উইকএন্ডে ঝিলিমিলি – সাথে জঙ্গল মহলের সুতান, কাঁকড়াঝোড়

উইকএন্ডে ঝিলিমিলি – সাথে জঙ্গল মহলের সুতান, কাঁকড়াঝোড়

ঝিলিমিলি – সাথে জঙ্গল মহলের সুতান, কাঁকড়াঝোড় শান্ত নিরিবিলি পরিবেশে শালের জঙ্গলে ছাওয়া একটি টিলার উপর ইকো ট্যুরিজম রিসর্টের ট্রি হাউস। ট্রি হাউসের বারান্দায় বসে সারাদিন গাছে গাছে নানা পাখির ডাক শোনা, গাছের গায়ে কাঠবিড়ালিদের দাপাদাপি, বা নিচের জমিতে মুরগীদের খেলে বেড়ানো, টিলার নিচের জঙ্গল, মাঠঘাটের পানে চেয়ে সবুজের আস্বাদন, কখনও বা নিচে গ্রামের রাস্তায় দু একটি গাড়ির শব্দ। যেদিকে চোখ যায় শুধুই সবুজ আর সবুজ। উইকএন্ডে ঘুরে আসতে পারেন ঝিলিমিলি (Jhilimili)। সাথে জঙ্গল মহলের বন্য পরিবেশে তালবেরিয়া ড্যাম, সুতানের জঙ্গল, কাঁকড়াঝোড়, বেলপাহাড়ী। বাঁকুড়া জেলায় হলেও ঝিলিমিলির অবস্থান তিনটি জেলা – বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের সংযোগ স্থলের কাছে। শনিবার সকাল সকাল ইস্পাত এক্সপ্রেস ধরে পৌঁছে গেলাম ঝাড়গ্রাম। আরেকবার জঙ্গলমহলে ভ্রমণ। স্টেশন থেকেই গাড়িতে রওনা হলাম ৬৫কিমি দূরের ঝিলিমিলি। একে একে পার হলাম দহিজুড়ি, শিলদা, বেলপাহাড়ী, ভুলাভেদা। জঙ্গল মহলের এই সব জায়গা কয়েক বছর আগে অশান্তির কারণে থাকত খবরের শিরোনামে। তবে আজ একেবারে শান্ত। আজ জঙ্গল মহল সমস্ত অশান্তির স্মৃতি সরিয়ে নতুন ভাবে পর্যটনের স্বপ্ন দেখছে। সুন্দর পিচ রাস্তা চলে গেছে জঙ্গল ও আদিবাসী গ্রাম পেরিয়ে। বছর দুয়েক আগেও একবার এসেছিলাম এ পথে। সেবার ঝাড়গ্রাম থেকে ভুলাভেদা পেরিয়ে ‘লালজল’ ফরেস্ট অবধি এসেছিলাম। এবার ভুলাভেদা ছাড়িয়ে বাঁশপাহাড়ী পেরিয়ে আরো খানিকটা চলে দেড় ঘন্টাতেই পৌঁছে গেলাম বাঁকুড়া জেলার ঝিলিমিলি। ঝিলিমিলির বাজার থেকে আধা কিমি দূরে জঙ্গলে ঢাকা ‘রিমিল গেস্ট হাউস’ (Rimil Guest House)। টিলার উপর অবস্থিত রিমিল লজটি স্থানীয় পঞ্চায়েতের উদ্যোগে নব কলেবরে সেজে উঠেছে। ২০১৭ সালে গড়ে উঠেছে ইকো ট্যুরিজম। রিমিলে থাকার জন্য মূল লজের AC, non-AC রুম ছাড়াও আছে সুন্দর কটেজ ও সবচেয়ে আকর্ষণীয় দুটি ট্রি হাউস। আসল গাছের উপর নয়, কৃত্রিম ভাবে বানানো ‘গাছ বাড়ি’। সবুজের মাঝে নিরিবিলিতে দু একটি দিন অবকাশ যাপনের আদর্শ জায়গা ঝিলিমিলির এই রিমিল লজ।...
Mystic Amboli – An Uncharted Territory of Maharashtra

Mystic Amboli – An Uncharted Territory of Maharashtra

Mystic Amboli Amboli is a rain forest, and a popular honeymoon destination in Maharashtra for its beautiful waterfalls and lush green forest and wide mountain range of Western Ghat. But it is also a treasure trove of flora and fauna. Amboli is still an uncharted territory and new classification of flora and fauna are still being discovered. There are around 800 types of butterflies, numerous snakes, frogs, insects, orchids etc in this region and many of them are endemic to this region. There are also different types of birds like Oriental Dwarf Kingfisher, Cylon Frogmouth, Malabar whistling Thrush, Yellow-browed bulbul, White-rumped Shama, Black Eagle etc are found in abundance. But, it’s not easy to photograph them due to thick forest. Ideal time to visit: We went there specifically for reptile and amphibian photography. The best time to visit for the same is during June-Sept. For birding, the season starts from November. How to Reach: Amboli is a mountain range of Western Ghat. You need to cross it while going from Maharashtra to Goa. It’s around 350km from Pune, and 100km from Goa and 80km from Belgum. The nearest train station is Sawantbari, which is around 60km far. Accomodation: Most of the hotels are near the bus stand and the costs range from Rs. 800-1500. There’s a couple hotel/resorts are bit inside the jungle and in excellent location. One of them is Whistling Woods run by Mr. Hemant Ogale and it is just beside the MTDC resort. In Whistling Woods, a regular room costs Rs. 2400 a day, and Rs. 1800 for single occupancy. AC room costs Rs. 4000 and...
Vetnai – The Blackbuck Nation

Vetnai – The Blackbuck Nation

Vetnai – The Blackbuck Nation কোলকাতা থেকে উইকএন্ড প্ল্যান করে আপনারা ঘুরে আসতে পারেন উড়িষ্যার ভেতনইতে (Vetnai)। ছোট করে গল্পের শুরু জানতে হলে প্রায় ১০০ বছর ইতিহাসে ফেরত যেতে হবে। সেবার বর্তমানে ওডিশার গঞ্জাম জেলা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে প্রখর খরা হল। চাষ-বাস প্রায় যায় যায় অবস্থায়, এমন সময় গ্রামের লোকেরা একপাল কৃষ্ণসার হরিণ দেখলেন যা আগে কখনও গ্রামে দেখা যায়নি। অত্যাশ্চর্য ভাবে তীব্র খরা কাটিয়ে পরদিন বৃষ্টি নামল। তারপর থেকেই গ্রামের লোকেরা কৃষ্ণসার হরিণদের সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে প্রায় দেবদূত এর ন্যায় মর্যাদা দেওয়া শুরু করলেন। কৃষ্ণসারদের প্রতি এই মনোভাব আর ভালবাসার গ্রামটিই ভেতনই। যাওয়ার রুট: শুক্রবার সন্ধ্যায় অফিস করে, কলকাতা থেকে দক্ষিন ভারত গামী যে কোনও রাত্রের ট্রেন এ চেপে বসুন। চলে যান চিলকা হ্রদ এর পাশ দিয়ে, ওডিশার প্রায় শেষ প্রান্তে অবস্থিত ব্রহ্মপুর (Berhampur) অবধি। সকালে ট্রেন থেকে নেমে একটা লোকাল অটো নিয়ে পৌঁছে যান বাস স্ট্যান্ড । সেখান থেকে বাস ধরে আপনার ফাইনাল গন্তব্য আস্কা। প্রত্যেক ১০-১৫ মিনিট অন্তরে আস্কা’র বাস পাবেন। ঘন্টা খানেক এর মধ্যে সবুজ পাহাড়ে ঘেরা দারুন রাস্তা অতিক্রম করে বাস পৌঁছবে আস্কা। থাকার জায়গা: বাস স্ট্যান্ডের পাশেই কয়েকটা থাকা ও খাবারের হোটেল রয়েছে – নিশ্চিন্তে স্পট বুকিং পেয়ে যাবেন। বলে রাখা ভাল যে হোটেল গুলি সাধারণত মধ্যমানের – কিন্তু আপনি যেহেতু প্রকৃতিপ্রেমী আর মোটে ১ রাতের ব্যাপার তাই আরামে থাকতে পারবেন। আপনাদের যদি এরসাথে মংলাজোড়িতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে তাহলে আপনারা ওখানে থাকার জন্যে Godwit Eco Cottage বা Mangalajodi Ecotourism দেখতে পারেন। Contact of Godwit Eco Cottage : Phone no. – 8455075534, 8455075534 E-mail – godwitecocottage@gmail.com Contact of Mangalajodi Eco-tourism : E-mail -mangalajodiecotourism@gmail.com Phone: (+91) 88952-88955, 97766-96800 ঘোরার বিবরন: হোটেল এ চেক-ইন করে ফ্রেশ হয়ে ভরপেট লাঞ্চ করে নিন। তারপর একটা অটো বুক করে চলে যান আস্কা...
জঙ্গলময় রাজস্থান – রনথম্ভোর ন্যাশনাল পার্ক

জঙ্গলময় রাজস্থান – রনথম্ভোর ন্যাশনাল পার্ক

জঙ্গলময় রাজস্থান – রনথম্ভোর ন্যাশনাল পার্ক রাজস্থান বলতেই মনে পড়ে কেল্লা, বালি, পাথর আর মরুভূমির কথা। কিন্তু জঙ্গল, বন্যপ্রাণ ও পক্ষীকুলের সম্ভার নিয়ে আরেকটা সবুজ অংশও রয়েছে এই বৈচিত্রময় রাজ্যে। ‘রেগিস্তান’এর ছবির আড়ালে পূর্ব রাজস্থানে রয়েছে তিনটি অনন্য অভয়ারণ্য – সরিস্কা, রনথম্ভোর ও ভরতপুর। কলকাতা থেকে ৮-১০ দিনের রাজস্থানের ট্যুর প্যাকেজে গিয়ে সাধারণত যা দেখা হয় না অধিকাংশ পর্যটকেরই। “Maati Baandhe Painjanee../ Bhangdi Pehne Baadli../ Dedo Dedo Baavdo../ Ghod Mathod Bhavdi…” চেনা চেনা ঠেকছে গানের লাইনগুলো? এটা রাজস্থান ট্যুরিজমের বিজ্ঞাপনের সেই সরকারি থিম সং। সেই বিজ্ঞাপনে একেক জন রাজস্থানকে দেখে একেকরকম ভাবে। এতই বৈচিত্রে ভরা রাজস্থান। মনমাতানো রাজস্থানী ফোক গানটির সাথে একাত্ম হয়েই আজ দেখে নেওয়া যাক বাঘ দেখার জন্য বিখ্যাত রনথম্ভোরের জঙ্গলকে। দক্ষিণ-পূর্ব রাজস্থানে সওয়াই মাধোপুর জেলায় বিন্ধ্য ও আরাবল্লী পাহাড়ে ঘেরা ৩৯২ বর্গ কিমি এলাকা জুড়ে রনথম্ভোর জাতীয় উদ্যান। উত্তর ভারতের বৃহত্তম জাতীয় উদ্যান গুলির মধ্যে একটি এই রনথম্ভোর। জয়পুর থেকে ১৩২কিমি ও কোটা থেকে ১১০কিমি দূরত্বে সওয়াই মাধোপুর শহর। সওয়াই মাধোপুর স্টেশন থেকে ১৪ কিমি দূরে পার্কের প্রবেশ দ্বার। অতীতে জয়পুরের মহারাজাদে র প্রিয় শিকার ভূমি ছিল রনথম্ভোর। ১৯৮০তে জাতীয় উদ্যানের স্বীকৃতি পায়। পাহাড় ঘেরা উঁচু নিচু ঢেউ খেলানো রুক্ষ জমিতে শুষ্ক পর্ণমোচী অরণ্য। বন দপ্তরের ক্যান্টারে চড়ে জঙ্গল সাফারি। জঙ্গলে দেখা মেলে সম্বর, নীলগাই, চিতল হরিণ, লেঙুর, বুনো শুয়োর ও অজস্র ময়ূর। এছাড়াও এজঙ্গলে আছে লেপার্ড, শ্লথ ভল্লুক, হায়েনা আর বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও সরীসৃপ। আর বনের রাজা বাঘ এ জঙ্গলের মূখ্য আকর্ষণ। বর্তমানে ৬০-৬৫ টি বাঘ আছে রনথম্ভোরে। জঙ্গলের ভিতরে রয়েছে তিনটি বিশাল লেক, যার মধ্যে পদম তালাও সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। তালাওয়ের কিনারে লাল বেলেপাথরে তৈরি যোগী মহল। অতীতের রাজমহল ও হান্টিং লজটি আজ একটি হেরিটেজ হোটেল। লেকের কাছেই আছে এক সুপ্রাচীন বট বৃক্ষ। শোনা...
জঙ্গলময় রাজস্থান – সারিস্কা টাইগার রিসার্ভ ও ন্যাশনাল পার্ক

জঙ্গলময় রাজস্থান – সারিস্কা টাইগার রিসার্ভ ও ন্যাশনাল পার্ক

জঙ্গলময় রাজস্থান – সারিস্কা টাইগার রিসার্ভ ও ন্যাশনাল পার্ক   রাজস্থান বলতেই মনে পড়ে কেল্লা, বালি, পাথর আর মরুভূমির কথা। কিন্তু জঙ্গল, বন্যপ্রাণ ও পক্ষীকুলের সম্ভার নিয়ে আরেকটা সবুজ অংশও রয়েছে এই বৈচিত্রময় রাজ্যে। ‘রেগিস্তান’এর ছবির আড়ালে পূর্ব রাজস্থানে রয়েছে তিনটি অনন্য অভয়ারণ্য – সরিস্কা, রনথম্ভোর ও ভরতপুর। কলকাতা থেকে ৮-১০ দিনের রাজস্থানের ট্যুর প্যাকেজে গিয়ে সাধারণত যা দেখা হয় না অধিকাংশ পর্যটকেরই। “Maati Baandhe Painjanee../ Bhangdi Pehne Baadli../ Dedo Dedo Baavdo../ Ghod Mathod Bhavdi…” চেনা চেনা ঠেকছে গানের লাইনগুলো? এটা রাজস্থান ট্যুরিজমের বিজ্ঞাপনের সেই সরকারি থিম সং। সেই বিজ্ঞাপনে একেক জন রাজস্থানকে দেখে একেকরকম ভাবে। এতই বৈচিত্রে ভরা রাজস্থান। মনমাতানো রাজস্থানী ফোক গানটির সাথে একাত্ম হয়েই আজ দেখে নেওয়া যাক আলোয়ার জেলায় আরাবল্লী পাহাড়ে ঘেরা ছবির মত সুন্দর ‘সারিস্কা ন্যাশনাল পার্ক’ কে। ২৭৩.৮ বর্গ কিমি কোর এলাকা নিয়ে অবস্থিত এই ‘সারিস্কা ন্যাশনাল পার্ক’। বাফার এলাকা ৮০০ বর্গ কিমি। আলোয়ার শহর থেকে ৩৭ কিমি ও দিল্লি থেকে ২০০ কিমি দূরে পার্কের গেটের অবস্থান। বন্যপ্রাণী দেখার এক আদর্শ স্থান এই সারিস্কার জঙ্গল। পাহাড় ঘেরা উঁচু নিচু, ঢেউ খেলানো বনভুমিতে হুড খোলা জিপসিতে চড়ে জঙ্গল সাফারি অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক। এই অরণ্যে দেখা যায় অজস্র সম্বর, নীলগাই, চিতল, চতুরশৃঙ্গী, চিঙ্কারা সহ বিভিন্ন প্রজাতির অ্যান্টিলোপ (Antelope) ও লেঙ্গুর। পথের পাশে কখনও দেখা মেলে বুনো শুয়োর বা ওয়াইল্ড বোর, ওয়াইল্ড ক্যাট ও শিয়ালের। এছাড়া জঙ্গলে যত্রতত্র ঘুরে বেড়ায় ময়ূর। কখনও বা তারা গাড়ির সামনেই রাস্তা ধরে নাচতে নাচতে এগিয়ে চলে। এ তল্লাটে অবশ্য সর্বত্রই দেখা মেলে আমাদের জাতীয় পাখিটির। হিংস্র জন্তু বলতে লেপার্ড আর অবশ্যই বাঘ আছে এ জঙ্গলে। তবে বাঘ দেখার জন্য তেমন সুখ্যাতি নেই সারিস্কার। দেশের অনেক অভয়ারণ্যে ঘুরেছি। কিন্তু সারিস্কায় দুবারের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি যে জঙ্গল সাফারিতে এত বন্যপ্রাণী, বিশেষতঃ...
Bhalukpong Travel Guide

Bhalukpong Travel Guide

Bhalukpong: Bhalukpong is the entrance of West Arunachal Pradesh. It lies on the border of Assam and Arunachal. This is a beautiful town surrounding by hills and forests. This is the entrance of West Arunachal Pradesh. Bhalukpong is well connected with Bomdila, Arunachal pradesh and Tezpur, Assam. One may stay one night in bhalukpong and one night at Bomdila on the way to Tawang.  The main attractions of Bhalukpong are: Kameng River: Kameng is one of most beautiful river of Arunachal Pradesh. It flows through the beautiful valley of Bhalukpong, the most interesting matter of this river is that just after crossing the border of Arunachal it enters in Asaam and people called it Jiabhorli instead of Kameng. Distance: 1k.m from check post. Ideal for: Nature lover, family trip, picnic, camping , adventure love What to do:  Stroll beside the river, enjoy flowing river, One may put his camp here but only after proper permission from competent authority. 2.Tippi orchid research centre: This is the home of over 450 species of Orchids. One will be overwhelmed by the variety and the colour of the Orchids. Distance: 6k.m from check post. Ideal for: Nature lover, family trip. What to do:  Stroll in and around the park. One may note down the name of Orchids. 3. Pakke Tiger Reserve (PTR) : Pakke Tiger Reserve is also known as Pakhui Wildlife Sanctuary and Pakhui Tiger Reserve, is a lesser known wild life sanctuary in India. This lies in Eastern Himalaya. This is also known for its amazing sighting of famous resident hornbill species. Distance: 12k.m from check post. Ideal for: Nature lover, day trip, bird watching....