ট্যুর প্ল্যানার ব্লগে আপনাকে স্বাগত

বাংলায় ভ্রমণ কাহিনী পড়ার জন্য নিচেরদিকে স্ক্রল করুন

ট্যুর প্ল্যানার ব্লগে আপনাকে স্বাগত

বাংলায় ভ্রমণ কাহিনী পড়ার জন্য নিচেরদিকে স্ক্রল করুন

ট্যুর প্ল্যানার ব্লগে আপনাকে স্বাগত

বাংলায় ভ্রমণ কাহিনী পড়ার জন্য নিচেরদিকে স্ক্রল করুন

ট্যুর প্ল্যানার ব্লগে আপনাকে স্বাগত

বাংলায় ভ্রমণ কাহিনী পড়ার জন্য নিচেরদিকে স্ক্রল করুন

–বাংলায় লেখা ভ্রমণ কাহিনী–

ঘরে বসে ঠাকুর দেখুন 2018

পুজোয় কলকাতার প্রতিটি অলিতে গলিতে দুর্গাপূজা হয়ে থাকে। সবার পক্ষে সবপুজো দেখা সম্ভব হয়ে ওঠেনা। তাই আপনাদের সামনে এবারে আমরা কলকাতার বিভিন্ন দিকের বিভিন্ন দুর্গাপূজা তুলে ধরব। আমাদের এব্যাপারে সহায়তা করবেন মঙ্গলদীপ পাল। আসুন শুরু করা যাক।

দক্ষিণ কলকাতা পূজা পরিক্রমা 

সাউথ কলকাতার জন্য আমরা শুরু করব কসবা থেকে। প্রথমেই কসবা পৌঁছে আমরা দেখে নিন বোস পুকুর শীতলা মন্দির। তারপর কিছুটা পায়ে হেঁটে দেখে নিতে হবে তালবাগান

আলস্যের আউলিতে

জোশিমঠথেকে সোজা রাস্তা চলে গেছে আরও দূরে বদ্রীনাথের দিকে। কপালে পুণ্যিটুন্যি বিশেষ নেইও আমার। তাই এখান থেকে গাড়ি ঘুরল উপর পানে।

দক্ষিণ কলকাতার কিছু পুজো দেখতে যাবার Route Map – শুভব্রত সান্যাল

আজ আলোচনা করবো একট দক্ষিণ কলকাতার দুর্গা ঠাকুর দেখার ব্যাপারে। যে ঠাকুর গুলো আমরা দেখতে চলেছি এই তালিকায় সেগুলোর মধ্যে কোনো প্যান্ডেল সনাতনী ঐতিহ্যের ধারক কোনোটি অপরূপ শিল্প সুষমায় উজ্জ্বল। আবার কোনটি শিল্পের মাধুর্য বজায় রেখেও সনাতনী মায়ের রূপ বজায় রেখেছে। আসুন শুরু করি… রুট প্ল্যান 1 শিয়ালদাহ স্টেশনের দক্ষিণ শাখা থেকে বজবজ বাদে যে কোনো ট্রেন ধরে আমরা সহজেই পৌঁছে যাব ঢাকুরিয়া স্টেশন। line পাল্টে রাস্তায় এসে গলি দিয়ে মিনিট পাঁচেক এগোলেই আমরা পাবো বাবুবাগান। দেখে নিয়ে একটু সংলগ্ন মাঠে খাওয়া দাওয়া করে আমরা বান্ধব সম্মেলনী দেখে main road এ এসে একটু খানি হেঁটেই চলে যাবো সেলিমপুর পল্লী। পল্লী দেখে আবার main road এ এসে রাস্তা পেরিয়ে আমরা পাবো যোধপুর পার্ক। আর তার সমান্তরাল রাস্তায় 95 পল্লী, দেখা শেষ। আবার বড় রাস্তায় এসে বাস ধরবো বালিগঞ্জ যাওয়ার,অনেক বাস পাবো। নামবো গড়িয়াহাট ব্রীজ পেরিয়ে pantaloons এর সামনে। পিছিয়ে এসে দেখে নেব সিংহী পার্ক। কিছুটা পাশে হিন্দুস্থান পার্ক,এরপর একডালিয়া ফাল্গুনী সঙ্ঘ দেখে বালিগঞ্জ স্টেশন দিয়ে বাড়ি। রুট প্ল্যান 2 Sealdah station থেকে বজবজ গামী ট্রেনে new alipore নেবে একটু খানি হেঁটেই পাবো দক্ষিণ কলকাতার বড় পুজো সুরুচি সঙ্ঘ। দেখা হয়ে গেলে auto 20 টাকা প্রতিজন বা min 20 হেঁটে আপনি পৌঁছে যান আর এক বড় পুজো চেতলা অগ্রণী। এর পর ধরুন রাসবিহারী avenue, কালীঘাট মন্দিরের কাছে আসতেই আপনি পেয়ে যাবেন বাদামতলা আষাঢ় সঙ্ঘ ও 66 পল্লী। দুটোই একদম পাশাপাশি। আরো কিছুটা এগিয়ে আসুন, চার রাস্তার মোড়, ডান দিকে গেলে পাবেন শিবমন্দির ও মুদিয়ালি। এই দুই ঠাকুরের মধ্যবর্তী রাস্তার নাম জানেন? রজনী সেন রোড, চেনা চেনা লাগছে?? লাগবেই তো, আমাদের কিশোর জীবনের চির সাথী ফেলুদার বাড়ি ই তো 21 রজনী সেন রোড। যদিও বাস্তবে 21A আর 21B আছে। রাস্তা দিয়ে হাঁটুন,...

ফুলের পাহাড় : এমন দেশটি কোথাও খুঁজে…

নদীমাতৃক ওড়িশার  চোখ জুড়োনো সবুজের সমারোহ আর জলে ভাসাভাসি নদীছাপানো অসংখ্য স্রোতধারা চারদিকে। তার  মধ্যে দাঁড়িয়ে ছোট ছোট কয়েকটি পাহাড়। তাদের মধ্যে কয়েকটি মাটির  গভীরে  লুকিয়ে থাকা বৌদ্ধ স্তূপের ধ্বংসাবশেষ।

উইকএন্ডে ঝিলিমিলি – সাথে জঙ্গল মহলের সুতান, কাঁকড়াঝোড়

উইকএন্ডে ঘুরে আসতে পারেন ঝিলিমিলি (Jhilimili)। সাথে জঙ্গল মহলের বন্য পরিবেশে তালবেরিয়া ড্যাম, সুতানের জঙ্গল, কাঁকড়াঝোড়, বেলপাহাড়ী।

জঙ্গলময় রাজস্থান – রনথম্ভোর ন্যাশনাল পার্ক

রাজস্থান বলতেই মনে পড়ে কেল্লা, বালি, পাথর আর মরুভূমির কথা। কিন্তু জঙ্গল, বন্যপ্রাণ ও পক্ষীকুলের সম্ভার নিয়ে আরেকটা সবুজ অংশও রয়েছে এই বৈচিত্রময় রাজ্যে। এখানে দেখে নেওয়া যাক বাঘ দেখার জন্য বিখ্যাত রনথম্ভোরের জঙ্গলকে।

অরুণাচলের পথে

সকাল থেকেই ঝিরঝিরে বৃষ্টি, দুপুর দুপুর বৃষ্টি মাথায় নিয়েই হাওড়া স্টেশনে পৌঁছলাম, বাড়ির সবাই একত্রিত মিলিত হয়ে যথা সময়ে সারাইঘাট এক্সপ্রেস এ চেপে বসলাম। ট্রেন অন টাইম ছাড়লো।

জঙ্গলময় রাজস্থান – সারিস্কা টাইগার রিসার্ভ ও ন্যাশনাল পার্ক

রাজস্থান বলতেই মনে পড়ে কেল্লা, বালি, পাথর আর মরুভূমির কথা। কিন্তু জঙ্গল, বন্যপ্রাণ ও পক্ষীকুলের সম্ভার নিয়ে আরেকটা সবুজ অংশও রয়েছে এই বৈচিত্রময় রাজ্যে। তেমনি এক উদাহরণ হলো আলোয়ার জেলায় আরাবল্লী পাহাড়ে ঘেরা ছবির মত সুন্দর ‘সারিস্কা ন্যাশনাল পার্ক’।

পাংথাং : অফবিট ডেস্টিনেশন

জায়গাটার নাম পাংথাং। গ্যাঙ্গটকের থেকে বড়জোর দশ কিলোমিটার এগিয়ে। গ্যাঙ্গটকে যখন সবাই ঘামে, পাংথাঙে তখন হালকা চাদর লাগে. তাও ট্যুরিষ্ট স্পট হিসাবে খুব একটা পরিচিত নয়।

NEORA VALLEY NATIONAL PARK TREK, 2nd part

দ্বিতীয় দিন
এখন জড়িবুটি ওয়াচ টাওয়ারের সামনে একটা বড়ো গাছের গোড়ায় উজ্জ্বল কমলা রঙের বিশালাকৃতি একঝাঁক মাশরুমের সামনে দাঁড়িয়ে,

TREK TO NEORA VALLEY NATIONAL PARK

ওহ, সে এক কান্ড হয়েছিল সেবার; বড়ো বাঁচা বেঁচেছিলাম I যেবার আয়লার দাপটে পশ্চিমবঙ্গে বিপর্যয় নেমে এসেছিলো, তখন তো ট্রেক করবো বলে আমরা লাভায় I

হিমাচলের কয়েকদিন

নেট ঘেঁটে ঘেঁটে সিমলা মানালি চণ্ডীগড়ের লেখা পড়ে আর ছবি দেখে চোখে ছানি পড়ে গেছিলো। এদিকে গাদাখানেক লোকজন কোত্থেকে জানতে পেরে ফোন লাগিয়েছে, দাদা গাড়ি লাগেগা, হোটেল লাগেগা, এইসব।