্ন থেকে ছেড়ে সরাসরি ইকো পার্ক যায়। রুটটা এইরকম [ Nabanna – Rabindra Sadan – Esplanade – Sealdah – Raja Bazar – Manicktala – Khanna – Ultadanga – Hudco – PNB – College More – Karunamoyee – New Town (Sector-V) – Eco Park ] ২) ডানকুনি হাউসিং এস্টেট বা বালি হল্ট থেকে D26 সরাসরি Eco Park পার্ক যায় ৩) বালি ঘাট থেকে AC23A বা S23A সরাসরি Eco Park পার্ক যায় উপরে লিস্টে ২ ও ৩ নং বাসের রুট [ Dakshineswar – Baranagar Station – Prafulla Nagar – Pramod Nagar – Mathkal – Vidyasagar Pally – Dhalai Karkhana – Durganagar...
Chupi Chor Purbasthali : A paradise for bird watcher

Chupi Chor Purbasthali : A paradise for bird watcher

Chupi Chor Purbasthali : A paradise for bird watcher চুপি চুপি “চুপির চর” “এ মন ব্যাকুল যখন তখন” …. কি করা ??? … ব্যাকুল মনকে তো শান্ত করার কোন উপায় চাই ……. তাই সিন্থিয়া আর আমি চুপি চুপি কেটে পড়লাম …. কাটোয়া লোকালে টিকিট কেটে উঠে পড়লাম … ট্রেন ফাঁকাই ছিল … জানলার ধারে বসার সিটও পেয়ে গেলাম …. ব্যাস আর পায় কে …. “আজ আবার মোরা ভবঘুরে ” …. দুই বান্ধবী মিলে পাড়ি অজানার উদ্দেশ্যে ….. ট্রেন মিনিট দশেক দেরী করে ছাড়লেও কোন অসুবিধা হলো না …. এরপর ট্রেনে ঝালমুড়ি, শশা, মটর, চা, বাড়ি থেকে আনা কেক খেতে খেতে আর জানলা দিয়ে বাইরের দৃশ্য দেখতে দেখতে ১১টা ১০ এ পৌঁছে গেলাম পূর্বস্থলী … ৩ নং প্লাটফর্মে ট্রেন আমাদের নামিয়ে দিয়ে চলে গেল …. স্টেশন চত্তর বেশ বড় । ফ্লাই ওভারের ব্রীজ দিয়ে উপরে উঠে ১ নং প্লাটফর্মের দিকে এসে বাইরে বেরোলাম …. স্টেশনের বাইরে বেশ ফুলগাছ দিয়ে সাজানো …. বাইরে গাছতলায় অনেক টোটো দাঁড়িয়ে … চড়ে বসলাম একটায় … তার আগে অবশ্য একটু আখের রস খেয়ে নিলাম … মিনিট ২৫ এর মধ্যে পৌঁছে গেলাম আমাদের আস্তানায় …. “চুপি কাষ্ঠস্থালী পাখিরালয় কটেজ” …. ঢুকেই মন ভরে গেল … বিশাল জায়গা নিয়ে বাগান করা …সুন্দর করে সাজানো…. তার সামনেই সেই ঝিল … যেখানে শীতে পরিযায়ী পাখীরা এসে একে অনিন্দ্যসুন্দর করে তোলে … সেই “চুপির চর” …. স্থানীয় লোক একে অবশ্য খাড়ি গঙ্গা বলে । এরপর আমাদের ঘরে গিয়ে দেখি এসি আগে থেকেই চালিয়ে ঘর ঠান্ডা করে রাখা হয়েছে … ঘর পরিষ্কার… ছিমছাম … রট আয়রনের খাট ধবধবে সাদা চাদর পাতা, সোফা কাম বেড, দুটি সুন্দর পাটের দড়ি দিয়ে তৈরি টুল, ছোট একটি আলমারী, টি টেবিল, টি ভি …… বাথরুম টাও...
Geonkhali : Weekend Trip from Kolkata

Geonkhali : Weekend Trip from Kolkata

Geonkhali : Weekend Trip from Kolkata শীতের আউটিং : গেঁওখালিতে ডিসেম্বর মাসটা পড়লেই সবার মনটা কেমন উড়ু উড়ু করে। বেশিরভাগ মানুষই অনেকদিন আগে থেকেই উইকএন্ড ট্যুরের প্রস্তুতি শুরু করে দেন। আর যারা হোটেল বা ট্রেনের রিজার্ভেশন পান না, অগত্যা তারা একটা গোটা দিনের ট্যুর বা পিকনিকের পরিকল্পনা করেন। আমার এই পোস্ট সেইসব ভ্রমনপিপাসুদের উদ্দেশ্যে নিবেদিত। একদিকে রূপনারায়ণের মন ভোলানো রূপ আর অন্যদিকে গঙ্গা (হগলী নদী)। দুই নদ-নদী মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের গেঁওখালিতে ৷ একদিকে দঃ ২৪ পরগনার নূরপুর ও অন্যদিকে হাওড়ার গাদিয়াড়া। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তে সঙ্গমের এই অতুলনীয় রূপ আরও মোহময়ী হয়ে ওঠে। নদীর পারে সারিবদ্ধ্ বাবলা, আম, শিরিষ, ঝাউ, ইউক্যালিপটাস ও আকাশমণিদের দল…..শীতের হাওয়া…. শুষ্ক ত্বক…. সকালের কুয়াশায় মাথা ভিজে যাওয়া ….কথা কইলে মুখে ধোঁয়া…. আবছা মাঝি আর তাদের ডিঙি নৌকা…..গাছ থেকে পাড়া টাটকা খেজুর রস…..জ্বাল দেওয়া নলেন গুড়ের সুবাস…. বেলা বাড়লে নদীর জলে রোদ ঝিলমিল খেলা..…ছোটবড় জাহাজের ভেসে যাওয়া …..ঢেউয়ের ধাক্কায় ঘাটে বাঁধা নৌকার বাঁধনহারা হওয়ার বৃথা উচ্ছাস….. এই সব মিলিয়ে গেঁওখালি। নদীর ধারে বেঞ্চে বসে থাকুন। আর চেয়ে থাকুন। অনুভব করুন। যদি পাশে থাকে প্রিয় মানুষ আর সঙ্গে ফ্লাক্সে আনা ধোঁয়া ওঠা চা আর গরমাগরম চপ বা পিঁয়াজি, তাহলে তো আর কথাই নেই, ভালো লাগা জমে যাবে অন্তরে অন্তরে। ++ সাইট সিইং : • কাছেই একটি নদীর জল পরিশোধনাগার ও কয়েকটি ছোট ছোট লেক আছে। পরিশোধনাগার দেখতে অনুমতি লাগে। লেকের পাড়ে পিকনিক পার্টিদের ভীড় বেশি থাকে। কিছুদূরে মীরপুর চার্চ, বড়দিনের সময় সারা খ্রীষ্টান পল্লী উৎসবে মেতে ওঠে। • দুপুরের খাওয়া সেরে দেখতে চলুন ১০ কিমি দূরে বিখ্যাত মহিষাদল রাজবাড়ি(রঙ্গীবসান ও ফুলবাগ) ও সংগ্রহশালা, গোপালজীউ ও শিব মন্দির, লালকুঠি, রামবাগে রাম মন্দির ও দেওয়ান সাহেবের বাড়ি এবং কিছুদূরে মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতি বিজড়িত গান্ধী কুটির। • সময়...