Simlipal National Park Tour guide

Simlipal National Park Tour guide

Simlipal National Park and Bangriposi weekend trip guide সিমলিপাল(Simlipal National Park) !! নামটা বেশ জমকালো। কিন্তু জায়গাটা কেমন? ইন্টারনেট ঘেঁটে যা তথ্য পাওয়া যায় তাই দিয়েই সেরে নেওয়া হল যাবার পরিকল্পনা। সিমলিপাল ন্যাশনাল পার্ক আয়তনে ২৭৫০ বর্গ কিলোমিটার। গড় উচ্চতা ২০০০ ফুট।গভীর জঙ্গলে পরিপূর্ণ সুউচ্চ পর্বতমালা উড়িষ্যার উত্তর পূর্ব দিকে কোথাও বিস্তীর্ণ বা কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে রয়েছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল সিমলিপাল।উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গের সীমানা থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার। সড়কপথে কলকাতা থেকে দূরত্ব প্রায় ২৩০ কিলোমিটার। তাই কলকাতা ও শহরতলির মানুষজনের ক্ষেত্রে কাছাকাছির মধ্যে মনোরম অথচ অন্যরকম জায়গা এই সিমলিপাল। সিমলিপাল ন্যাশনাল পার্কের প্রবেশপথ প্রধানত দুটি। ১. পিথাবাটা ২. যোশীপুর। কাছাকাছি হোটেল বলতে বারিপাদায়( পিথাবাটা গেট থেকে ২০ কিমি) যথেষ্ট হোটেল আছে। বেশীরভাগ পর্যটক তাই বারিপাদা থেকেই সিমলিপাল যান। পিথাবাটা গেট দিয়ে ঢুকে আবার পিথাবাটা দিয়েই বেরিয়ে আসেন। কিন্তু আমরা হোটেল নিলাম বাংরিপোসি তে,সিমলিপাল রিসর্ট(One of the good resort near Simlipal national park)। পাহাড়ে ঘেরা উন্মুক্ত প্রান্তরের মাঝে ছোট্ট রিসর্ট,কলকাতা মুম্বাই জাতীয় সড়কের পাশেই। এখান থেকে পিথাবাটা গেট ৪৬ কিলোমিটার, এবং যোশীপুর গেট ৭০ কিলোমিটার। আমরা পিথাবাটা গেট দিয়ে ঢুকে যোশীপুর গেট দিয়ে বেরিয়ে যাব। তাতে সময় যেমন বাঁচবে বেশী, তেমনি জঙ্গলের অনেকটা জায়গা এক্সপ্লোর করা যাবে সীমিত সময়ের মধ্যেই। জঙ্গলের মধ্যেও যদিও থাকার যায়গা রয়েছে। বহির্বিশ্বের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে প্রকৃতির মাঝে ক দিন কাটাতে চাইলে এখানে থাকা যেতেই পারে। আমরা সকাল সাড়ে ছটায় বাংরিপোসির রিসর্ট থেকে রওনা দিলাম। বারিপাদা ছাড়িয়ে আমরা ঢুকতে শুরু করেছি জঙ্গলের রাস্তায়। গেট অবধি সরু পিচের রাস্তা।আশপাশের ভুমিরূপ উঁচুনিচু। মাঝে মাঝে খেজুর গাছ,পথের দু পাশে চাষের জমি। সদ্য ধান কাটা হয়েছে। ধূসর আগাছাগুলো শুধু রয়ে গেছে সোনালী ধানের স্মৃতি হিসেবে। দূরে দেখা যাচ্ছে কুয়াশামাখা পাহাড়। মাঝে মাঝে আদিবাসী গ্রাম। মুঠোফোনের নেটওয়ার্ক যাওয়া আসা করতে লাগল।...
Bonda Tribe : The Oldest and Primitive tribe of Mainland India

Bonda Tribe : The Oldest and Primitive tribe of Mainland India

THE OLDEST AND MOST PRIMITIVE TRIBE IN MAINLAND INDIA : BONDA TRIBE – এক আদি অনার্যের উপাখ্যান – ডাঃ কৌশিক মন্ডলের কলমে বন্ডা (বোন্ডা) জনজাতি বা Bonda Tribes হলো ভারতে বসবাসকারী প্রথম জনজাতি। আনুমানিক ষাট হাজার বছর আগে অধুনা আফ্রিকা থেকে যে আদিম জনগোষ্ঠী পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছিল বন্ডা তাদের অন্যতম। প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি যে জীবাশ্মবিদ (ফসিল-বিশারদ) এবং নৃতত্ত্ববিদরা বিস্তর গবেষণা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে আফ্রিকাই হলো আধুনিক মানব, বা হোমো স্যাপিয়েন্স-এর আসল আঁতুড়ঘর। আরো স্পেসিফিক্যালি বলতে হলে ইথিওপিয়া এবং সংলগ্ন আফ্রিকা। এই অঞ্চল থেকেই তখনকার মানুষ মাইগ্রেট করা শুরু করে। মাইগ্রেশনটা অবশ্য এক বারে নয়, বরং বেশ কয়েকটা কিস্তিতে হয়েছিলো। প্রথম কিস্তিটা আজ থেকে মোটামুটি ষাট-সত্তর হাজার বছর আগের কথা। সেবার বেশ কিছু আদিম নরনারী আফ্রিকা থেকে ‘Horn of Africa’ হয়ে অধুনা Yemen-এ পৌঁছাল, তার পর আরো এগোতে এগোতে বিভিন্ন ভাগে ছড়িয়ে পড়লো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটা অঞ্চলে। সেখানে তারা জঙ্গলের মধ্যে গোষ্ঠীগত ভাবে বসবাস শুরু করলো। এই আদিম নরনারীর একটা গোষ্ঠী হচ্ছে বন্ডা। পৌরাণিক আখ্যানে বর্ণিত বন্ডা সম্প্রদায়: বন্ডারা এসে যেখানে ঘাঁটি গাড়লো সেটাকেই পৌরাণিক কাহিনীতে দন্ডকারণ্য বলা হয়েছে। রামায়ণের গল্প অনুযায়ী রামচন্দ্র অ্যান্ড কোং এখানেই বনবাস যাপন করেছিলেন। এখান থেকেই সীতাহরণ হয়, আবার এখানেই লক্ষণের হাতে শুর্পনখার নাক কাটা যায়। শুধু রামায়ণ নয়, মহাভারতেও এই দণ্ডকারণ্যের উল্লেখ আছে। জায়গাটা অধুনা ওড়িশার কোরাপুট, মালকানগিরি, অন্ধ্র প্রদেশ, ছত্তিশগড়ের বস্তার জেলা হয়ে মহারাষ্ট্রের কিছুটা পর্যন্ত বিস্তৃত। পৌরাণিক আখ্যানগুলোয় দন্ডকারণ্য-কে রাক্ষসদের দেশ হিসাবে প্রজেক্ট করা হয়েছে। কনসেপ্টটা খুব সিম্পল! বহিরাগত আর্যদের কাছে ভারতের এই আদি ও আদিম বাসিন্দারা রাক্ষস ছাড়া আবার কি? কোথায় সেসব তপ্তকাঞ্চনবর্ণ, উন্নত গ্রীবা, তীক্ষ্ণ নাসা, বলিষ্ঠ চেহারাধারী পুরুষের দল, আর কোথায় এই কালোধূলো, প্রায়-উলঙ্গ, জংলী সব পাবলিক ! একদিকে ক্ষীণতটি, গুরুনিতম্ব, স্তন্যাভারে ন্যুব্জ সুন্দরীরা...
CHAPCHAR KUT – THE FESTIVAL OF JOY IN MIZORAM

CHAPCHAR KUT – THE FESTIVAL OF JOY IN MIZORAM

Chapchar Kut – The Festival of Joy in Mizoram – রেশমি পালের কলমে যখন দেখলাম ট্র্যাডিশনাল পোশাকে-মুকুটে-গয়নায় পুরোদস্তুর সাজুগুজু সত্ত্বেও মেয়েগুলো চড়া মেক-আপ করেনি আর ছবি তোলার সময় প্রাণখোলা মিষ্টি হাসিতে সোজাসুজি ক্যামেরার দিকে তাকাচ্ছে, ঘাড় বেঁকিয়ে মোহময়ী কটাক্ষ-ফটাক্ষ দিয়ে আবেদন-টাবেদন সৃষ্টি করার কোনো চেষ্টা নেই, আর এত্ত বড়ো একটা উৎসবের জমায়েত সত্ত্বেও শহরের এক কুচি আকাশও বিজ্ঞাপনের হোর্ডিংএ মুখ ঢাকেনি, তখন মনে হল যাক বাবা ঠিক জায়গাতেই এসেছি। হুজুগে সামিল হইনি, সামিল হয়েছি উৎসবে। সত্যিকারের উৎসবে। কলকাতা থেকে আইজল উড়ে আসা সার্থক। মিজোরামের বসন্তোৎসব চাপচারকুট। যদিও রঙ খেলার ব্যাপার নেই, বরং উপলক্ষটা অনেকটাই আমাদের নবান্নের মতো। ঝুমচাষের পর নতুন ফসল ঘরে তোলার আনন্দ উদ্‌যাপন। বিভিন্ন মিজো গ্রামে আলাদা আলাদা দিনে চাপচারকুট পালিত হলেও রাজধানী আইজলের মাঠে যে চাপচারকুট হয় তা সবচেয়ে জমকালো, আর পালন করা হয় প্রতি বছর মার্চের প্রথম শুক্রবার। ঘটনাচক্রে এ বছর সেদিনটা হোলি ছিল। সারা দেশে যখন বেলুন-পিচকিরি-আবিরের ‘হোলি হ্যায়’ হুল্লোড়, তখন ভারতের এক্কেবারে পুবপ্রান্তের পাহাড়ি শহরটাতেও রঙের মেলা। লালে-সাদায়-কালোয় কি অসম্ভব উজ্জ্বল রঙিন পোশাক ওদের! চোখ ফেরানো যায় না। শান্তিনিকেতনে বসন্তোৎসবে যেমন যারা নাচগান করে তারাই শুধু নয়, আমরা দর্শকরাও নিজেদের সাজিয়ে তুলি হলুদ শাড়িতে-পাঞ্জাবিতে, পলাশের মালায়, এখানেও ঠিক তেমনি ছেলেমেয়ে সকলেই সেজেছে ট্র্যাডিশনাল মিজো পোশাকে-গয়নায়। সমস্ত বড় অনুষ্ঠানের মতো চাপচারকুটও শুরু হল কেউকেটাদের ভ্যাজরং ভ্যাজরং দ্বারা পাবলিককে তুমুল বোর করার মধ্যে দিয়ে। আমার অগত্যা মাঠের গ্যালারিতে বসে বসে দেখতে লাগলাম সারা মাঠ জুড়ে বাঁশ পড়ছে। না না প্যান্ডেল হবে না। নাচ হবে – বাঁশের নাচ। ব্যাম্বু ড্যান্স বা ‘চেরাও’ উত্তর-পূর্ব ভারতসহ সারা দক্ষিণপূর্ব এশিয়াতেই বেশ জনপ্রিয়। এক-একটা দলে দশ-কুড়ি জন করে থাকে। ছেলেরা বাজনার তালে তালে বাঁশ এদিক ওদিক করে আর মেয়েরা বাঁশের এ পাশে ও পাশে পা দিয়ে দিয়ে নাচে। আইজলের চাপচারকুটে...
5 Offbeat Destinations for your Perfect Weekend Gateway

5 Offbeat Destinations for your Perfect Weekend Gateway

5 Offbeat destinations for your perfect Weekend gateway Written by Anindita and Sourav For most of us the best part of a week is weekends & we keep searching for weekend destinations to spend a few days away from the stressful daily life. But unfortunately now a days most of the common weekend gateways are so crowded that we miss the peaceful environment which we need to refresh our mind. So here we are suggesting you five offbeat destinations around kolkata with lesser crowd & more peace. 1. Vetnai (Wild life, Birds) Vetnai is a small lesser known village in Odisha’s Ganjam district. It is famous for Blackbuck. Here approximately 1600 blackbucks roam around freely. The landscapes and various types of birds will also lure you. If you have time, you can also add Monglajori bird sanctuary in your itinerary to view rare birds and some beautiful butterflies.   How to reach : You can take overnight train from Howrah to Brahmapur (Odisha). The convenient train is 12863 Howrah – Yesvantpur SuperFast Express which departs from howrah at 8.35 P.M. and arrives at Brahmapur (BAM) at 6 A.M. From Brahmapur there are regular bus services that can take you to Aska as well as Bhetnai. How to plan: Saturday : Reach Brahmapur in the morning and check-in to the Hotel. Then proceed to Vetnai by Auto. Return back to hotel in the evening. Sunday : You can stroll around the place or you may again go to Vetnai to observe Blackbuck. Or you can go to Pakidi village to see our national bird. After lunch you can go back to Brahmapur for night train. If you have...
Kuldiha Forest – A Weekend Destination in Orissa

Kuldiha Forest – A Weekend Destination in Orissa

Kuldiha Forest – A Weekend Destination in Orissa কুলডিহার জঙ্গলে Content by Sanghamitra Mondal   সারাটা বছরের কত সুখ-দুঃখের ঘটনা একটু একটু করে আমাদের স্মৃতির পাতায় জমা হতে থাকে আর যখন তাকে ছেড়ে আর একটা নতুন বছরে পা দিই মনটা আপনিই কেমন হু হু করে ওঠে। তাই শুরুটাই যদি একটা বেড়ানো দিয়ে হয় তবে মনটাও ফুরফুরে হয় আবার নতুন বছরটাকেও বেশি আপন মনে হতে থাকে! অবশ্য যারা কিনা বেড়ানো পাগল তারা বছরের যেকোনো সময়ই ঘুরতে যাওয়ার ঠিক একটা যুতসই কারণ খুঁজে মনকে বুঝিয়ে নেয়। যাই হোক আমরাও তাই নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে গোঁড়ার দিকেই ছোট্ট একটা ট্রিপের আয়োজন শুরু করে দিলাম। নামের মাধুর্যের কারণেই হোক বা কাছপিঠে বলেই হোক, কুলডিহা নামটা অনেকদিন থেকেই মাথায় বাসা বেঁধেছিল। যাবার দিন স্থির হল। ট্রেনের টিকিটও কেটে নিলাম। পরের পর্ব হল কোথায় থাকব আর কি দেখব! বিস্তর গুগুল সহায়তা আর মেলামেলির পর একটা নাম ও ফোন নাম্বার বের করলাম। মনোরঞ্জন দাশ! উড়িয়া এই ভদ্রলোকের দেওয়া মাথাপিছু চার হাজারি প্ল্যানটা বেশ ন্যায্য আর ঝক্কিহীন মনে হল! ব্যাস আরকি! হাওড়া থেকে সকাল 7.25 এর ফালাকনামায় চেপে বসলাম আরেক অজানাকে জানবার উদ্দেশ্যে। মাত্র ঘণ্টা তিনেকের রেলপথ। সকালের কাঁচা ঘুমটা সামান্য কেক-বিস্কুট দিয়ে ট্রেনেই পাকিয়ে নিয়ে যখন বালাসোর পৌঁছলাম গাড়ি স্টেশনে অপেক্ষা করছিল আমাদের জন্য। সময় নষ্ট না করে হোটেলের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। শান্ত নিরিবিলি, সবুজ মাঠ আর দূরের পাহাড়ের হাতছানি এরই মাঝে আমাদের ছোট্ট হোটেল। ঠিক যেমনটা সিনেমায় হয়। কিন্তু দুদিনের সফরে এসে হোটেলে বসে প্রকৃতি উপভোগ করার বিলাসিতা কি আর আমাদের সাজে! তাই একটু বিশ্রাম নিয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে বেরিয়ে পড়লাম পঞ্চলিঙ্গেশ্বর মন্দিরের উদ্দেশ্যে। দূরপাহাড়ি রাস্তার দুপাশে কখনও সবুজ জঙ্গল কখনও খোলা মাঠ এই নিয়েই চলতে থাকল আমাদের গাড়ি। এক জায়গায় মূর্তি বানানোর কারখানা দেখে...
Kotumsar Cave – Chattisgarh

Kotumsar Cave – Chattisgarh

Kotumsar Cave – An ancient cave in Chattisgarh আদিম কালের চাঁদিম হিম content written by Subhamay Pal অন্ধকার বেশ গাঢ়, একটা হ্যাজাকের আলোয় অন্ধকার দূর দুরস্ত, বরং আরো জাঁকিয়ে বসছে। পায়ের তলায় থকথকে কাদা, জলও আছে ইতিউতি। দেয়ালগুলো দিয়ে জল চুঁইয়ে পড়ছে। নভেম্বরের শেষ, বাইরে মিষ্টি ঠান্ডা হাওয়া, মনোরম জঙ্গল আর ভেতরে অদ্ভুত গুমোট, হালকা বোটকা গন্ধ। একটা সরু শ্যাওলা মাখা পাহাড়ের দেওয়ালের খাঁজ গলে, তার গা ঘেঁষে ঢুকেছি এর ভেতরে, হুড়মুড় করে প্রায় অনেকটা নেমে এসে এই কাদা মাখা জায়গায় থিতু হয়েছি। বেশ খানিক্ষন পরে চোখ ধাতস্থ হলো, এগিয়ে চললাম গুহার ভেতরে। ১৯৯৩ নাগাদ এই চুনাপাথরের গুহাটি ও আরো দুটি গুহা আবিষ্কার হয় এই সুন্দর নির্জন, ঘন জঙ্গলাবৃত কাঙ্গার ভ্যালি ন্যাশনাল পার্কের ভেতর। এই অঞ্চলটা ক্ষয়জাত পর্বত ও মালভূমির অপরূপ ভূমিরূপ সমৃদ্ধ। গুহাগুলি কোলাব নদীর শাখানদী কাঙ্গার এর কাছাকাছি বিখ্যাত কাঙ্গার লাইমস্টোন বেল্টে অবস্থিত। যে গুহার ভেতর সেঁধিয়েছি তার প্রথমে নাম ছিল গোপনসার কেভ; কিন্তু পরে কুটুমসার নামে বেশি বিখ্যাত হয় কাছাকাছি একটি গ্রাম কুটুমসারের নামে। এছাড়া কাছাকাছি একটি ছোট পাহাড়ের মাথায় আছে কৈলাশ গুফা বা কেভ। জুন থেকে অক্টোবর জলে ভরে থাকে এই গুহাগুলো, নভেম্বরেও জল থাকে অনেকসময়, কুটুমসারে ঢোকা গেলেও কৈলাশ গুফা তখনও বন্ধ। বস্তার অঞ্চল বায়োডাইভার্সিটির এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ। ক্ষয়জাত পর্বত, অসাধারণ সুন্দর ঝর্ণা ( তিরথগর, চিত্রকূট ), মালভূমির লালে ঘন সবুজের ছোপ। তবে এই গুহাগুলো হলো এই অঞ্চলের সবথেকে আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক দ্রষ্টব্য। গুহাটি ছত্তিসগড়ের বস্তার জেলার জগদলপুর থেকে ৪০ কিমি মতো দূরে, কাছেই তিরথগর ফলস। প্রধান গুহাটি প্রায় ২০০ মিটার লম্বা, এছাড়াও সমান্তরাল ও লম্বালম্বি বেশ কিছু গলি চলে গেছে বিভিন্নদিকে। ভাইজাগ থেকে কিরণডৌল প্যাসেঞ্জার এ পূর্বঘাট ভেদ করে উড়িষ্যার অসাধারণ খনিজ অঞ্চল পেরিয়ে বিকেলে জগদলপুর বা রায়পুর পর্যন্ত ট্রেনে এসে বাস বা গাড়িতে...