Mechuka – A Hidden Paradise in Arunachal Pradesh

Mechuka – A Hidden Paradise in Arunachal Pradesh

অরুণাচলের মেচুকায়…মেম্বাদের দেশে বছর  তিনেক  আগে এয়ারফোর্সে কর্মরত  আমার এক বন্ধুর কাছে প্রথম মেচুকার কথা জানতে পারি। পূর্ব অরুনাচলের ওয়েস্ট কামেং জেলায় ভারত-চিন সীমান্ত ম্যাকমোহন লাইন থেকে  মাত্র ২৯ কিমি আগে চারদিকে পাহাড় ঘেরা একটা ভ্যালি, মেচুকা।ভ্যালির মাঝখান দিয়ে ইয়ারগ্যাপ ছু নদী বয়ে গেছে। মেম্বা আর অন্য কিছু আদি উপজাতিদের বাস। শুনলাম সেখানে যাওয়া বেশ ঝামেলার, রাস্তাও দুর্গম। ভেবেছিলাম পরে কখনো রাস্তাঘাট ভাল হলে যাওয়া যাবে। কিন্তু ছবিগুলো দেখে আর গল্প  শুনে বেশ  দোটানায়  পরে গেলাম।যাব কি যাব না! অবশেষে কয়েকমাস আগে ইউটিউবে মেচুকার একটা ভিডিও দেখে মেচুকা অভিযানের সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেওয়া হল। বিভিন্ন সূত্র থেকে যত বেশি সম্ভব তথ্য নিয়ে পারমিট জোগাড় করে মে মাসের শেষ সপ্তাহে যাত্রা শুরু করলাম।অরুণাচলের ইনারলাইন পারমিটের জন্যে যে কেউ অনলাইনে(http://arunachalilp.com/index.jsp) আবেদন করতে পারেন। কলকাতা থেকে মেচুকা যেতে গেলে এই মুহুর্তে সবথেকে সুবিধাজনক উপায় হল কিছুদিন আগে চালু হওয়া এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে পাসিঘাট চলে যাওয়া।কিন্তু এই পরিষেবা শুরু হওয়ার আগেই আমি ডিব্রুগড়ের টিকিট কেটে ফেলেছিলাম। সেখান থেকে স্টিমারে ব্রহ্মপুত্র নদ পার করে পাসিঘাট ও আলং হয়ে মেচুকা।আমার পরিচিত একজনের কাছ থেকে ডিব্রুগড় থেকে একটা ইনোভা গাড়ি ভাড়া করেছিলাম। দিনপ্রতি ৪৫০০ টাকা নিয়েছিল।পাসিঘাট থেকে আলো, আলো থেকে মেচুকা লোকাল সুমো সার্ভিস আছে। সকাল ৫টা থেকে ৫:৩০ এর মধ্যে সুমো ছাড়ে। আগের দিন সুমোর সিট রীসার্ভ করতে হয়।পাসিঘাট থেকে আলোর জনপ্রতি ভাড়া ৫০০ টাকা আর আলো থেকে মেচুকার ভাড়া ৬০০ টাকা। তবে নিজেদের ভাড়া গাড়ি সাথে রাখলে কোথাও গিয়ে আশপাশের জায়গাগুলোকেও ভাল করে ঘুরে দেখে নেওয়া যাবে। অরুনাচলের এই অংশে ঘোরার ক্ষেত্রে আমার মনে হয়েছে পরিবার নিয়ে ছুটি কাটাতে গেলে ও নিজস্ব যোগাযোগ না থাকলে ভাল কোন ট্রাভেল অপারেটরদের সাথে যাওয়াই ঠিক হবে।যদিও এটা আমার ব্যাক্তিগত মতামত। II ডিব্রুগড় ও পাসিঘাটের দিনলিপি II ২৭শে মে...
Kinnaur Spiti Tour Itinerary For 11 Nights 12 Days

Kinnaur Spiti Tour Itinerary For 11 Nights 12 Days

This is an itinerary of the Kinnaur-Spiti Tour, which was our (me and my wife) first journey to the Trans Himalayan range and we were mesmerized with the beauty of the nature in Himachal Pradesh. Journey Time : June, 2016 Itinerary  DAY 1: Reached Narkanda via Chandigarh from Kolkata at night and stayed there DAY 2: Covered Hatu Temple and Peak then moved towards Sarahan, visited Padam Palace at Rampur on the way, Bhimakali Temple, walked around the apple orchard at Sarahan and Night Halt at Sarahan DAY 3: Reached Rakchham via Karchham and Sangla, visited Kamru Fort at Sangla, roamed around on the bank of the Baspa River at Rakchham and Night Stayed at Rakchham DAY 4: Started journey in the morning to visit Chitkul and also visited the last check-post on this route, arrived Kalpa via Reckong Peo and Night Stayed at Kalpa DAY 5: Moved towards Tabo via Nako through the World’s Most Treacherous Road, visited Nako Lake and made a journey through Kasang Nala, Malang Nala and the natural sculptures, enroute visited the Gue Village also, Night Halt at Tabo. DAY 6: Walked around the Tabo Monastery and moved towards Pin Valley, Visited Dhankar Gompa on the way, Night Halt at Mudh Village, Pin Valley DAY 7: Enjoyed the nature at Mudh Village and started the journey towards Kaza. After reaching KAZA in the morning, we visited Ki Monastery and Kibber village, Night stayed at Kaza DAY 8: Covered the villages Langza, Komic and Hikkim villages and stayed back at Kaza DAY 9: Started journey towards Chandratal via Losar village and Kunzum La (Pass), visited...
NEORA VALLEY NATIONAL PARK TREK, 4th part

NEORA VALLEY NATIONAL PARK TREK, 4th part

উপত্যকায় শরীর মুড়ে চতুর্থ দিন ভোর এলো এখানেও…… ঠিক আগল আলগা করে জড়োসড়ো হয়ে নয়; আধশোয়া ভোরের ঘুম ভাঙালো ধোঁয়া ওঠা চায়ের মতো আবছায়া কুয়াশা। এই তো সেই সময়, যখন ভালোবাসার দেখা পেয়ে গাছ হয় আনত, ফসল আভূমি চুম্বন করে, রোদ খিলখিলিয়ে হেসে ওঠে। সামনের উপত্যকা ভালোবাসায় ভরিয়ে দেয় সুন্দর সকালকে, সবুজ, হলুদ ঢেউ খেলে যায় আজ সকালের আমন্ত্রণে। নিচে তোদে-তাঙটা বা তামটা ভ্যালি আড়মোড়া ভেঙে সেজেগুজে টুকটুকে হয়ে আমায় দেখছে অবাক চোখে। তার গা ভর্তি সোনালী গম, মাথায় সবুজ চুলে সোনালী মুকুট, কানে, গলায় সোনার ঝিকিমিকি, এক্কেবারে সালংকারা। আয়েশ করে সকালের রোদে পিঠ দিয়ে পাথরের ওপর আমরা সবাই চা নিয়ে বসে গল্পে মশগুল হলাম; জোসেফ এ অঞ্চলের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা বলছিলো। আমরাও শেয়ার করছিলাম আমাদের ছোটোখাটো হাঁটার গল্প। প্রথম যখন লাভা থেকে আসবো ভেবেছিলাম তখন কি হয়েছিল তাতো আগেই বলেইছি, আরেকটা অভিজ্ঞতা বলি। তখন ও জানিনা কোথা থেকে ট্রেক করলে সুবিধা, তখন আমি আলিপুরদুয়ারে; আমরা ঠিক করলাম নেওড়াভ্যালি হাঁটবো, যেমন ভাবা তেমন কাজ, তিন চারজনে এক শীতকালে বেরিয়ে পড়লাম, সালটা ২০০৪ মনে হয়। এলাম ঝালং হয়ে তামটা ভ্যালি, কাউকেই পেলামনা যে বলতে পারে কি করে, কোন রাস্তায় ট্রেকটা করা যায়। কোথায় গিয়ে এ জঙ্গল শেষ হবে তাও ঠিকঠাক জানিনা, শুধু জানি এ ঘন জঙ্গলে আমরা হাঁটবো। কোনো ফরেস্টের লোকজন ও চোখে পড়লোনা। যাক, আমরা শুরু করলাম হাঁটা, ছোট ছোট চোরাবাটো দিয়ে হাঁটতে শুরু করলাম। জানিনা কোনদিকে যাচ্ছি, কেন জানি হঠাৎ করে চাঁদের পাহাড় মনে পড়ছিলো, অন্ধকার জঙ্গল, বিশাল বিশাল গাছ, নিচেও লতাপাতায় পা জড়াচ্ছে, আমরা চলেছি। পথে হঠাৎ একটি লোকের দেখা পেয়ে হাতে চাঁদ পেলাম; ও তো আমাদের দেখে ভয় পেয়ে গেলো, আমরা অনেক কষ্টে বোঝালাম যে আমরা প্রায় ঘন্টা চারেক হাঁটছি, কিন্তু কোনদিকে যাচ্ছি কিছুই বুঝতে পারছিনা। ভীষণ...
NEORA VALLEY NATIONAL PARK TREK, 3rd part

NEORA VALLEY NATIONAL PARK TREK, 3rd part

ট্রেকের তৃতীয় দিন আলুবাড়ি ক্যাম্পে ভোর এলো একেবারে আগল আলগা করে। ট্রেক এ সাধারণত রাতে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়াই দস্তুর, এখানেও ব্যতিক্রম হয়নি। ভোররাত থেকে জেগে স্লিপিং ব্যাগের ভেতরে শুয়ে, কাঠেরবাড়ির ফাঁকফোঁকর দিয়ে যখন আলোর আবছা অস্তিত্ব ঘরের মধ্যে টের পেলাম, উঠে পড়লাম। বেরোলাম বাইরে, অল্প আলোয় তীব্র ঠান্ডায় জড়োসড়ো নেওড়াভ্যালি; এই ক্যাম্প থেকে নিচের ঢালে অন্ধকার জঙ্গলের গায়ে মাথায় আলোর ছোঁয়া, শিরশির করা এক ঠান্ডায় যেন আস্তে আস্তে ঘুম ভাঙছে পৃথিবীর, ডানা খুলে দিয়ে সব রূপ রস গন্ধ মেলে ধরছে সকালের নরম আলোয়। নির্বাক এক সময়ের সাক্ষী আমি, পাখিরা আস্তে আস্তে জাগছে, দূরে কোথায় একটানা কিচিরমিচির, বেশ একটা উৎসব উৎসব আমেজ জঙ্গলের শরীর জুড়ে। আলো খেলা করছে নিচে নদীতে, পাশের ঘন ঝোপে, নিচের হলুদ সবুজ বনে, ফুলে ফলে পাতায় পাতায়। শিশির ভেজা বারান্দায় বসে আছি, চা এলো মনের খবর নিতে; এলো বাকি বন্ধুরাও, কোনো কথা নেই, চুপচাপ চায়ে আর সোনাঝরা সকালের জঙ্গলে একসাথে চুমুক দিচ্ছি। ভোরের জঙ্গলের রূপে যখন মাতালপ্রায়, জোসেফ পাখির সালতামামি শুরু করলো, নেশা গেলো চটকে। তখন ভালো লাগছিলোনা এতো পড়াশুনা, একটু দূরে এগিয়ে হাঁটতে শুরু করলাম, পাখিও দেখলাম, নাম জিজ্ঞেস করিনি, ভালো আছো কিনা শুধু এটুকুই ছিল জিজ্ঞাস্য; এপাশ ওপাশ ঘুরে আবার তরতাজা হয়ে ফিরলাম গোছগাছ শুরু করতে। গোছগাছ করে একেবারে জলখাবার খেয়ে আজকের দিনের জন্য রেডি; আজ হাঁটবো রাচেলা পাস বা রাচেলা দাঁড়া হয়ে রুখা ক্যাম্প। জোসেফের মুখে শুনলাম আজ জঙ্গল আরো ঘন, এবং চড়াই ও আছে খানিক। শুরু হলো হাঁটা, গাছের চরিত্র ও আস্তে আস্তে পাল্টাতে শুরু করলো, শাল, ওকের জায়গা নিলো বাঁশ, রডোডেনড্রন। ঘন জঙ্গল, নিরবিচ্ছিন্ন অন্ধকার মাঝে মাঝে, উচ্চতাও বাড়ছে অল্প অল্প করে, আকাশ পরিষ্কার, কিন্তু জঙ্গল ভেদ করে রোদ্দুর আসছেনা, স্যাঁতস্যাঁতে ভাব সব জায়গায়। ঘন্টাখানেক হাঁটার পর একটু সমতল, মাটিতে বালির...
সপ্তাহান্তে ঝান্ডি ও কোলাখামের পথে

সপ্তাহান্তে ঝান্ডি ও কোলাখামের পথে

ছোট্ট ছুটিতে চলেছি উত্তর বঙ্গের পাহাড়ে, মে মাসের গ্রীষ্ণের দাবদাহ থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে। গন্তব্য ঝান্ডি ও কোলাখাম। পূর্ব হিমালয়ের কোলে, অধুনা কালিম্পং জেলায়, পরিচিত পর্যটন স্থল লাভার আশেপেশে এ দুটি অল্পচেনা পাহাড়ি গ্রাম। ঝান্ডির পথেঃ   শিয়ালদা থেকে সাড়ে আটটার কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসে চড়ে পরদিন সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ পৌঁছলাম নিউ মাল জংশন স্টেশনে। শিলিগুড়ির পর থেকে চা বাগান ও ডুয়ার্সের জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে, নানান পাহাড়ি নদীর উপর ব্রীজ পেরিয়ে এ রেল যাত্রা খুবই মনোরম। ডুয়ার্স ভ্রমণের গেটওয়ে নিউ মাল। মালবাজারে এখন অসহ্য গরম। এযাত্রায় আর সমতলের গরমে না থেকে পাহাড়ের ঠান্ডায় যাওয়া ঠিক করেছি। এখান থেকে ঝান্ডি ৩২ কিমি। ঘন্টা দেড়েকের রাস্তা। ঝান্ডিতে আমাদের বুকিং ‘ঝান্ডি ইকো হাট’এ। সেখান থেকেই গাড়ি পাঠিয়েছিল আমাদের জন্য নিউ মাল স্টেশনে। অল্প বয়সী নেপালি ড্রাইভার অনিল শর্মা, বেশ ভদ্র ও বিনয়ী। নানান চা বাগানের মধ্যে দিয়ে পথ। পথে পড়ল লোয়ার ফাগু টি এস্টেট। খানিকটা ড্রাইভারের জোরেই চললাম ফাগু টি বাংলো দেখতে। মূল রাস্তা ছেড়ে কয়েক কিমি বন্ধুর পথ। বাংলোটিতে পৌঁছে মন ভরে গেল। ফাগু টি এস্টেটের মাথায়, বহু পুরানো ব্রিটিশ আমলের হেরিটেজ বাংলো। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণ চমৎকার। এক কর্মচারী থাকার ঘর গুলি ঘুরিয়ে দেখাচ্ছিল। মুখ্যমন্ত্রীও নাকি এসে থেকে গেছে এই বাংলোয়। বাংলোর হাতা থেকে দেখা যায় ডুয়ার্সের উপত্যকার দারুণ এক দৃশ্য। বারান্দায় বসে চা পান করে আবার চলা। এরপর পথে পড়ল গরুবাথান। এক আধা পাহাড়ি, নেপালি জনপদ। স্থানীয় নাম সোমবারে। পথের বাঁদিকে দেখা হল ‘চেল’ (Chel) নদীর সাথে। লাভাগামী মূল সড়ক ছেড়ে বাঁহাতি রাস্তায় চেল নদীর উপর কাঠের ব্রীজ পার হলাম। নদীর রূপ দেখে থামতে হল কিছুক্ষণ। নদীবক্ষে ছোট বড় অনেক প্রস্তরখন্ড। তার মধ্যে দিয়ে সশব্দে বয়ে চলেছে খরস্রোতা নদীটি। চারিপাশ সবুজ পাহাড়ে ঘেরা। সে দৃশ্য ক্যামেরা বন্দী করে আবার চলা। এরপর আপার...
জঙ্গলময় রাজস্থান – ভরতপুর বার্ড স্যাঙ্কচুয়ারি

জঙ্গলময় রাজস্থান – ভরতপুর বার্ড স্যাঙ্কচুয়ারি

রাজস্থান বলতেই মনে পড়ে কেল্লা, বালি, পাথর আর মরুভূমির কথা। কিন্তু জঙ্গল, বন্যপ্রাণ ও পক্ষীকুলের সম্ভার নিয়ে আরেকটা সবুজ অংশও রয়েছে এই বৈচিত্রময় রাজ্যে। ‘রেগিস্তান’এর ছবির আড়ালে পূর্ব রাজস্থানে রয়েছে তিনটি অনন্য অভয়ারণ্য – সরিস্কা, রনথম্ভোর ও ভরতপুর। কলকাতা থেকে ৮-১০ দিনের রাজস্থানের ট্যুর প্যাকেজে গিয়ে সাধারণত যা দেখা হয় না অধিকাংশ পর্যটকেরই। “Maati Baandhe Painjanee../Bhangd Pehne Baadli../ Dedo Dedo Baavdo../ Ghod Mathod Bhavdi…” চেনা চেনা ঠেকছে গানের লাইনগুলো? এটা রাজস্থান ট্যুরিজমের বিজ্ঞাপনের সেই সরকারি থিম সং। সেই বিজ্ঞাপনে একেক জন রাজস্থানকে দেখে একেকরকম ভাবে। এতই বৈচিত্রে ভরা রাজস্থান। মনমাতানো রাজস্থানী ফোক গানটির সাথে একাত্ম হয়েই আজ দেখে নেওয়া যাক পাখিদের স্বর্গরাজ্য ভরতপুরকে। ‘কেওলাদেও ঘানা ন্যাশনাল পার্ক’। পূর্ব রাজস্থানে ভরতপুর শহরের কিনারে অবস্থিত এই অভয়ারণ্য বেশি পরিচিত ‘ভরতপুর বার্ড স্যাঙ্কচুয়ারি’ নামে। ভারতের বৃহত্তম পাখিরালয়। নভেম্বর থেকে মার্চ যা হয়ে ওঠে পাখি দেখার স্বর্গরাজ্য। দিল্লি থেকে দূরত্ব ১৮২ কিমি। আগ্রা – জয়পুর জাতীয় সড়কের পাশেই পাখিরালয়ের প্রবেশদ্বার। যা আগ্রা থেকে ৫৫ কিমি ও জয়পুর থেকে ১৭২ কিমি। ২৯ বর্গ কিমি এলাকা জুড়ে এই অভয়ারণ্যে গড়ে উঠেছে পাখিরালয়। ১৯৮১ তে জাতীয় উদ্যানের শিরোপা পায় এই পাখিরালয়। মূলতঃ শুষ্ক পর্ণমোচী বৃক্ষ, ঝোপঝাড়, জলাভূমি ও ঘাসের জঙ্গল – এই নিয়ে অভয়ারণ্য। স্টর্ক, হেরন, বিল, ডাস্ক, কর্মোরান্ট, স্যান্ডপাইপার সহ প্রায় ৩৬০ রকম প্রজাতির পাখির দেখা মেলে ভরতপুরে। এর মধ্যে একটা বড় অংশই পরিযায়ি পাখি বা মাইগ্রেটরি বার্ড। শীতের মরসুমে পাড়ি জমায় পৃথিবীর নানা দেশ থেকে। পাখি ছাড়াও এ জঙ্গলে আছে কিছু হরিণ, নীলগাই, সম্বর, বুনো শুয়োর ও নানা প্রজাতির সাপ। কদম, বাবুল, জাম এ জঙ্গলের উল্লেখযোগ্য গাছ। এছাড়াও রয়েছে বেড়, কয়ের ও কুশ ঘাসের জঙ্গল। “পাখ-পাখালির গান শুনিগে চল/ ঝর্ণা ধারার মত পাখির শব্দ কলকল…” সকাল ৭টায় খোলে পাখিরালয়ের গেট। রিক্সায় চড়ে জঙ্গলের ভিতরে...