Ajodhya Hill and Mesmerizing Murguma in Purulia

Ajodhya Hill and Mesmerizing Murguma in Purulia

অযোধ্যা পাহাড় ও মনোরম মুরগুমা পাহাড়ের কোলে এক মোহময়ী লেক ও বাঁধ। জঙ্গলময় সবুজ পাহাড়ে ঘেরা বিশাল নীল জলরাশি। বাঁধের উপর লাল মাটির রাস্তা। কাছেই একটি আদিবাসী গ্রাম। প্রকৃতি, বুনো গন্ধ ও একরাশ প্রশান্তির মেলবন্ধনে, পুরুলিয়া জেলায় অযোধ্যা পাহাড়ের পাদদেশে মুরগুমা। ড্যামের ৩০০মিটারের মধ্যে থাকার জন্য দুটি ইকো রিসর্ট। তারই একটা ‘পলাশ বিতান’। সাদামাটা একতলা কটেজের বারান্দায় চেয়ার নিয়ে বসে সামনের পলাশ গাছটা ও তার পিছনের পাহাড়টার শোভা দেখছিলাম। দুটি গাছে ফোটা পলাশের লালিমা বসন্তের আগমন জানান দিচ্ছে। রিসর্টের চারদিকেই পাহাড়ে ঘেরা। বড়ই শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশ মুরগুমার। কটেজের একটু উপরে, রিসর্টের বাইরের রাস্তা দিয়ে চলা গরুর গলার ঘন্টাধ্বনি কানে আসছে মাঝে মাঝে। অযোধ্যা পাহাড়ের আনাচে কানাচে ঘুরে, একটু আগে দুপুরে এসে পৌঁছেছি মুরগুমায়। এ বছর শীতের লম্বা ইনিংসে বসন্ত যেন এখনও ঠিক মাথা তুলতে পারছে না। তাই ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহেও বেশ ঠান্ডা আবহাওয়া দিনের বেলাতেও।  বরাভুম থেকে যাত্রা শুরু গতকাল হাওড়া থেকে রাত ১১টা ৫ এর আদ্রা-চক্রধরপুর প্যাসেঞ্জারে চেপে সকাল সোয়া ৭ টায় নামি বরাভুম স্টেশনে। পুরুলিয়া ছাড়িয়ে বরাভুম স্টেশন। জায়গাটা আসলে বলরামপুর। এখান থেকেই আমাদের এবারের পুরুলিয়া সফর শুরু। স্টেশনের বাইরেই ছৌনাচের কিছু মূর্তি বানানো, যা পুরুলিয়ায় আমাদের স্বাগত জানায়। আগে থেকে গাড়ি বলা ছিল বরাভুম স্টেশনে। কথা হয়েছিল যে সে গাড়িই আমাদের প্রথমে সাইট সিয়িংয়ে অযোধ্যা পাহাড় ঘুরিয়ে পৌঁছে দেবে মুরগুমায়। বলরামপুর থেকে বাঘমুন্ডির রাস্তায় গাড়ি ছুটল। প্রথম গন্তব্য ‘পাখি পাহাড়’, মিনিট কুড়ির মধ্যেই পৌঁছে গেলাম। মূল রাস্তা থেকে দেড় কিমি ভিতরে, শালের জঙ্গলে ঢাকা পাখি পাহাড়। একজন বিশিষ্ট ভাস্কর চিত্ত দে ও তাঁর টিম নিরলস প্রচেষ্টায় পাথরের গায়ে খোদাই করে সমগ্র পাহাড় জুড়ে অসংখ্য পাখি ফুটিয়ে তুলেছেন। শিল্পির ছোঁয়ায় একটা গোটা পাহাড় আজ ভাস্কর্য্যের রূপ পেয়েছে। পাখি পাহাড়ের উপরের অংশের খোদিত পাখি গুলি চোখে পড়ে...
TRAVEL GUIDE ON NAMCHI RAVANGLA PELLING

TRAVEL GUIDE ON NAMCHI RAVANGLA PELLING

GANGTOK, NAMCHI, RAVANGLA AND PELLING IN 3 NIGHTS 4 DAYS – by Anindita Barui We, Bengalis, are known for our passion for travelling. Whenever we get a chance we strat making plans for a holiday. Be it a weekend trip or a long holiday we are always ready to explore new places. Me & my husband are no different. Last year two of us along with our two friends suddenly made a plan for Ravangla in South Sikkim. 3 NIGHTS – 4 DAYS ITINERARY Day 1 : Reach Gangtok & go for sightseeing. Night stay at Gangtok. Day 2 : Travel from Gangtok to Ravangla. Enroute Temi Tea Garden & Namchi. Night stay at Ravangla. Day 3: Maenam hill trek. Night stay at Ravangla. (We had a back up plan to visit Pelling on this day as there was a chance for raining). Day 4 : Ravangla sightseeing & return to NJP. So after all the bookings, we started our journey on 27th april, 2018. We had our booking in ‘Uttarbanga Express’ from sealdah station to reach New Jalpaiguri. After reaching New Jalpaiguri in the next morning, we hired a car for Gangtok. Luckily, it was a sumo & costs 2500 rupee only after bargaining. So whenever you are hiring a car outside NJP railway station, must bargain with the driver. Our plan was to reach gangtok before lunch. But due to heavy traffic we reached ‘Deorali’ at 3.15 pm. From here one has to take another car to reach gangtok. The distance is almost 5km & it charged Rs. 300 for the trip. So finaly we reached Gangtok...
JHARGRAM TRAVEL GUIDE – A WEEKEND DESTINATION

JHARGRAM TRAVEL GUIDE – A WEEKEND DESTINATION

A WEEKEND IN JHARGRAM – নিস্তব্ধতার ডাকে – ঈপ্সিতা বসাকের কলমে   একটা বিশালাকার ব্রীজের মত আমার শহর, ব্যস্ততার ট্রাফিক জ্যামে ভগ্নপ্রায় অথচ কি নির্বিকার..! ব্রিজের ওপারে সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল…., দূষণ ধোঁয়ায় শহরবাসীর যোগাযোগকারী ব্রীজ মেরামতের হাজার চেষ্টাও বিফল! এমন সময় সাহায্য খুঁজতে ছুটে যায় আকুল মন, বিশ্বাসঘাতক পর্বতমালার দুর্গম চূড়া ডিঙিয়ে পৌঁছায় তখন… একটা হাত! একটা হাত এগিয়ে আসে, এসেই খুন করতে চায় সবাইকে….! বলে হাইজ্যাক করে নিয়ে যাবে সুন্দরী তিলোত্তমাকে… নিয়ে যায় এক পাথরে ঘেরা শান্ত স্থির নীল নদীর তীরে…. আকাশের নীল চোখের ছায়া পরে যেই জলে…নীল চোখেই হারিয়ে যাওয়া যায় যেখানে… যেখানে রাজা রাণীর গল্পেরা জীবিত, নীরবতা কথা বলে কানে কানে…. সাথে করে হেঁটে চলে লাল মাটির পথ, সবুজ শাল পাতার ছোঁয়ায়…. যা পিচের মতো কালো হয়ে যায়নি! পাহাড়, শান্ত  ঝর্ণারা…. যেখানে বাসা বেঁধে আছে নিজেদের মতো, কেউ বিরক্ত করেনা- যাদের, সরলতা আর মাটির গন্ধ যেখানে একসাথে, লুটোপুটি খায়, খড়ের আঁটিতে শুয়ে খেলা করে হাতে হাতে…! এমন একটা হাত যদি সত্যিই হাইজ্যাক করে তোমার ধুলো মাখা শহরকে…. খুব কি অপরাধ হবে? নাকি…তিলোত্তমা তুমিও মত দেবে দুদিনের এই হাইজ্যাকে?? কি? ইচ্ছে হচ্ছে তো এইভাবে হাইজ্যাক হতে? হবারই কথা আমারও হয়েছিল।ব্যস্ততার থেকে একরাত আর দুটো দিনের ছুটি নিয়ে স্বেচ্ছায় হাইজ্যাক হয়েছিলাম…. চলে গিয়ে ছিলাম নীল নদীর ধারে, রাজা রাণীর গল্পেরা সত্যি যেখানে, সেই যেখানে অরণ্যে পাতার খসখসানী সাথে করে গভীরে নিয়ে যায় আদিম বীজ খুঁজে পেতে সাহায্য করবে বলে, যেখানে নিস্তব্ধতা আপন মনে গুনগুনিয়ে গান গায়। হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন…. ঝাড়গ্রাম। ঝাড়গ্রাম পশ্চিমবঙ্গের ২২তম জেলা,যা ২০১৭ সালে পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে আলাদা হয়ে যায়। এই জেলার উত্তরে বেলপাহাড়ি আর দক্ষিণ দিয়ে বয়ে গেছে সুবর্ণরেখা নদী। প্রকৃতিপ্রেমী বিশেষ করে যারা অরণ্যের রোমাঞ্চে আগ্রহী আর যারা অকৃত্রিম সৌন্দর্যরস উপভোগ করতে চান, তাদের...
Bhalkimachan – A Refreshing Weekend Getaway with Jungle and Lonely Nature

Bhalkimachan – A Refreshing Weekend Getaway with Jungle and Lonely Nature

Bhalkimachan – A Refreshing Weekend Getaway with Jungle and Lonely Nature ভালকিমাচান – জঙ্গলে ঘেরা নির্জনতায় ভরা সপ্তাহান্তের এক ঠিকানা জঙ্গলের মাঝে একটি সুন্দর দোতলা লজ। চারপাশে শুধুই বিস্তীর্ণ সবুজ জঙ্গল ও নির্জনতায় মোড়া প্রকৃ্তি। জায়গাটি এতই নিস্তব্ধ, যে মাঝেমাঝে শুধু পাখির ডাক বা হাওয়ায় গাছের পাতা নড়ার শব্দ ছাড়া আর কোন শব্দ কানে আসে না। সপ্তাহান্তে নিরিবিলিতে আবকাশ যাপনের এক আদর্শ ঠিকানা। ভালকিমাচান। কলকাতার কাছেই বর্ধমান জেলায় জঙ্গলে ঘেরা এক দারুণ উইকএন্ড ডেস্টিনেশন। পর্যটন মানচিত্রে নব সংযোজন। লজটির নাম ‘অরণ্য সুন্দরী রিসর্ট’। কলকাতা থেকে ১৩৫ কিমি ও বর্ধমান শহর থেকে দূরত্ব মাত্র ৪৩ কিমি। এখনও হয়ত লোকচক্ষুর সামনে তেমন ভাবে উন্মোচিত হয় নি এ জায়গাটি। শীতের শেষে সপ্তাহান্তের ভ্রমণে কোন অদেখা, নতুন জায়গার খোঁজে ঠিক করে ফেললাম এবার গন্তব্য ভালকিমাচান। একটি ট্র্যাভেল ম্যাগাজিনে পড়ে ও এক অফিস কলিগের কাছে শুনে জেনেছিলাম জায়গাটির হদিশ। ওয়েবসাইট থেকে নম্বর নিয়ে দুটি ঘর বুক করেছিলাম অরণ্য সুন্দরী রিসর্টে। নির্দিষ্ট দিনে সপরিবারে, সকাল ৬টায় হাওড়া স্টেশন থেকে ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে চেপে পৌঁছই মানকর স্টেশনে। বর্ধমান – আসানসোল লাইনের এক স্টেশন মানকড়। আগে থেকে বলে রাখায় অরণ্য সুন্দরীর ম্যানেজার গাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছিল স্টেশনে। সেই গাড়িতেই আধ ঘণ্টায় পৌঁছে যাই ১৩ কিমি দূরের ভালকিমাচানে। অরণ্য সুন্দরীর দোতলায় আমাদের জন্য বরাদ্দ দুটি ঘর। বেড়া দিয়ে ঘেরা কম্পাউন্ডের বাইরেই শুরু শালের জঙ্গল। বারান্দায় বসলে সামনের বিস্তীর্ণ জঙ্গলের পানে চেয়ে, পাখির ডাক শুনে, সময় কেটে যায়। জঙ্গলের ঘ্রাণাস্বাদন করে মেলে এক অনাবিল আনন্দ। নামে রিসর্ট হলেও ‘অরণ্য সুন্দরী’ সাধারণ সাজের। তবে জঙ্গলের মাঝে মৌলিক সব সুযোগ সুবিধা, স্বাচ্ছ্যন্দ ও সুস্বাদু আহারের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। উঠোন মত জায়গাটায় একটা বড় আম গাছ। আর তার নিচে বড় একটা কড়াইয়ে, কাঠের জ্বালে, চলছে রান্না। অনেকটা পিকনিকের মেজাজে। লুচি তরকারী সহ জলখাবার...
WEEKEND TRAVEL GUIDE ON MAYAPUR

WEEKEND TRAVEL GUIDE ON MAYAPUR

Weekend Travel guide on Mayapur : মায়াপুরের খোঁজখবর – চন্দ্রনাথ মারিকের কলমে মায়াপুর নামটির সাথে আমরা কমবেশি সকলেই পরিচিত। নবদ্বীপে গঙ্গা এবং জলঙ্গি নদীর সংগমস্থলের তীরে অবস্থিত একটি ছোট্ট শহর হলো এই মায়াপুর। পশ্চিমবঙ্গের এই জায়গাটি কলকাতা থেকে মাত্র ১৩০ কিমি। ইস্কন এর মূল মন্দিরের জন্য বিখ্যাত এই পবিত্র মায়াপুরে প্রতি বছর কয়েক লাখ দর্শনার্থী আসেন। আসুন, জেনে নেওয়া যাক এই মায়াপুর ভ্রমণের খুঁটিনাটি। কিভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে ট্রেনে যেতে গেলে হাওড়া বা শিয়ালদহ থেকে কাটোয়া লোকাল ধরে নবদ্বীপের আগের স্টেশন বিষ্ণুপ্রিয়া হল্টে নেমে যাওয়াটাই সুবিধাজনক। সেখান থেকে ১০ টাকা ভাড়ায় টোটো বা সাইকেল ভ্যানে চেপে ৫ মিনিটে লঞ্চঘাট। তবে বিষ্ণুপ্রিয়া হল্টে সব ট্রেন দাঁড়ায় না , সেক্ষেত্রে নবদ্বীপ স্টেশনে নেমে লঞ্চঘাট আসতে হবে।  এরপর  লঞ্চে ৩ টাকার টিকিটে ২৫-৩০ মিনিটে মায়াপুরের হুলোর ঘাটে নেমে পরতে হবে। সেখান থেকে আবার ১০ টাকায় টোটোয় বা পদব্রজে মায়াপুরের ইস্কন মন্দিরে।শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর লোকালে কৃষ্ণনগরে নেমেও যাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে স্টেশনের বাইরে থেকে ২০ টাকা ভাড়ায় অটোয় চাপলে স্বরূপগঞ্জের ঘাটে পৌঁছাতে প্রায় ৪০-৪৫ মিনিট লাগবে। ঘাট থেকে ২ টাকার টিকিটে নৌকা চেপে ৫ মিনিটে মায়াপুরের হুলোর ঘাটে নেমে যেতে পারবেন। কলকাতা থেকে প্রায় ১৩০ কিমি দূরত্বে মায়াপুরে গাড়ি নিয়ে গেলে রাণাঘাটে চূর্ণী নদীর বড় ব্রীজ পেরিয়ে বাঁ দিকে শান্তিপুরের রাস্তায় না গিয়ে ডানদিকের বাদকুল্লার রাস্তা ধরলে ৭-৮ কিমি রাস্তা কম হয়, কিন্তু যাওয়ার সময় ওয়ানওয়ে থাকায় শান্তিপুর হয়েই কৃষ্ণনগর পেরিয়ে বাহাদুরপুরের জংগলের পাশ দিয়ে NH34 ধরে চলে আসতে পারবেন মায়াপুরে। ফেরার পথে বাদকুল্লা হয়ে ফিরতে পারবেন। ২৪ ঘণ্টা গাড়ি পার্কিং এর জন্য ১০০ টাকা নেবে।পার্কিং করার নির্দিষ্ট জায়গা আছে। মূল মন্দিরের সামনে গাড়ি আসেনা। পায়ে হেটে আসতে হবে। কলকাতা থেকে মায়াপুরে আসবার আর একটি সুবিধাজনক উপায় হোল কলকাতাস্থিত মায়াপুরের অফিস থেকে ছাড়া AC...