Chisang – A hamlet near Todey -Tangta valley

Chisang – A hamlet near Todey -Tangta valley

Reading Time: 3 minutesChisang – A hamlet near Todey -Tangta valley Chisang, a small village located in the Kalimpong district of West-Bengal India. The real essence of Chisang lies in its rich history, unique culture and the original natural beauty. Peaceful village life style and adventure also draw attention of the travelers. Chisang is popular for The World Famous Organic Cardamom production & also known for medicinal plants. Picturesque village is nested in a blissful place of peace and tranquility barely 4 kilometres from Bhutan & is home to many rare & endangered animals, birds & plants.   How to reach: The nearest railway station of Chisang is New Mal Junction. Share vehicles are available form Siliguri, Kalimpong, Malbazar, Chalsa. Timing of share vehicles : Siliguri – 1pm Kalimpong – 1pm Malbazar & Chalsa 10:30 – 3pm Reserved car from Malbazar will cost 2500/- Nearby attractions: One may visit nearby places like Dawai Khola, Tangta Monastery, Todey Bazar, Tangta River , Bindu, Dalgaon, Jhalong, Paren. Activities at Chisang: You can enjoy a lot of activities including Trekking, River walking, Bonfire, bar-b-cue, fishing, picnic beside the Dawai Khola river, trekking in the cardamom fields or simply spent your time leisurely loitering around. The arrangements like BBQ, bonfire etc. may require a nominal extra charge. You can also look out for local Products, fine arts collection in certain places. Where to Stay: There is a beautiful home stay named as The Wildwoods Retreat. From the roof of the home stay the view of nearby Bhutan peaks is picturesque and scenic. They have 5 rooms altogether. Tariff : Rs 1200/- on triple...
Turzum – A heaven inside tea garden

Turzum – A heaven inside tea garden

Reading Time: 3 minutesTurzum – A heaven inside tea garden Turzum is a heaven situated on the top of a hill surrounded by tea gardens. This place is on the midway to Mirik and Darjeeling. Lepchajagat and Sukhiapokhri is very near to this place. The view of surrounding tea gardens are really scenic and picturesque. If you are looking for a clam and romantic gateway then Turzum should be in your list. From the top you will get the view of near by Nepal hills as well as Mirik and Darjeeling hills.   How to reach : Turzum is only 34km away from Mirik, 9km away from Sukhiapokhri and 26km away from Darjeeling. One may reach either Mirik, Sukhiapokhri or Darjeeling and from there one have to take car for Turzum. http://tourplannerblog.com/wp-content/uploads/2019/06/VID_20190602_100536.mp4 What to do: Turzum is surrounded by beautiful tea gardens and hills. One can walk through tea gardens. May visit nearby Siva Temple, gopal dhara tea estate, rangbhang khola, Tabakoshi. The best way to enjoy Turzum is to seat beside tea garden and enjoy the view with a cup of hot tea. Best time to visit : Turzum can be visit in any season. The road towards Turzum remain open through out the year. We preferably suggest you to visit in rainy season and winter. At the time of rain the place become so vibrant and romantic. Nearby places: If you are planning to visit Turzum then club it with Tabakoshi. Turzum is only 8-10km from Tabakoshi. Read more about Tabakoshi here. You may visit Sukhiapokhri, Jorpokhri, Lepchajagat as well as Darjeeling and Mirik from here. Where...
Tale of Rangbhang, Mirik – A Perfect Weekend Getaway in the Lap of Mountains

Tale of Rangbhang, Mirik – A Perfect Weekend Getaway in the Lap of Mountains

Reading Time: 7 minutes Tale of Rangbhang, Mirik A calm and quiet Himalayan village dotted with orange orchards, near Mirik, and a beautiful Homestay with picturesque cottages, along with all modern amenities, in the lap of nature. Rangbhang Homestay– run by the Gurung Family, is located at ‘Schooldara’ village, Mirik Busty – 5 km away from the popular Mirik lake. The bungalow type cottages are surrounded by plenty of ‘Orange Orchards’, variety of flowers and various species of plants. Rangbhang Homestay could be your perfect weekend getaway to cool off and relax in the lap of mountains. To get a sigh of relief from the scorching summer heat in the plains, we escaped to the Darjeeling hills in this May. Spending couple of days in the pleasantly cool climate at Rangbhang, located at an altitude of 4200 ft, in the warm hospitality of the Gurung family, away from hustle & bustle of city life, was quite refreshing. The stay was really close to nature. The family served us some delicious food (although pure vegetarian, because of some religious belief of the village). The owner is a hotel management diploma and his father is an educated farmer, owning acres of lands on the slope of hills, and vast knowledge on flora in this region. The Homestay is named after a local river -‘Rangbhang’. The extended family owns a number of houses and lands in the village and the members always greet tourists with gentle smile. It takes around 2.5 hours drive from NJP/ Siliguri and half an hour from Mirik to reach ‘Rangbhang Homestay’. The name of this village ‘Schooldara’,...
Nok Dara – A beautiful village of North Bengal

Nok Dara – A beautiful village of North Bengal

Reading Time: 4 minutes লাইফ IS বিউটিফুল @ নকদারা – পাপড়ি গোস্বামীর কলমে ****************************** ছবির মতো ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম নকদারা। শহুরে আমেজ থেকে সন্তর্পণে নিজেকে লুকিয়ে রেখেছে এখনো। এমন গ্রামে ঢুকে পড়েছি যখন, অভ্যর্থনাও যে অন্যরকম হবে এতো বলাই বাহুল্য। গাড়ির শব্দেই ঝরনাধারার মতো কলবল করতে করতে এগিয়ে এলো দুষ্টুমির শিরোমনিগুলো। প্রাইমারী স্কুলের মাঠের সামনে অনাবিল শৈশব। কেউ ভেংচিকেটে, কেউবা স্মাইলি দেখিয়ে, কেউবা উলটো হয়ে দাঁড়িয়ে সাদর আমন্ত্রণ জানালো ওদের জগতে। মেয়ে এগিয়ে গেলো ভাব জমাতে, আমরা পা বাড়ালাম আমাদের অস্থায়ী আস্তানার দিকে। পা বাড়ালাম বললেই কিই আর পা চলে, শহুরে চোখ ঠোক্কর খায় বারেবার। চোখ বলছে এসেছ ফুলেদের জলসাঘরে, মন বলছে এসেছি নিজের সাথে দেখা করতে।দুদিনের আস্তানা যে কাঠবাড়ি তার ফুলেল বাগান নিয়ে যেন এক রূপকথা।কাছের দুরের আদুরে পাহাড়গুলো আগলে রেখেছে সবটুকু। প্রেয়ার ফ্ল্যাগের আড়াল থেকে মায়াজাল বোনে দিনমণি। পাখিদের কন্সার্টে কথা যায় হারিয়ে। আজন্ম লালিত সংস্কার ছেড়ে বারবার ছুটে যাচ্ছি অন্দরমহলে,অঞ্জু ববিতার কাছে, ওদের রান্নাঘরে হানা দিতে, গল্প করে জানতে চাইছি ওদের মনের অতল, ভাব জমিয়ে চাইছি ওদের মতো হতে,অন্তত এই দুটো দিনের জন্যে। এতো সারল্য, এতো আন্তরিকতা, এমন ভালোবাসার ক্ষমতা দেখে লজ্জায় পড়তে হয়। মানুষ হিসাবে ওদের পাশে নিজেকে দেখলে কেমন অস্বস্তি হয়,শুধু মনে হয় কিই যেন নেই।শুধু এই মিসিং লিনক খুঁজতেই একবার নকদারা যাওয়া যায়।     পাহাড়ি পথে সন্ধ্যে এলো ঝুপ করে। পাইনবনের পাতার ফাঁকেফাঁকে লুকোচুরি খেলতে খেলতে। দুরের হাইস্কুল থেকে বাচ্চারা ফিরছে দল বেঁধে , হাতে বই, মাথার দুপাশে ফিঁতেয় মোড়া বিনুনি, মুখে হাসি, উচ্ছ্বসিত আশপাশ,ঝরনাও লজ্জা পাবে ওদের দেখলে। কচিকাঁচাগুলো সাইকেলের ক্যারামতিতে ব্যাস্ত। মায়েরা চটপট ঘরকন্নায়।বাবাগুলো ফিরছে পিঠে ভারি বোঝা। মাঝে বেমানান আমরা তিনজন, বোকা হাসি মুখে পাড়া বেড়াচ্ছি।অন্ধকার আরো গভীর হতে টাইসন এলো, আমাদের নিতে, ঝুঁটি বাধা সুন্দরী লাসা। ঢাকা দেওয়া...
Kalej Valley – A Nature Lover’s Paradise in Darjeeling Himalaya

Kalej Valley – A Nature Lover’s Paradise in Darjeeling Himalaya

Reading Time: 10 minutes কালিজ ভ্যালির রামধনু ঝর্ণা একটি পাহাড়ি উপত্যকায় লোকচক্ষুর অন্তরালে, নির্জনতায় মোড়া পরিবেশে লুকিয়ে আছে এমন এক জলপ্রপাত,  মেঘ সরিয়ে রোদ উঠলেই যেখানে দেখা যায় রামধনু। স্থানীয় নাম ইন্দ্রানী ছাগো বা ইন্দ্রানী ফলস, তবে বেশি পরিচিত ‘রেনবো ফলস’ (Rainbow Falls) নামে। আর দার্জিলিং হিমালয়ের কোলে এই শান্ত, স্নিগ্ধ ও সৌন্দর্য্যময় পাহাড়ি উপত্যকাটির নাম ‘কালিজ ভ্যালি’ বা ‘রেনবো ভ্যালি’। সবুজে মোড়া ছবির মত সুন্দর এই উপত্যকায় থাকার জন্য আছে চা বাগানের ঢালে এক ভীষণ সুন্দর ও মিষ্টি একটি রিসর্ট, যার নাম ‘রেনবো ভ্যালি রিসর্ট’ (Rainbow Valley Resort)। ঠিক যেন শিল্পীর তুলিতে একটা সবুজ ক্যানভাসে কয়েকটা রঙিন বিন্দু আঁকা একটা ছবি। রিসর্টের পাশেই ‘কালিজ ভ্যালি চা বাগান’। একটু উপরে ‘আপার কালিজ ভ্যালি’ গ্রাম। এখানে অবসর যাপনে এসে বিশুদ্ধ প্রকৃতির মাঝে সারাদিন ধরে চা বাগান, পাহাড় ও ভ্যালির অসাধারণ দৃশ্য দেখে ও হরেক রকম পাখির ডাক শুনে মন ভরে যায়। কালিজ ভ্যালি (Kalej Valley) চা বাগান, রংবুল Rainbow Falls – কালিজ ভ্যালির রামধনু ঝর্ণা – ঝর্ণার জলে রামধনু ভুমিকাঃ বছর দুয়েক আগে ‘ভ্রমণ’ পত্রিকায় প্রথম সন্ধান পাই কালিজ ভ্যালির ‘রেনবো ভ্যালি রিসর্টের’। পয়লা বৈশাখের সময় দিনদুয়েকের ছুটিতে হঠাৎ করেই এনজেপির ট্রেনের টিকিটের ব্যবস্থা করে, ঠিক করে ফেলি এবারের আমাদের দুজনের ভ্রমণ কালিজ ভ্যালিতেই। এমনিতেই সবাই জানে আমার পায়ের তলায় অনেক সর্ষে। আর ছোট্ট ছুটিতে পাহাড়ে আবার যাব শুনলেই ইদানিং বন্ধুদের কাছ থেকে শুনতে হয় ‘সেকেন্ড হোমে যাচ্ছে’ বা ‘পাহাড়ে ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করে’ এরকম শব্দবন্ধ। তবে আমি তাতে দমবার পাত্র নই। কারণ উত্তরবঙ্গের পাহাড় যে আমায় টানে, শুধুই সময় সুযোগ ও ট্রেনের টিকিটের অপেক্ষায় থাকি। সোনাদার কাছে পাহাড়ের গায়ে দেওদার সারি – দার্জিলিংয়ের পাহাড়ের চেনা ছবি বিকেল ৫-৪৫ এ হাওড়া স্টেশন থেকে কামরূপ এক্সপ্রেসে রওনা হয়ে পরদিন সকাল সাড়ে সাতটায়...
Ajodhya Hill and Mesmerizing Murguma in Purulia

Ajodhya Hill and Mesmerizing Murguma in Purulia

Reading Time: 11 minutes অযোধ্যা পাহাড় ও মনোরম মুরগুমা পাহাড়ের কোলে এক মোহময়ী লেক ও বাঁধ। জঙ্গলময় সবুজ পাহাড়ে ঘেরা বিশাল নীল জলরাশি। বাঁধের উপর লাল মাটির রাস্তা। কাছেই একটি আদিবাসী গ্রাম। প্রকৃতি, বুনো গন্ধ ও একরাশ প্রশান্তির মেলবন্ধনে, পুরুলিয়া জেলায় অযোধ্যা পাহাড়ের পাদদেশে মুরগুমা। ড্যামের ৩০০মিটারের মধ্যে থাকার জন্য দুটি ইকো রিসর্ট। তারই একটা ‘পলাশ বিতান’। সাদামাটা একতলা কটেজের বারান্দায় চেয়ার নিয়ে বসে সামনের পলাশ গাছটা ও তার পিছনের পাহাড়টার শোভা দেখছিলাম। দুটি গাছে ফোটা পলাশের লালিমা বসন্তের আগমন জানান দিচ্ছে। রিসর্টের চারদিকেই পাহাড়ে ঘেরা। বড়ই শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশ মুরগুমার। কটেজের একটু উপরে, রিসর্টের বাইরের রাস্তা দিয়ে চলা গরুর গলার ঘন্টাধ্বনি কানে আসছে মাঝে মাঝে। অযোধ্যা পাহাড়ের আনাচে কানাচে ঘুরে, একটু আগে দুপুরে এসে পৌঁছেছি মুরগুমায়। এ বছর শীতের লম্বা ইনিংসে বসন্ত যেন এখনও ঠিক মাথা তুলতে পারছে না। তাই ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহেও বেশ ঠান্ডা আবহাওয়া দিনের বেলাতেও।  বরাভুম থেকে যাত্রা শুরু গতকাল হাওড়া থেকে রাত ১১টা ৫ এর আদ্রা-চক্রধরপুর প্যাসেঞ্জারে চেপে সকাল সোয়া ৭ টায় নামি বরাভুম স্টেশনে। পুরুলিয়া ছাড়িয়ে বরাভুম স্টেশন। জায়গাটা আসলে বলরামপুর। এখান থেকেই আমাদের এবারের পুরুলিয়া সফর শুরু। স্টেশনের বাইরেই ছৌনাচের কিছু মূর্তি বানানো, যা পুরুলিয়ায় আমাদের স্বাগত জানায়। আগে থেকে গাড়ি বলা ছিল বরাভুম স্টেশনে। কথা হয়েছিল যে সে গাড়িই আমাদের প্রথমে সাইট সিয়িংয়ে অযোধ্যা পাহাড় ঘুরিয়ে পৌঁছে দেবে মুরগুমায়। বলরামপুর থেকে বাঘমুন্ডির রাস্তায় গাড়ি ছুটল। প্রথম গন্তব্য ‘পাখি পাহাড়’, মিনিট কুড়ির মধ্যেই পৌঁছে গেলাম। মূল রাস্তা থেকে দেড় কিমি ভিতরে, শালের জঙ্গলে ঢাকা পাখি পাহাড়। একজন বিশিষ্ট ভাস্কর চিত্ত দে ও তাঁর টিম নিরলস প্রচেষ্টায় পাথরের গায়ে খোদাই করে সমগ্র পাহাড় জুড়ে অসংখ্য পাখি ফুটিয়ে তুলেছেন। শিল্পির ছোঁয়ায় একটা গোটা পাহাড় আজ ভাস্কর্য্যের রূপ পেয়েছে। পাখি পাহাড়ের উপরের অংশের খোদিত...