TRAVEL GUIDE ON NAMCHI RAVANGLA PELLING

TRAVEL GUIDE ON NAMCHI RAVANGLA PELLING

Reading Time: 9 minutesGANGTOK, NAMCHI, RAVANGLA AND PELLING IN 3 NIGHTS 4 DAYS – by Anindita Barui We, Bengalis, are known for our passion for travelling. Whenever we get a chance we strat making plans for a holiday. Be it a weekend trip or a long holiday we are always ready to explore new places. Me & my husband are no different. Last year two of us along with our two friends suddenly made a plan for Ravangla in South Sikkim. 3 NIGHTS – 4 DAYS ITINERARY Day 1 : Reach Gangtok & go for sightseeing. Night stay at Gangtok. Day 2 : Travel from Gangtok to Ravangla. Enroute Temi Tea Garden & Namchi. Night stay at Ravangla. Day 3: Maenam hill trek. Night stay at Ravangla. (We had a back up plan to visit Pelling on this day as there was a chance for raining). Day 4 : Ravangla sightseeing & return to NJP. So after all the bookings, we started our journey on 27th april, 2018. We had our booking in ‘Uttarbanga Express’ from sealdah station to reach New Jalpaiguri. After reaching New Jalpaiguri in the next morning, we hired a car for Gangtok. Luckily, it was a sumo & costs 2500 rupee only after bargaining. So whenever you are hiring a car outside NJP railway station, must bargain with the driver. Our plan was to reach gangtok before lunch. But due to heavy traffic we reached ‘Deorali’ at 3.15 pm. From here one has to take another car to reach gangtok. The distance is almost 5km & it charged Rs. 300 for the trip. So finaly...
Top 12 Places to Visit in India in March

Top 12 Places to Visit in India in March

Reading Time: 10 minutesTop 12 Places to Visit in India in March March is considered as the end of tourism season in India. Though the temperature starts to rise by the end of the March, it is the best time to visit many places in India. Moreover peoples from different part of India begin celebrating various fun packed festivals in this month. So, it is the ideal time to visit as well as to enjoy festivals. Let’s discuss about the places where people can visit in March. 1. Shantiniketan Where : West Bengal, India MajorAttractions : Visva Bharati University, Chhatimtala, Khoai, Amar Kutir, Sonajhuri, Kopai River Famous for : Sightseeing, Festival, Shopping, Culture Shantiniketan is an ideal place specially for the literature and culture lovers. It is around 160 km from Kolkata. So, the people around Kolkata can easily visit to Shantiniketan in any weekend. In march, Holi is celebrated as Basanta Utsav here. This festival was started by famous Bengali poet and Nobel Laureate Rabindranath Tagore in his Vishva Bharati University at Shantiniketan. The celebrations start a day earlier than Holi. Now a days, a huge number of tourists arrive every year at Shantiniketan as they want to witnes and participate in these celebrations. Therefore, you can consider a weekend trip here in March. To know more in you can visit this link. 2. Aizawl Where : Mizoram, India Major Attractions : Hmuifang, Serchhip, Lunglei, Durtlang Hills, Tamdil Lake Famous for : Hills, Nature, Culture, Festival Aizawl, the state’s capital city, is located in a picturesque setting on the ridges of hills overlooking valley and hill ranges beyond....
WEEKEND TRAVEL GUIDE ON MAYAPUR

WEEKEND TRAVEL GUIDE ON MAYAPUR

Reading Time: 7 minutesWeekend Travel guide on Mayapur : মায়াপুরের খোঁজখবর – চন্দ্রনাথ মারিকের কলমে মায়াপুর নামটির সাথে আমরা কমবেশি সকলেই পরিচিত। নবদ্বীপে গঙ্গা এবং জলঙ্গি নদীর সংগমস্থলের তীরে অবস্থিত একটি ছোট্ট শহর হলো এই মায়াপুর। পশ্চিমবঙ্গের এই জায়গাটি কলকাতা থেকে মাত্র ১৩০ কিমি। ইস্কন এর মূল মন্দিরের জন্য বিখ্যাত এই পবিত্র মায়াপুরে প্রতি বছর কয়েক লাখ দর্শনার্থী আসেন। আসুন, জেনে নেওয়া যাক এই মায়াপুর ভ্রমণের খুঁটিনাটি। কিভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে ট্রেনে যেতে গেলে হাওড়া বা শিয়ালদহ থেকে কাটোয়া লোকাল ধরে নবদ্বীপের আগের স্টেশন বিষ্ণুপ্রিয়া হল্টে নেমে যাওয়াটাই সুবিধাজনক। সেখান থেকে ১০ টাকা ভাড়ায় টোটো বা সাইকেল ভ্যানে চেপে ৫ মিনিটে লঞ্চঘাট। তবে বিষ্ণুপ্রিয়া হল্টে সব ট্রেন দাঁড়ায় না , সেক্ষেত্রে নবদ্বীপ স্টেশনে নেমে লঞ্চঘাট আসতে হবে।  এরপর  লঞ্চে ৩ টাকার টিকিটে ২৫-৩০ মিনিটে মায়াপুরের হুলোর ঘাটে নেমে পরতে হবে। সেখান থেকে আবার ১০ টাকায় টোটোয় বা পদব্রজে মায়াপুরের ইস্কন মন্দিরে।শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর লোকালে কৃষ্ণনগরে নেমেও যাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে স্টেশনের বাইরে থেকে ২০ টাকা ভাড়ায় অটোয় চাপলে স্বরূপগঞ্জের ঘাটে পৌঁছাতে প্রায় ৪০-৪৫ মিনিট লাগবে। ঘাট থেকে ২ টাকার টিকিটে নৌকা চেপে ৫ মিনিটে মায়াপুরের হুলোর ঘাটে নেমে যেতে পারবেন। কলকাতা থেকে প্রায় ১৩০ কিমি দূরত্বে মায়াপুরে গাড়ি নিয়ে গেলে রাণাঘাটে চূর্ণী নদীর বড় ব্রীজ পেরিয়ে বাঁ দিকে শান্তিপুরের রাস্তায় না গিয়ে ডানদিকের বাদকুল্লার রাস্তা ধরলে ৭-৮ কিমি রাস্তা কম হয়, কিন্তু যাওয়ার সময় ওয়ানওয়ে থাকায় শান্তিপুর হয়েই কৃষ্ণনগর পেরিয়ে বাহাদুরপুরের জংগলের পাশ দিয়ে NH34 ধরে চলে আসতে পারবেন মায়াপুরে। ফেরার পথে বাদকুল্লা হয়ে ফিরতে পারবেন। ২৪ ঘণ্টা গাড়ি পার্কিং এর জন্য ১০০ টাকা নেবে।পার্কিং করার নির্দিষ্ট জায়গা আছে। মূল মন্দিরের সামনে গাড়ি আসেনা। পায়ে হেটে আসতে হবে। কলকাতা থেকে মায়াপুরে আসবার আর একটি সুবিধাজনক উপায় হোল কলকাতাস্থিত মায়াপুরের অফিস...
GOA IN MONSOON : A travel guide

GOA IN MONSOON : A travel guide

Reading Time: 8 minutesGoa in monsson – Greenery, Romanticism at its best – by Anindita Barui Guess the best time to visit Goa? If you love nature and greenery & want to enjoy rain at a less crowded beach then Goa is the perfect monsoon destination for you. In my opinion monsoon is the best time to visit goa. Yes you spell it correctly. It is Goa. Though Goa is known for the fun parties & water activities in winter, one can discover Goa in a completely different manner in monsoon(& that’s way more romantic!). So monsoon is the best season to visit this place. Goa is magnificent in rains. Goa’s weather remain plesent this time thus this is ideal time to visit here. Everywhere you look, it’s lush green & the beaches are almost deserted. The only sound you hear is the roaring of the sea and the temperature of Goa remain liberate. Romanticism and Monsoon Goa are the synonyms… Monsoon is treated as off season in Goa as a result it is super cheap in monsoon. Most of the beach shacks remains closed during this season, so one can get a discount at hotels very easily. You can stay at a luxury resort by spending the price of budget ones. Also the air tickets are cheap at that time. Imagine, you are roaming around the  beaches, holding your loved one’s hand and in the background there are green palm trees and the rolling hills. There are almost none in the beaches. Suddenly the rain comes and you both get drenched. Does it sound romantic? So, now it’s...
Serampore Denmark Tavern – Day trip from Kolkata

Serampore Denmark Tavern – Day trip from Kolkata

Reading Time: 3 minutesSERAMPORE DENMARK TAVERN, WHERE THE HISTORY IS RESTORED – ডেনমার্ক ট্যাভার্ন – ডঃ সন্দীপ পালের কলমে Want to spend one day with the history of 232 years old? then you should visit Serampore Denmark Tavern. ওপরের ছবিটি দেখছেন? এটি ১৭৯০ সালে পিটার আনকার-এর আঁকা – নদীটি আমাদের গঙ্গা, আর যে ঘাটটি দেখতে পাচ্ছেন সেটা হল হুগলীর শ্রীরামপুর ঘাট। ডানদিকে যে দোতলা বাড়িটি দেখতে পাচ্ছেন সেখানেই গিয়েছিলাম সেদিন কলেজ থেকে ফেরার পথে। কেমন যেন গুলিয়ে যাচ্ছে তাইতো? গোলানোটাই স্বাভাবিক! বলতে পারেন এক ধাক্কায় ২৩২ বছর পিছিয়ে গিয়ে সাক্ষাৎ ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম বেশ কিছুক্ষন। সম্বিৎ ফিরল সন্ধ্যে নামার আগে গঙ্গার ঠান্ডা বাতাসে। কয়েকবছর আগেও ওই ছবির বাড়িটির ভগ্নাবশেষ দেখেছি। সংস্কার করে আগের অবস্থায় পৌঁছে দেওয়ার সুন্দর প্রয়াস। এটিই হল শ্রীরামপুরে গঙ্গার ধারের “ডেনমার্ক ট্যাভার্ন”। একবেলা ঘুরে আসলে খারাপ লাগবেনা হলফ করে বলতে পারি। রেস্টুরেন্ট, ক্যাফে তো আছেই – আর যেটা আছে সেটা হল গঙ্গার ধারে ইতিহাসের কোলে বসে নির্ভেজাল বাঙালী আড্ডা। পথনির্দেশ: হাওড়া-ব্যান্ডেল লাইনে শ্রীরামপুর স্টেশনে নেমে টোটো কে বললেই হবে – “ডেনমার্ক ট্যাভার্ন” – ১০ টাকায় ইতিহাস দর্শন। ঘাট পেরিয়ে যদি আসেন ব্যারাকপুরের ধোবিঘাট পেরিয়ে শ্রীরামপুর ঘাটে নেমে বাঁদিকে যে গলিটায় সাইকেল রাখা থাকে ওটা ধরে সোজা মাত্র ৫ মিনিটের হাঁটাপথ। Photo Courtesy and Content writer : Dr. Sandip Pal Assistant Professor, Department of Zoology, Barrackpore Rastraguru Surendranath,College...
SARNATH : The land of buddhism

SARNATH : The land of buddhism

Reading Time: 5 minutesSARNATH the land of buddhism- ঋষিপত্তন বা সারঙ্গনাথের রাজপাট – শিবাংশু দের কলমে Sarnath : The land of buddhism “…. বারাণসির উত্তর-পূর্বদিকে বরণা ( বরুণা) নদী পেরিয়ে ১০ লি মতো গেলে ‘লু ঈ’ বা মৃগদাব সঙ্ঘারামের দেখা পাওয়া যায়। এর সীমানা আট ভাগে বিভক্ত, একটি ঘেরা দেওয়াল দিয়ে সব গুলি সংযুক্ত রয়েছে। কয়েকতল উঁচু বুরুজগুলি সংলগ্ন ঝুলবারান্দা ও সেগুলির কারুকাজ খুব নিপুণ হাতের কাজ। এই সঙ্ঘারামটিতে ১৫০০ মতো ভিক্ষু রয়েছেন। তাঁরা হীনযান মতের সম্মতীয় শাখার উপাসক। বিরাট সীমানার মধ্যে প্রায় দুশো ফুট উঁচু একটি বিহার দেখলাম। তার শীর্ষদেশে একটি সোনায় মোড়া আমের প্রতিকৃতি রয়েছে। দালানগুলির ভিত্তি পাথরের। সিঁড়িও পাথরের, কিন্তু বুরুজ ও কুলুঙ্গিগুলো ইঁটের তৈরি। কুলুঙ্গিগুলো চারদিকে একশোটি সারিতে সাজানো ও তার প্রত্যেকটিতে একটি করে সোনার বুদ্ধমূর্তি রয়েছে। বিহারের মধ্যে দেশি তামা দিয়ে তৈরি একটি বুদ্ধমূর্তি। ধর্মব্যাখ্যানের রত এই মূর্তিটির আকার স্বাভাবিক মানুষের সমান।“ মূলগন্ধকুটিবিহারের এই বর্ণনা করেছিলেন হিউ এন সাং আনুমানিক ৬৪০ সালে। তাঁর বিবরন পড়ে মনে হয় চতুর্থ ও পঞ্চম শতকে গুপ্তযুগে নির্মিত  এই বিহারটি সেই সময় পূর্ণ গৌরবে বিরাজ করতো। বুদ্ধ নিজে তাঁর অনুগামীদের যে চারটি স্থানকে ‘অভিজাহিতাত্থানানি’ অর্থাৎ অপরিবর্তনীয়  তীর্থভূমি বলে নির্দেশ দিয়েছিলেন ঋষিপত্তনের  মৃগদাব, যেখানে মূলগন্ধকুটিবিহার নির্মিত হয়েছিলো, তার অন্যতম। বাকি তিনটি লুম্বিনী, উরুবেলা (বোধগয়া) এবং কুশিনারা।  বৌদ্ধদর্শনের পবিত্রতম কেন্দ্র হিসেবে ঋষিপত্তনের বিহারটি সমগ্রবিশ্বে স্বীকৃত ছিলো। একটি রটনা আছে যে গৌড়ের রাজা শশাঙ্ক নাকি ঋষিপত্তনের বিহারটি বিধ্বস্ত করেছিলেন। এই রটনাটির সূত্র কিন্তু আবার এই হিউ এন সাং। তিনি ৬৪৪ সালে ভারত ত্যাগ করেছিলেন এবং তাঁর ঋষিপত্তন আগমন তার দুচার বছর আগেই। হিউ এন সাং ‘ধর্ম-ব্যাখ্যানে রত’ যে বুদ্ধমূর্তিটির কথা উল্লেখ করেছেন সেটি বুদ্ধের উপবিষ্ট ‘ধর্মচক্রপ্রবর্তনমুদ্রা’র প্রতিচ্ছবি। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী সেটি ধাতুনির্মিত ছিলো। কিন্তু ঊনবিংশ শতকে মূলবিহারের খননসূত্রে লব্ধ এই মুদ্রায় বুদ্ধের...