5 Offbeat Destinations for your Perfect Weekend Gateway

5 Offbeat Destinations for your Perfect Weekend Gateway

5 Offbeat destinations for your perfect Weekend gateway Written by Anindita and Sourav For most of us the best part of a week is weekends & we keep searching for weekend destinations to spend a few days away from the stressful daily life. But unfortunately now a days most of the common weekend gateways are so crowded that we miss the peaceful environment which we need to refresh our mind. So here we are suggesting you five offbeat destinations around kolkata with lesser crowd & more peace. 1. Vetnai (Wild life, Birds) Vetnai is a small lesser known village in Odisha’s Ganjam district. It is famous for Blackbuck. Here approximately 1600 blackbucks roam around freely. The landscapes and various types of birds will also lure you. If you have time, you can also add Monglajori bird sanctuary in your itinerary to view rare birds and some beautiful butterflies.   How to reach : You can take overnight train from Howrah to Brahmapur (Odisha). The convenient train is 12863 Howrah – Yesvantpur SuperFast Express which departs from howrah at 8.35 P.M. and arrives at Brahmapur (BAM) at 6 A.M. From Brahmapur there are regular bus services that can take you to Aska as well as Bhetnai. How to plan: Saturday : Reach Brahmapur in the morning and check-in to the Hotel. Then proceed to Vetnai by Auto. Return back to hotel in the evening. Sunday : You can stroll around the place or you may again go to Vetnai to observe Blackbuck. Or you can go to Pakidi village to see our national bird. After lunch you can go back to Brahmapur for night train. If you have...
Hidden Treasure of West Bengal-Yelbong

Hidden Treasure of West Bengal-Yelbong

Hidden Treasure of West Bengal-Yelbong Are you a nomad? Do you love hills more than anything? Got love for adventure? Got love for hilly rivers? Does outdoor Camping under the starry night or beside a hilly river amidst of jungle excites you? Do you love to explore hidden beautiful waterfalls or mother nature’s beautiful rare creation the ”River Canyon” ,which is seldom found?Does the chirping of birds,kiss of lovely butterflies ,sound of a flowing river and sudden sound of silence provide foods to your soul? Do you love to hear the hymns in a calm place far from madding crowd while sitting idle at a rock or resting in a hammock in front of your tent? Do you love those amateur jamming sessions with guitar/ukulele/flutes around a bonfire with local drinks and smells of smoked chicken? If all the answer is yes and you are searching for a such place then your search ends here in Yelbong, a tiny rural hilly hamlet in Kalimpong district of West Bengal with lovely villagers who are ready to welcome you and show you the hidden treasures, mother nature kept around them and they are protecting them very well. Let me introduce this very beautiful place which is very lesser known to many a travel bugs.   Reaching there:: You have to take the road via Bagrakot to reach the village,last 4 km is only accessed by foot or 4×4 car (available on request). It’s near to New mal Jn and from Siliguri it will take around 2.5 hours.The distance from bagrakot is around 18km.Last 4km is only accessed either by foot or...
Weekend Trip To Lepchajagat and Singell Tea Estate

Weekend Trip To Lepchajagat and Singell Tea Estate

Weekend Trip To Lepchajagat and Singell Tea Estate লেপচাজগৎ দার্জিলিং হিমালয়ে ৬৯০০ ফুট উচ্চতায়, আরণ্যক পরিবেশে, নৈস্বর্গিক শোভায় ভরা এক ছোট্ট গ্রাম। ঘুম – সুখিয়াপোখরি সড়কের উপর, ঘুম থেকে ৮ কিমি দূরে অবস্থান লেপচাজগতের। পাহাড়ের রানি জনপ্রিয় শৈল শহর দার্জিলিংয়ের জাকজমকের অন্তরালে থাকা, অল্পচেনা এই সুন্দর পর্যটন গ্রামটির চারিদিকে বিস্তৃত পাইন, ওক ও রডোডেনড্রনের ঘন জঙ্গল। মেঘমুক্ত আকাশে জঙ্গলের মাঝে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে রাজকীয় কাঞ্চনজঙ্ঘার শ্বেতশুভ্র পর্বত শিখর, লেপচাজগতের শোভা বর্ধন করে। ‘ড্যাং’, ‘ক্যাং’ বা ‘গ্যাং’ – অর্থাৎ দার্জিলিং, কালিম্পং বা গ্যাংটক, বেশ কয়েকবার ঘোরা হয়ে গেছে। এখন দার্জিলিংয়ের পাহাড়ে ছুটে চলা কোন অল্পচেনা ট্যুরিস্ট স্পট বা অপরিচিত পাহাড়ি গ্রামের আকর্ষণে, যেখানে অখন্ড প্রাকৃ্তিক সৌন্দর্যের সাথে মিলে মিশে থাকবে শান্ত, নিরিবিলি, নির্মল এক পরিবেশ। আর তার সাথে যদি মেলে হোম স্টেতে থেকে স্থানীয় পাহাড়িদের আতিথেয়তা। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে (২০১৭ সালে) ছোট্ট ভ্রমণ সূচিতে বেরিয়ে পড়েছি এমনই অল্পচেনা গ্রাম লেপচাজগৎ আর তার সাথে ‘সিঙ্গেল’ চা বাগানের উদ্দেশে। আগের রাতে কলকাতা স্টেশন থেকে গরীব রথ এক্সপ্রেসে চেপে সকাল ন’টা নাগাদ নামলাম নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে। সেই চেনা এন জে পি স্টেশনের বহু পরিচিত জিপ স্ট্যান্ড। দার্জিলিং গামী একটি শেয়ার জিপে চেপে বসলাম। ঘুম পর্যন্ত যাব। গাড়ি পাহাড়ে ওঠার পর, নতুন তৈরি হওয়া রোহিনি রোড ধরে গাড়ি ছুটল কার্শিয়াং অবধি। ব্রেথটেকিং ভিউ এ রাস্তাটিতে। কার্শিয়াং পৌঁছানোর পর ঘিঞ্জি হিলকার্ট রোডে পড়লাম। তারপর দিলারাম, সোনাদা  পেরিয়ে ঘুম স্টেশনে নেমে পড়লাম আমরা। ৭৪০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত ঘুম স্টেশনটি দার্জিলিং হিমালয়ান রেলের তথা দেশের উচ্চতম রেল স্টেশন। আগে থেকে বুক করে রাখা হোম স্টে থেকে পাঠানো গাড়িতে ঘুম থেকে আধ ঘণ্টায় পৌঁছে গেলাম লেপচাজগতের পাখরিন হোম স্টে তে। লেপচাদের জগৎ। কয়েক ঘর লেপচা ও তামাং পরিবারের বাস এই গ্রামে। লেপচাজগতে প্রবেশ করেই মূল সড়কের পাশেই তামাং...
NEORA VALLEY NATIONAL PARK TREK, 4th part

NEORA VALLEY NATIONAL PARK TREK, 4th part

উপত্যকায় শরীর মুড়ে চতুর্থ দিন ভোর এলো এখানেও…… ঠিক আগল আলগা করে জড়োসড়ো হয়ে নয়; আধশোয়া ভোরের ঘুম ভাঙালো ধোঁয়া ওঠা চায়ের মতো আবছায়া কুয়াশা। এই তো সেই সময়, যখন ভালোবাসার দেখা পেয়ে গাছ হয় আনত, ফসল আভূমি চুম্বন করে, রোদ খিলখিলিয়ে হেসে ওঠে। সামনের উপত্যকা ভালোবাসায় ভরিয়ে দেয় সুন্দর সকালকে, সবুজ, হলুদ ঢেউ খেলে যায় আজ সকালের আমন্ত্রণে। নিচে তোদে-তাঙটা বা তামটা ভ্যালি আড়মোড়া ভেঙে সেজেগুজে টুকটুকে হয়ে আমায় দেখছে অবাক চোখে। তার গা ভর্তি সোনালী গম, মাথায় সবুজ চুলে সোনালী মুকুট, কানে, গলায় সোনার ঝিকিমিকি, এক্কেবারে সালংকারা। আয়েশ করে সকালের রোদে পিঠ দিয়ে পাথরের ওপর আমরা সবাই চা নিয়ে বসে গল্পে মশগুল হলাম; জোসেফ এ অঞ্চলের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা বলছিলো। আমরাও শেয়ার করছিলাম আমাদের ছোটোখাটো হাঁটার গল্প। প্রথম যখন লাভা থেকে আসবো ভেবেছিলাম তখন কি হয়েছিল তাতো আগেই বলেইছি, আরেকটা অভিজ্ঞতা বলি। তখন ও জানিনা কোথা থেকে ট্রেক করলে সুবিধা, তখন আমি আলিপুরদুয়ারে; আমরা ঠিক করলাম নেওড়াভ্যালি হাঁটবো, যেমন ভাবা তেমন কাজ, তিন চারজনে এক শীতকালে বেরিয়ে পড়লাম, সালটা ২০০৪ মনে হয়। এলাম ঝালং হয়ে তামটা ভ্যালি, কাউকেই পেলামনা যে বলতে পারে কি করে, কোন রাস্তায় ট্রেকটা করা যায়। কোথায় গিয়ে এ জঙ্গল শেষ হবে তাও ঠিকঠাক জানিনা, শুধু জানি এ ঘন জঙ্গলে আমরা হাঁটবো। কোনো ফরেস্টের লোকজন ও চোখে পড়লোনা। যাক, আমরা শুরু করলাম হাঁটা, ছোট ছোট চোরাবাটো দিয়ে হাঁটতে শুরু করলাম। জানিনা কোনদিকে যাচ্ছি, কেন জানি হঠাৎ করে চাঁদের পাহাড় মনে পড়ছিলো, অন্ধকার জঙ্গল, বিশাল বিশাল গাছ, নিচেও লতাপাতায় পা জড়াচ্ছে, আমরা চলেছি। পথে হঠাৎ একটি লোকের দেখা পেয়ে হাতে চাঁদ পেলাম; ও তো আমাদের দেখে ভয় পেয়ে গেলো, আমরা অনেক কষ্টে বোঝালাম যে আমরা প্রায় ঘন্টা চারেক হাঁটছি, কিন্তু কোনদিকে যাচ্ছি কিছুই বুঝতে পারছিনা। ভীষণ...
NEORA VALLEY NATIONAL PARK TREK, 3rd part

NEORA VALLEY NATIONAL PARK TREK, 3rd part

ট্রেকের তৃতীয় দিন আলুবাড়ি ক্যাম্পে ভোর এলো একেবারে আগল আলগা করে। ট্রেক এ সাধারণত রাতে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়াই দস্তুর, এখানেও ব্যতিক্রম হয়নি। ভোররাত থেকে জেগে স্লিপিং ব্যাগের ভেতরে শুয়ে, কাঠেরবাড়ির ফাঁকফোঁকর দিয়ে যখন আলোর আবছা অস্তিত্ব ঘরের মধ্যে টের পেলাম, উঠে পড়লাম। বেরোলাম বাইরে, অল্প আলোয় তীব্র ঠান্ডায় জড়োসড়ো নেওড়াভ্যালি; এই ক্যাম্প থেকে নিচের ঢালে অন্ধকার জঙ্গলের গায়ে মাথায় আলোর ছোঁয়া, শিরশির করা এক ঠান্ডায় যেন আস্তে আস্তে ঘুম ভাঙছে পৃথিবীর, ডানা খুলে দিয়ে সব রূপ রস গন্ধ মেলে ধরছে সকালের নরম আলোয়। নির্বাক এক সময়ের সাক্ষী আমি, পাখিরা আস্তে আস্তে জাগছে, দূরে কোথায় একটানা কিচিরমিচির, বেশ একটা উৎসব উৎসব আমেজ জঙ্গলের শরীর জুড়ে। আলো খেলা করছে নিচে নদীতে, পাশের ঘন ঝোপে, নিচের হলুদ সবুজ বনে, ফুলে ফলে পাতায় পাতায়। শিশির ভেজা বারান্দায় বসে আছি, চা এলো মনের খবর নিতে; এলো বাকি বন্ধুরাও, কোনো কথা নেই, চুপচাপ চায়ে আর সোনাঝরা সকালের জঙ্গলে একসাথে চুমুক দিচ্ছি। ভোরের জঙ্গলের রূপে যখন মাতালপ্রায়, জোসেফ পাখির সালতামামি শুরু করলো, নেশা গেলো চটকে। তখন ভালো লাগছিলোনা এতো পড়াশুনা, একটু দূরে এগিয়ে হাঁটতে শুরু করলাম, পাখিও দেখলাম, নাম জিজ্ঞেস করিনি, ভালো আছো কিনা শুধু এটুকুই ছিল জিজ্ঞাস্য; এপাশ ওপাশ ঘুরে আবার তরতাজা হয়ে ফিরলাম গোছগাছ শুরু করতে। গোছগাছ করে একেবারে জলখাবার খেয়ে আজকের দিনের জন্য রেডি; আজ হাঁটবো রাচেলা পাস বা রাচেলা দাঁড়া হয়ে রুখা ক্যাম্প। জোসেফের মুখে শুনলাম আজ জঙ্গল আরো ঘন, এবং চড়াই ও আছে খানিক। শুরু হলো হাঁটা, গাছের চরিত্র ও আস্তে আস্তে পাল্টাতে শুরু করলো, শাল, ওকের জায়গা নিলো বাঁশ, রডোডেনড্রন। ঘন জঙ্গল, নিরবিচ্ছিন্ন অন্ধকার মাঝে মাঝে, উচ্চতাও বাড়ছে অল্প অল্প করে, আকাশ পরিষ্কার, কিন্তু জঙ্গল ভেদ করে রোদ্দুর আসছেনা, স্যাঁতস্যাঁতে ভাব সব জায়গায়। ঘন্টাখানেক হাঁটার পর একটু সমতল, মাটিতে বালির...
সপ্তাহান্তে ঝান্ডি ও কোলাখামের পথে

সপ্তাহান্তে ঝান্ডি ও কোলাখামের পথে

ছোট্ট ছুটিতে চলেছি উত্তর বঙ্গের পাহাড়ে, মে মাসের গ্রীষ্ণের দাবদাহ থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে। গন্তব্য ঝান্ডি ও কোলাখাম। পূর্ব হিমালয়ের কোলে, অধুনা কালিম্পং জেলায়, পরিচিত পর্যটন স্থল লাভার আশেপেশে এ দুটি অল্পচেনা পাহাড়ি গ্রাম। ঝান্ডির পথেঃ   শিয়ালদা থেকে সাড়ে আটটার কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসে চড়ে পরদিন সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ পৌঁছলাম নিউ মাল জংশন স্টেশনে। শিলিগুড়ির পর থেকে চা বাগান ও ডুয়ার্সের জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে, নানান পাহাড়ি নদীর উপর ব্রীজ পেরিয়ে এ রেল যাত্রা খুবই মনোরম। ডুয়ার্স ভ্রমণের গেটওয়ে নিউ মাল। মালবাজারে এখন অসহ্য গরম। এযাত্রায় আর সমতলের গরমে না থেকে পাহাড়ের ঠান্ডায় যাওয়া ঠিক করেছি। এখান থেকে ঝান্ডি ৩২ কিমি। ঘন্টা দেড়েকের রাস্তা। ঝান্ডিতে আমাদের বুকিং ‘ঝান্ডি ইকো হাট’এ। সেখান থেকেই গাড়ি পাঠিয়েছিল আমাদের জন্য নিউ মাল স্টেশনে। অল্প বয়সী নেপালি ড্রাইভার অনিল শর্মা, বেশ ভদ্র ও বিনয়ী। নানান চা বাগানের মধ্যে দিয়ে পথ। পথে পড়ল লোয়ার ফাগু টি এস্টেট। খানিকটা ড্রাইভারের জোরেই চললাম ফাগু টি বাংলো দেখতে। মূল রাস্তা ছেড়ে কয়েক কিমি বন্ধুর পথ। বাংলোটিতে পৌঁছে মন ভরে গেল। ফাগু টি এস্টেটের মাথায়, বহু পুরানো ব্রিটিশ আমলের হেরিটেজ বাংলো। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণ চমৎকার। এক কর্মচারী থাকার ঘর গুলি ঘুরিয়ে দেখাচ্ছিল। মুখ্যমন্ত্রীও নাকি এসে থেকে গেছে এই বাংলোয়। বাংলোর হাতা থেকে দেখা যায় ডুয়ার্সের উপত্যকার দারুণ এক দৃশ্য। বারান্দায় বসে চা পান করে আবার চলা। এরপর পথে পড়ল গরুবাথান। এক আধা পাহাড়ি, নেপালি জনপদ। স্থানীয় নাম সোমবারে। পথের বাঁদিকে দেখা হল ‘চেল’ (Chel) নদীর সাথে। লাভাগামী মূল সড়ক ছেড়ে বাঁহাতি রাস্তায় চেল নদীর উপর কাঠের ব্রীজ পার হলাম। নদীর রূপ দেখে থামতে হল কিছুক্ষণ। নদীবক্ষে ছোট বড় অনেক প্রস্তরখন্ড। তার মধ্যে দিয়ে সশব্দে বয়ে চলেছে খরস্রোতা নদীটি। চারিপাশ সবুজ পাহাড়ে ঘেরা। সে দৃশ্য ক্যামেরা বন্দী করে আবার চলা। এরপর আপার...