Denmark Tavern – Day trip from Kolkata

Denmark Tavern – Day trip from Kolkata

DENMARK TAVERN, WHERE THE HISTORY IS RESTORED – ডেনমার্ক ট্যাভার্ন – ডঃ সন্দীপ পালের কলমে ওপরের ছবিটি দেখছেন? এটি ১৭৯০ সালে পিটার আনকার-এর আঁকা – নদীটি আমাদের গঙ্গা, আর যে ঘাটটি দেখতে পাচ্ছেন সেটা হল হুগলীর শ্রীরামপুর ঘাট। ডানদিকে যে দোতলা বাড়িটি দেখতে পাচ্ছেন সেখানেই গিয়েছিলাম সেদিন কলেজ থেকে ফেরার পথে। কেমন যেন গুলিয়ে যাচ্ছে তাইতো? গোলানোটাই স্বাভাবিক! বলতে পারেন এক ধাক্কায় ২৩২ বছর পিছিয়ে গিয়ে সাক্ষাৎ ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম বেশ কিছুক্ষন। সম্বিৎ ফিরল সন্ধ্যে নামার আগে গঙ্গার ঠান্ডা বাতাসে। কয়েকবছর আগেও ওই ছবির বাড়িটির ভগ্নাবশেষ দেখেছি। সংস্কার করে আগের অবস্থায় পৌঁছে দেওয়ার সুন্দর প্রয়াস। এটিই হল শ্রীরামপুরে গঙ্গার ধারের “ডেনমার্ক ট্যাভার্ন”। একবেলা ঘুরে আসলে খারাপ লাগবেনা হলফ করে বলতে পারি। রেস্টুরেন্ট, ক্যাফে তো আছেই – আর যেটা আছে সেটা হল গঙ্গার ধারে ইতিহাসের কোলে বসে নির্ভেজাল বাঙালী আড্ডা। পথনির্দেশ: হাওড়া-ব্যান্ডেল লাইনে শ্রীরামপুর স্টেশনে নেমে টোটো কে বললেই হবে – “ডেনমার্ক ট্যাভার্ন” – ১০ টাকায় ইতিহাস দর্শন। ঘাট পেরিয়ে যদি আসেন ব্যারাকপুরের ধোবিঘাট পেরিয়ে শ্রীরামপুর ঘাটে নেমে বাঁদিকে যে গলিটায় সাইকেল রাখা থাকে ওটা ধরে সোজা মাত্র ৫ মিনিটের হাঁটাপথ। Photo Courtesy and Content writer : Dr. Sandip Pal Assistant Professor, Department of Zoology, Barrackpore Rastraguru Surendranath,College...
Nimpith and Kaikhali trip guide

Nimpith and Kaikhali trip guide

Nimpith and Kaikhali – tourist spot near kolkata আগের উইকএন্ডে দেওঘর থেকে ঘুরে আসার পর শনিবার সকালে উঠেই আবার মনে হল শীতকালে ছুটির দিনগুলো বাড়ি বসে নষ্ট হতে দেওয়া কি ঠিক? কাছে পিঠেই নাহয় কোথাও ঘুরে আসি। আমার যে ‘পায়ের তলায় সর্ষে’। কোন আগাম প্ল্যান ছিল না। তাই একদিনেই ফিরে আসার মত জায়গার কথা ভাবতে গিয়ে মনে এল নিমপিঠ ও মাতলা নদীর ধারে কৈখালির নাম। শিয়ালদা থেকে দুজনে চেপে বসলাম লক্ষীকান্তপুর লোকালে। প্রথম গন্তব্য জয়নগর। শিয়ালদা সাউথ সেকশনের ট্রেনের ভিড়ের কথা সকলেরই জানা। ১ ঘন্টা ২০ মিনিটের ট্রেন যাত্রায় পৌঁছলাম জয়নগর-মজিলপুর স্টেশনে। স্টেশনের বাইরে এসে শেয়ার অটো ধরে মিনিট দশেকে নিমপিঠ (Nimpith) রামকৃষ্ণ আশ্রম। বেলুড় মঠের আদলে তৈরি সুন্দর মন্দির ও সমগ্র কম্পাউন্ড জুড়ে নানান রঙ বেরঙের মরসুমি ফুলের বাহার। রয়েছে স্কুল। দুপুর হয়ে গেছে। কম্পাউন্ডের একপাশে পাতা সার সার টেবিল চেয়ারে বসে অনেক মানুষ। জানা গেল একটু বাদেই খাবার বিতরণ হবে। ভিতরের অফিস ঘর থেকে কুপন কেটে আমরাও বসে পড়লাম দুটি চেয়ারে বাকিদের সাথে। এই আশ্রমে প্রতিদিন শতাধিক মানুষের আহারের আয়োজন করা হয়। বসে থাকা ভোজনার্থীদের মধ্যে যেমন স্থানীয় পড়ুয়া রয়েছে, তেমনই কুপন কেটে আমাদের মত কলকাতা থেকে আসা ভ্রমণার্থীও আছে। নিরামিষ আহার পর্ব সারার পর আশ্রমের অফিস ঘরে গিয়ে খোঁজ নিলাম মাতলা নদীর পাড়ের কৈখালির। শুনেছিলাম সেখানে এদেরই আরেকটি আশ্রম ও আশ্রম পরিচালিত পর্যটক আবাস আছে। জানতে চাওয়া হল আমরা সেখানে রাত্রিবাস করব কিনা। দিনে দিনে ঘুরে আসার প্ল্যানের কথা জানাতে আশ্রমের এক সন্ন্যাসী পরামর্শ দিলেন অটো রিসার্ভ করে ঘুরে আসতে। সেই মত গেটের বাইরে থেকে একটি অটোর সাথে ৫০০টাকায় চুক্তি হল যে আমাদের কৈখালি ঘুরিয়ে নিয়ে এসে সন্ধ্যেবেলা জয়নগর স্টেশনে ছেড়ে দেবে। নিমপিঠ থেকে কৈখালি ও মাতলা নদী নিমপিঠ থেকে কৈখালি ৩৮কিমি। অটোতে প্রায় দেড় ঘন্টা...
Kenjakura Muri Mela – Fair and Festival of West Bengal

Kenjakura Muri Mela – Fair and Festival of West Bengal

KENJAKURA MURI MELA – কেঞ্জাকুড়ার মুড়ি মেলা – সন্দীপের কলমে Beside Durga Puja, there are lots of fairs and festivals in west bengal, especially on food of westbengal. Ahare bangla is one of popular food festivals organized by govgrnment of west bengal in Kolkata, but there are more option on wb food. Here is one of them বাঁকুড়া জেলার কেঞ্জাকুড়া গ্রামে ৪ ঠা মাঘ মানে, মুড়ি পরবের দিন। সকাল থেকে কেঞ্জাকুড়া গ্রাম ছাড়াও বিভিন্ন জেলার মানুষ এসে যোগদান করে এই মেলাতে। দ্বারকেশ্বর নদের পাড়ে সঞ্জীবনী আশ্রমে ১লা মাঘ চব্বিশ প্রহর ব্যাপী হরিনাম সংকীর্তন এর মধ্যেদিয়ে শুরু হয় মেলা, শেষ হয় ৪ঠা মাঘ। চারদিন মেলা থাকলেও আসল ভিড় হয় ৪ঠা মাঘ। সেদিন সকাল থেকেই কেঞ্জাকুড়া গ্রামের পাশা পাশি সমস্ত গ্রাম থেকে লোক মুড়ি, চপ, শিঙাড়া, লংকা, নারকেল নাড়ু,শশা, মুলা, পেয়াজ, বিলাতি,জিলিপি,বেগুনি, চানাচুর, ইত্যাদি নিয়ে হাজির হয় নদের চরে। সকলে মিলে একসাথে মুড়ি মেখে খায়। সকালে মুড়ি খাওয়ার পর নদের পাড়ে মেলা দেখে, কেউ বিশ্রাম করে, কেউ বা অপন মানুষের সাথে একান্তে সময় কাটায়। অবশেষে দুপুরে সমস্ত মেলার উপস্থিত মানুষদের জন্য থাকে খিচুড়ি খাওয়ার ব্যবস্থা। যাতে সকলে প্রসাদ গ্রহন করতে পারে, তার জন্য প্রচুর লোক প্রসাদ তৈরির জন্য কাজ করে সারারাত ধরে। এদিন বিকাল পর্যন্ত খিচুরি খাওয়ানো হয়। মেলাকে নিয়ে প্রচলিত কাহিনী : বাঁকুড়ার কেঞ্জাকুড়া গ্রামের কাছেই দ্বারকেশ্বর নদের পাড়ে রয়েছে সঞ্জীবনী আশ্রম। এই আশ্রমে বহু প্রাচীন কাল থেকে মকর সংক্রান্তিতে সঞ্জীবনী মাতার বাৎসরিক পুজো উপলক্ষে অনেক মানুষ এখানে জড়ো হতেন। হরিনাম সংকীর্তন চলে মাঘ মাসের প্রথম সপ্তাহ-জুড়ে। লোকালয় থেকে অনেকটা দূরে এক সময় ওই এলাকা ছিল ঘন জঙ্গলে ঢাকা। দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা হরিনাম শুনতে আসতেন আশ্রমে। হিংস্র জীবজন্তুর আক্রমণের ভয়ে রাতে তাঁরা নিজেদের গ্রামে ফিরতে পারতেন না। সারারাত জেগে...
SARNATH : The land of buddhism

SARNATH : The land of buddhism

SARNATH the land of buddhism- ঋষিপত্তন বা সারঙ্গনাথের রাজপাট – শিবাংশু দের কলমে Sarnath : The land of buddhism “…. বারাণসির উত্তর-পূর্বদিকে বরণা ( বরুণা) নদী পেরিয়ে ১০ লি মতো গেলে ‘লু ঈ’ বা মৃগদাব সঙ্ঘারামের দেখা পাওয়া যায়। এর সীমানা আট ভাগে বিভক্ত, একটি ঘেরা দেওয়াল দিয়ে সব গুলি সংযুক্ত রয়েছে। কয়েকতল উঁচু বুরুজগুলি সংলগ্ন ঝুলবারান্দা ও সেগুলির কারুকাজ খুব নিপুণ হাতের কাজ। এই সঙ্ঘারামটিতে ১৫০০ মতো ভিক্ষু রয়েছেন। তাঁরা হীনযান মতের সম্মতীয় শাখার উপাসক। বিরাট সীমানার মধ্যে প্রায় দুশো ফুট উঁচু একটি বিহার দেখলাম। তার শীর্ষদেশে একটি সোনায় মোড়া আমের প্রতিকৃতি রয়েছে। দালানগুলির ভিত্তি পাথরের। সিঁড়িও পাথরের, কিন্তু বুরুজ ও কুলুঙ্গিগুলো ইঁটের তৈরি। কুলুঙ্গিগুলো চারদিকে একশোটি সারিতে সাজানো ও তার প্রত্যেকটিতে একটি করে সোনার বুদ্ধমূর্তি রয়েছে। বিহারের মধ্যে দেশি তামা দিয়ে তৈরি একটি বুদ্ধমূর্তি। ধর্মব্যাখ্যানের রত এই মূর্তিটির আকার স্বাভাবিক মানুষের সমান।“ মূলগন্ধকুটিবিহারের এই বর্ণনা করেছিলেন হিউ এন সাং আনুমানিক ৬৪০ সালে। তাঁর বিবরন পড়ে মনে হয় চতুর্থ ও পঞ্চম শতকে গুপ্তযুগে নির্মিত  এই বিহারটি সেই সময় পূর্ণ গৌরবে বিরাজ করতো। বুদ্ধ নিজে তাঁর অনুগামীদের যে চারটি স্থানকে ‘অভিজাহিতাত্থানানি’ অর্থাৎ অপরিবর্তনীয়  তীর্থভূমি বলে নির্দেশ দিয়েছিলেন ঋষিপত্তনের  মৃগদাব, যেখানে মূলগন্ধকুটিবিহার নির্মিত হয়েছিলো, তার অন্যতম। বাকি তিনটি লুম্বিনী, উরুবেলা (বোধগয়া) এবং কুশিনারা।  বৌদ্ধদর্শনের পবিত্রতম কেন্দ্র হিসেবে ঋষিপত্তনের বিহারটি সমগ্রবিশ্বে স্বীকৃত ছিলো। একটি রটনা আছে যে গৌড়ের রাজা শশাঙ্ক নাকি ঋষিপত্তনের বিহারটি বিধ্বস্ত করেছিলেন। এই রটনাটির সূত্র কিন্তু আবার এই হিউ এন সাং। তিনি ৬৪৪ সালে ভারত ত্যাগ করেছিলেন এবং তাঁর ঋষিপত্তন আগমন তার দুচার বছর আগেই। হিউ এন সাং ‘ধর্ম-ব্যাখ্যানে রত’ যে বুদ্ধমূর্তিটির কথা উল্লেখ করেছেন সেটি বুদ্ধের উপবিষ্ট ‘ধর্মচক্রপ্রবর্তনমুদ্রা’র প্রতিচ্ছবি। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী সেটি ধাতুনির্মিত ছিলো। কিন্তু ঊনবিংশ শতকে মূলবিহারের খননসূত্রে লব্ধ এই মুদ্রায় বুদ্ধের প্রস্তরমূর্তিটির ( যেটি...
Simlipal National Park Tour guide

Simlipal National Park Tour guide

Simlipal National Park and Bangriposi weekend trip guide সিমলিপাল(Simlipal National Park) !! নামটা বেশ জমকালো। কিন্তু জায়গাটা কেমন? ইন্টারনেট ঘেঁটে যা তথ্য পাওয়া যায় তাই দিয়েই সেরে নেওয়া হল যাবার পরিকল্পনা। সিমলিপাল ন্যাশনাল পার্ক আয়তনে ২৭৫০ বর্গ কিলোমিটার। গড় উচ্চতা ২০০০ ফুট।গভীর জঙ্গলে পরিপূর্ণ সুউচ্চ পর্বতমালা উড়িষ্যার উত্তর পূর্ব দিকে কোথাও বিস্তীর্ণ বা কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে রয়েছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল সিমলিপাল।উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গের সীমানা থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার। সড়কপথে কলকাতা থেকে দূরত্ব প্রায় ২৩০ কিলোমিটার। তাই কলকাতা ও শহরতলির মানুষজনের ক্ষেত্রে কাছাকাছির মধ্যে মনোরম অথচ অন্যরকম জায়গা এই সিমলিপাল। সিমলিপাল ন্যাশনাল পার্কের প্রবেশপথ প্রধানত দুটি। ১. পিথাবাটা ২. যোশীপুর। কাছাকাছি হোটেল বলতে বারিপাদায়( পিথাবাটা গেট থেকে ২০ কিমি) যথেষ্ট হোটেল আছে। বেশীরভাগ পর্যটক তাই বারিপাদা থেকেই সিমলিপাল যান। পিথাবাটা গেট দিয়ে ঢুকে আবার পিথাবাটা দিয়েই বেরিয়ে আসেন। কিন্তু আমরা হোটেল নিলাম বাংরিপোসি তে,সিমলিপাল রিসর্ট(One of the good resort near Simlipal national park)। পাহাড়ে ঘেরা উন্মুক্ত প্রান্তরের মাঝে ছোট্ট রিসর্ট,কলকাতা মুম্বাই জাতীয় সড়কের পাশেই। এখান থেকে পিথাবাটা গেট ৪৬ কিলোমিটার, এবং যোশীপুর গেট ৭০ কিলোমিটার। আমরা পিথাবাটা গেট দিয়ে ঢুকে যোশীপুর গেট দিয়ে বেরিয়ে যাব। তাতে সময় যেমন বাঁচবে বেশী, তেমনি জঙ্গলের অনেকটা জায়গা এক্সপ্লোর করা যাবে সীমিত সময়ের মধ্যেই। জঙ্গলের মধ্যেও যদিও থাকার যায়গা রয়েছে। বহির্বিশ্বের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে প্রকৃতির মাঝে ক দিন কাটাতে চাইলে এখানে থাকা যেতেই পারে। আমরা সকাল সাড়ে ছটায় বাংরিপোসির রিসর্ট থেকে রওনা দিলাম। বারিপাদা ছাড়িয়ে আমরা ঢুকতে শুরু করেছি জঙ্গলের রাস্তায়। গেট অবধি সরু পিচের রাস্তা।আশপাশের ভুমিরূপ উঁচুনিচু। মাঝে মাঝে খেজুর গাছ,পথের দু পাশে চাষের জমি। সদ্য ধান কাটা হয়েছে। ধূসর আগাছাগুলো শুধু রয়ে গেছে সোনালী ধানের স্মৃতি হিসেবে। দূরে দেখা যাচ্ছে কুয়াশামাখা পাহাড়। মাঝে মাঝে আদিবাসী গ্রাম। মুঠোফোনের নেটওয়ার্ক যাওয়া আসা করতে লাগল।...
Tulsi Chara Mela

Tulsi Chara Mela

TULSI CHARA MELA : মজার মেলা – পার্থ দের কলমে ছোটবেলায় বাংলা রচনা লিখতে হত “মেলার মজা”। এখন আমি বলব এক মজার মেলার গল্প। চিত্র ১) দয়ালহরি রায় ব্যাগ হাতে হনহন করে চলেছেন। প্রতিবেশী জিজ্ঞাসা করলেন, কি ব্যাপার কোথায় যাচ্ছ ? দয়ালহরিবাবু বললেন, বাড়িতে মেয়ে জামাই এসেছে। তাই মেলা থেকে একটু খাসি মাংস কিনতে যাচ্ছি। চিত্র ২) টোটোচালক কার্তিক ঘোষ পুরো পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে মেলাতে এসেছেন পূজোর কেনাকাটা করতে। অবাক হচ্ছেন, পৌষ সংক্রান্তির সময় পূজোর কেনাকাটা ? একদমই ঠিক বলছি। এখানকার মানুষজন এই মেলা থেকেই দুর্গা পুজোতে পরার জামাকাপড় কিনে রাখেন। কারন দুর্গা পূজোর সময় কাপড়ের দোকানে যা দাম থাকে তার অর্ধেক দামে মেলা থেকে পছন্দসই জিনিস কেনা যায়। চিত্র ৩) ষাটোর্ধ্ব পৃথ্বীশবাবু ছোটছোট নাতি নাতনিদেরকে সিনেমা দেখাতে মেলাতে নিয়ে এসেছেন। ১৫ কিমি দূরে একটা সিনেমা হল ছিল, সেটা এখন বন্ধ। তাই নাতনিদেরকে একটু আনন্দ দিতে বাড়ির কাছে এই মেলায় আসা। পাশ থেকে একটা পুঁচকি বলে ওঠে, দাদু আগেরবারে আধখানা ডিম কিনে দিয়েছিলে। এবারে কিন্ত গোটা ডিম কিনে দিতে হবে। চিত্র ৪) কোলকাতা থেকে লীনা সাহা মেলা উপলক্ষে গ্রামের এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন। মেলার মাঠে হোঁচট খেয়ে গেল জুতোখানা ছিঁড়ে। মেলাতেই ছিল অনেকগুলো জুতোর দোকান। মুশকিল আসান হল। দরদাম করে ১৩৫ টাকায় একজোড়া নতুন জুতো কিনে ফেললেন লীনাদেবী। হাসতে হাসতে সঙ্গের মেয়েটিকে বললেন, কি সুন্দর জুতোগুলো! কলকাতার থেকে দামও অনেক কম!! উপরের ঘটনাগুলো পড়ে অবাক হলেও সত্যি এ এক মজার মেলা। বিচিত্র এই মেলাতে এতকিছু ধরনের জিনিস পাওয়া যায়, যা শহরের একটা শপিং মলেও হয়তো পাওয়া যাবে না। তাই মেলাটাকে ‘গরীবের শপিং মল’ বলা যেতেই পারে। আরেকটা বিশেষ ব্যাপার, মেলা কমিটি থেকে কোন ডিজে বক্স বা মাইকে গান বাজানো হয় না। শুধুমাত্র মেলায় হারিয়ে গেলে মাইকে নাম ঘোষনা...