কংক্রিটের আঁকার খাতায় কলকাতার আলতামিরা – A Photoblog on Wallart at Kolkata

কংক্রিটের আঁকার খাতায় কলকাতার আলতামিরা – A Photoblog on Wallart at Kolkata

Reading Time: 4 minutesকলকাতার অলিতে গলিতে আঁকার খাতার সন্ধানে :  সত্যজিৎ রায়ের আগন্তুক সিনেমায় বর্ণিত সেই আলতামিরার কথা মনে আছে? আলতামিরা মানে পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম প্রাচীন গুহা। হ্যাঁ উৎপল দত্তের মুখে আমরা জানতে পারি স্পেনের আলতামিরার সেই বিস্ময় গুহাচিত্রের কথা।যুগ যুগ ধরে এই চিত্রকলা নিজের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করে গুহার অন্ধকূপ থেকে আজকে বেরিয়ে পড়েছে অত্যাধুনিক জগতে। তারই এক শাখা আমাদের সামনে উঠে এসেছে দেওয়াল অংকন হিসেবে। দেওয়াল অঙ্কন কে আমরা ম্যুরাল নামে চিহ্নিত করি। ম্যুরালের আধিক্য দেখতে পাই ঈজীপসিও সভ্যতায়। তবে ম্যুরালের প্রচলন সবথেকে বেশি হতো মেক্সিকোর চিত্রকলা বিপ্লবে। ভারতবর্ষে এরই একটা রূপ আমরা অজন্তা ইলোরা বা মধ্যপ্রদেশের ভীমবেটকায় দেখতে পাই। আজকালকার দিনে দেওয়াল চিত্রের মাধ্যমে শিল্পী তার শিল্প জ্ঞান ফুটিয়ে তোলে। কখনো তা রাজনৈতিক কখনো বা সামাজিক বা ধর্মীয় বাতাবরণ বহন করে। ভারতবর্ষের বিভিন্ন শহর যেমন মুম্বাই দিল্লিতে এই দেওয়ালচিত্র বহুলভাবে প্রচলিত। তাহলে আমাদের কলকাতাই বা বাদ যায় কেন? আমাদের চোখের সামনেই সব ঘটে যায় কিন্তু তবুও আমরা এই সুন্দরের প্রতি অন্ধ থেকে যাই।কলকাতা শহরেও বিক্ষিপ্তভাবে বহু জায়গায় দেওয়াল চিত্রের পসরা দেখা যায়। উত্তর কলকাতা থেকে দক্ষিণ সর্বত্র এই চিত্রকলা শিল্পীর হাতের টান মাঝে মাঝেই আমাদের চোখকে আরাম দেয়। আমরা সেগুলো কে নিছক দেয়াল লিখন বলে অগ্রাহ্য করে যাই। কিন্তু গভীর ভাবে দেখলে অনেক কিছুই আমাদের মনে গেঁথে যায়।অনেক না বলা, না দেখা ছবি হয়তো অনামি দেওয়ালে আঁকা থাকায় আমরা সেটাকে এড়িয়ে যাই কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেইসব ছবিগুলি বহু কথা আকাশে বাতাসে ছড়িয়ে দেয়। কয়েকমাসের প্রচেষ্টায় আমি আর আমার দুই সহকর্মী বন্ধু ঘুরে বেড়িয়েছি কলকাতার রাস্তায়। অলিতে গলিতে। এই দেওয়াল চিত্রকলার সন্ধানে। মধ্য কলকাতার মারকুইস স্ট্রিট আবার কখনো টোটি লেনে বসে থেকেছি। কখনো ছুটির দিনে দুপুরের ভাত-ঘুম কে উপেক্ষা করে ঘুরে বেড়িয়েছি উত্তর কলকাতার অলিতে গলিতে। আবার শত...
Kalej Valley – A Nature Lover’s Paradise in Darjeeling Himalaya

Kalej Valley – A Nature Lover’s Paradise in Darjeeling Himalaya

Reading Time: 10 minutes কালিজ ভ্যালির রামধনু ঝর্ণা একটি পাহাড়ি উপত্যকায় লোকচক্ষুর অন্তরালে, নির্জনতায় মোড়া পরিবেশে লুকিয়ে আছে এমন এক জলপ্রপাত,  মেঘ সরিয়ে রোদ উঠলেই যেখানে দেখা যায় রামধনু। স্থানীয় নাম ইন্দ্রানী ছাগো বা ইন্দ্রানী ফলস, তবে বেশি পরিচিত ‘রেনবো ফলস’ (Rainbow Falls) নামে। আর দার্জিলিং হিমালয়ের কোলে এই শান্ত, স্নিগ্ধ ও সৌন্দর্য্যময় পাহাড়ি উপত্যকাটির নাম ‘কালিজ ভ্যালি’ বা ‘রেনবো ভ্যালি’। সবুজে মোড়া ছবির মত সুন্দর এই উপত্যকায় থাকার জন্য আছে চা বাগানের ঢালে এক ভীষণ সুন্দর ও মিষ্টি একটি রিসর্ট, যার নাম ‘রেনবো ভ্যালি রিসর্ট’ (Rainbow Valley Resort)। ঠিক যেন শিল্পীর তুলিতে একটা সবুজ ক্যানভাসে কয়েকটা রঙিন বিন্দু আঁকা একটা ছবি। রিসর্টের পাশেই ‘কালিজ ভ্যালি চা বাগান’। একটু উপরে ‘আপার কালিজ ভ্যালি’ গ্রাম। এখানে অবসর যাপনে এসে বিশুদ্ধ প্রকৃতির মাঝে সারাদিন ধরে চা বাগান, পাহাড় ও ভ্যালির অসাধারণ দৃশ্য দেখে ও হরেক রকম পাখির ডাক শুনে মন ভরে যায়। কালিজ ভ্যালি (Kalej Valley) চা বাগান, রংবুল Rainbow Falls – কালিজ ভ্যালির রামধনু ঝর্ণা – ঝর্ণার জলে রামধনু ভুমিকাঃ বছর দুয়েক আগে ‘ভ্রমণ’ পত্রিকায় প্রথম সন্ধান পাই কালিজ ভ্যালির ‘রেনবো ভ্যালি রিসর্টের’। পয়লা বৈশাখের সময় দিনদুয়েকের ছুটিতে হঠাৎ করেই এনজেপির ট্রেনের টিকিটের ব্যবস্থা করে, ঠিক করে ফেলি এবারের আমাদের দুজনের ভ্রমণ কালিজ ভ্যালিতেই। এমনিতেই সবাই জানে আমার পায়ের তলায় অনেক সর্ষে। আর ছোট্ট ছুটিতে পাহাড়ে আবার যাব শুনলেই ইদানিং বন্ধুদের কাছ থেকে শুনতে হয় ‘সেকেন্ড হোমে যাচ্ছে’ বা ‘পাহাড়ে ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করে’ এরকম শব্দবন্ধ। তবে আমি তাতে দমবার পাত্র নই। কারণ উত্তরবঙ্গের পাহাড় যে আমায় টানে, শুধুই সময় সুযোগ ও ট্রেনের টিকিটের অপেক্ষায় থাকি। সোনাদার কাছে পাহাড়ের গায়ে দেওদার সারি – দার্জিলিংয়ের পাহাড়ের চেনা ছবি বিকেল ৫-৪৫ এ হাওড়া স্টেশন থেকে কামরূপ এক্সপ্রেসে রওনা হয়ে পরদিন সকাল সাড়ে সাতটায়...
TRAVEL GUIDE ON KINNAUR VALLEY

TRAVEL GUIDE ON KINNAUR VALLEY

Reading Time: 9 minutes TRAVEL GUIDE ON KINNAUR VALLEY – হিমাচলের বিস্ময় : কিন্নর – অভিজিৎ গোলদারের কলমে কিন্নর শব্দটির সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় কোন এক কৈশোর বেলায় প্রিয় লেখক বিভূতিভূষণের হাত ধরে। ঝিনুকের ভিতরে মুক্তোর মতোই রংচটা এক প্রচ্ছদের মধ্যে পেয়েছিলাম কিন্নরদল গল্পটির সন্ধান। গল্পের রেশ হয়তো কেটে গিয়েছিল কিন্তু চলচ্চিত্রায়নের সুবাদে পুরোনো ভালোলাগা আবার ফিরে এসেছিল কলেজে পড়ার সময়। তখনই আবার কিন্নর নামের সঙ্গে জুড়ে থাকা অনুষঙ্গ মনে ঢেউয়ের মত দোলা দিয়ে গেল। কারা সেই অপরূপ কিন্নর-কিন্নরীর দল যারা দেবসভায় নৃত্যশিল্পের উৎকর্ষে মনভোলায় দেবতাদের। কেমন সেই কিন্নর দেশ যেখানে বিহার করে সেই সুন্দরেরা। জানিনা কখনও এসব প্রশ্নে অজান্তে আনমনা হয়েছি কিনা তবে বেড়ানোর নেশাটা পেয়ে বসার সঙ্গে সঙ্গে কিন্নরদের দেশ দেখার শখটা মাথায় ঘুরপাক খেতো বারবার। তাই এবারের পুজোয় গন্তব্য ঠিক হয়েছিল দেবভূমি হিমাচলের গৌরবান্বিত সৌন্দর্য স্থল কিন্নরভূমি। হেমন্তের সেই অপূর্ব রঙের শোভা, বিচিত্র স্বাদেগন্ধে অতুলনীয় আপেল বাগিচা, তুষারধবল পর্বতচূড়া, উচ্ছ্বসিত স্রোতস্বিনীর মোহময়ী রূপ-এভাবে কিন্নরদের দেশ আমায় জয় করে নেবে যাওয়ার আগে ভাবিনি। দেবভূমি হিমাচলে এই নিয়ে তৃতীয়বার আগমন। কিন্ত এবারেও টয়ট্রেনে চাপার সৌভাগ্য হয়ে উঠলো না। আমাদের টিকিট ও লাস্ট কনফার্ম টিকিটের মাঝে সামান্য কয়েক ধাপ বাকি রেখে শিবালিক এক্সপ্রেস ক্ষান্ত হল। বেজার মুখে গাড়িবন্দি হয়ে হরিয়ানা সীমান্ত পার করে দেবভূমি হিমাচলে আবারও প্রবেশ করলাম। সিমলার যে হোটেলে আছি সেটা এত সুন্দর জায়গায় যে বলে বোঝানো যাবেনা। হোটেলের মান একদম সাধারণ, বাকি পরিসেবাও যথেষ্ট নয় কিন্তু অবস্থানগত কারণে বা গুণে তা হয়ে উঠেছে আমাদের কাছে অনন্য। জাখু টেম্পলের কাছাকাছি এর অবস্থান। ঠাস বুনোট সিডারের জঙ্গলের মাঝে একাকী নিঃসঙ্গ এই হোটেল। সিমলা ম্যালের মাত্র দেড় কিলোমিটারের মধ্যেই এমন সুন্দর প্রকৃতির সান্নিধ্য আপ্লুত করবেই। লাঞ্চের পর হোটেলের ছাদে একপ্রস্থ রোদ পোহানোর পর বেরিয়ে পড়েছি সিমলা ম্যালের উদ্দেশ্যে। গাড়ির...
JHARGRAM TRAVEL GUIDE – A WEEKEND DESTINATION

JHARGRAM TRAVEL GUIDE – A WEEKEND DESTINATION

Reading Time: 5 minutes A WEEKEND IN JHARGRAM – নিস্তব্ধতার ডাকে – ঈপ্সিতা বসাকের কলমে   একটা বিশালাকার ব্রীজের মত আমার শহর, ব্যস্ততার ট্রাফিক জ্যামে ভগ্নপ্রায় অথচ কি নির্বিকার..! ব্রিজের ওপারে সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল…., দূষণ ধোঁয়ায় শহরবাসীর যোগাযোগকারী ব্রীজ মেরামতের হাজার চেষ্টাও বিফল! এমন সময় সাহায্য খুঁজতে ছুটে যায় আকুল মন, বিশ্বাসঘাতক পর্বতমালার দুর্গম চূড়া ডিঙিয়ে পৌঁছায় তখন… একটা হাত! একটা হাত এগিয়ে আসে, এসেই খুন করতে চায় সবাইকে….! বলে হাইজ্যাক করে নিয়ে যাবে সুন্দরী তিলোত্তমাকে… নিয়ে যায় এক পাথরে ঘেরা শান্ত স্থির নীল নদীর তীরে…. আকাশের নীল চোখের ছায়া পরে যেই জলে…নীল চোখেই হারিয়ে যাওয়া যায় যেখানে… যেখানে রাজা রাণীর গল্পেরা জীবিত, নীরবতা কথা বলে কানে কানে…. সাথে করে হেঁটে চলে লাল মাটির পথ, সবুজ শাল পাতার ছোঁয়ায়…. যা পিচের মতো কালো হয়ে যায়নি! পাহাড়, শান্ত  ঝর্ণারা…. যেখানে বাসা বেঁধে আছে নিজেদের মতো, কেউ বিরক্ত করেনা- যাদের, সরলতা আর মাটির গন্ধ যেখানে একসাথে, লুটোপুটি খায়, খড়ের আঁটিতে শুয়ে খেলা করে হাতে হাতে…! এমন একটা হাত যদি সত্যিই হাইজ্যাক করে তোমার ধুলো মাখা শহরকে…. খুব কি অপরাধ হবে? নাকি…তিলোত্তমা তুমিও মত দেবে দুদিনের এই হাইজ্যাকে?? কি? ইচ্ছে হচ্ছে তো এইভাবে হাইজ্যাক হতে? হবারই কথা আমারও হয়েছিল।ব্যস্ততার থেকে একরাত আর দুটো দিনের ছুটি নিয়ে স্বেচ্ছায় হাইজ্যাক হয়েছিলাম…. চলে গিয়ে ছিলাম নীল নদীর ধারে, রাজা রাণীর গল্পেরা সত্যি যেখানে, সেই যেখানে অরণ্যে পাতার খসখসানী সাথে করে গভীরে নিয়ে যায় আদিম বীজ খুঁজে পেতে সাহায্য করবে বলে, যেখানে নিস্তব্ধতা আপন মনে গুনগুনিয়ে গান গায়। হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন…. ঝাড়গ্রাম। ঝাড়গ্রাম পশ্চিমবঙ্গের ২২তম জেলা,যা ২০১৭ সালে পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে আলাদা হয়ে যায়। এই জেলার উত্তরে বেলপাহাড়ি আর দক্ষিণ দিয়ে বয়ে গেছে সুবর্ণরেখা নদী। প্রকৃতিপ্রেমী বিশেষ করে যারা অরণ্যের রোমাঞ্চে আগ্রহী আর যারা অকৃত্রিম সৌন্দর্যরস...
Bhalkimachan – A Refreshing Weekend Getaway with Jungle and Lonely Nature

Bhalkimachan – A Refreshing Weekend Getaway with Jungle and Lonely Nature

Reading Time: 7 minutes Bhalkimachan – A Refreshing Weekend Getaway with Jungle and Lonely Nature ভালকিমাচান – জঙ্গলে ঘেরা নির্জনতায় ভরা সপ্তাহান্তের এক ঠিকানা জঙ্গলের মাঝে একটি সুন্দর দোতলা লজ। চারপাশে শুধুই বিস্তীর্ণ সবুজ জঙ্গল ও নির্জনতায় মোড়া প্রকৃ্তি। জায়গাটি এতই নিস্তব্ধ, যে মাঝেমাঝে শুধু পাখির ডাক বা হাওয়ায় গাছের পাতা নড়ার শব্দ ছাড়া আর কোন শব্দ কানে আসে না। সপ্তাহান্তে নিরিবিলিতে আবকাশ যাপনের এক আদর্শ ঠিকানা। ভালকিমাচান। কলকাতার কাছেই বর্ধমান জেলায় জঙ্গলে ঘেরা এক দারুণ উইকএন্ড ডেস্টিনেশন। পর্যটন মানচিত্রে নব সংযোজন। লজটির নাম ‘অরণ্য সুন্দরী রিসর্ট’। কলকাতা থেকে ১৩৫ কিমি ও বর্ধমান শহর থেকে দূরত্ব মাত্র ৪৩ কিমি। এখনও হয়ত লোকচক্ষুর সামনে তেমন ভাবে উন্মোচিত হয় নি এ জায়গাটি। শীতের শেষে সপ্তাহান্তের ভ্রমণে কোন অদেখা, নতুন জায়গার খোঁজে ঠিক করে ফেললাম এবার গন্তব্য ভালকিমাচান। একটি ট্র্যাভেল ম্যাগাজিনে পড়ে ও এক অফিস কলিগের কাছে শুনে জেনেছিলাম জায়গাটির হদিশ। ওয়েবসাইট থেকে নম্বর নিয়ে দুটি ঘর বুক করেছিলাম অরণ্য সুন্দরী রিসর্টে। নির্দিষ্ট দিনে সপরিবারে, সকাল ৬টায় হাওড়া স্টেশন থেকে ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে চেপে পৌঁছই মানকর স্টেশনে। বর্ধমান – আসানসোল লাইনের এক স্টেশন মানকড়। আগে থেকে বলে রাখায় অরণ্য সুন্দরীর ম্যানেজার গাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছিল স্টেশনে। সেই গাড়িতেই আধ ঘণ্টায় পৌঁছে যাই ১৩ কিমি দূরের ভালকিমাচানে। অরণ্য সুন্দরীর দোতলায় আমাদের জন্য বরাদ্দ দুটি ঘর। বেড়া দিয়ে ঘেরা কম্পাউন্ডের বাইরেই শুরু শালের জঙ্গল। বারান্দায় বসলে সামনের বিস্তীর্ণ জঙ্গলের পানে চেয়ে, পাখির ডাক শুনে, সময় কেটে যায়। জঙ্গলের ঘ্রাণাস্বাদন করে মেলে এক অনাবিল আনন্দ। নামে রিসর্ট হলেও ‘অরণ্য সুন্দরী’ সাধারণ সাজের। তবে জঙ্গলের মাঝে মৌলিক সব সুযোগ সুবিধা, স্বাচ্ছ্যন্দ ও সুস্বাদু আহারের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। উঠোন মত জায়গাটায় একটা বড় আম গাছ। আর তার নিচে বড় একটা কড়াইয়ে, কাঠের জ্বালে, চলছে রান্না। অনেকটা পিকনিকের মেজাজে।...