Tale of Rangbhang, Mirik – A Perfect Weekend Getaway in the Lap of Mountains

Tale of Rangbhang, Mirik – A Perfect Weekend Getaway in the Lap of Mountains

Reading Time: 7 minutesTale of Rangbhang, Mirik A calm and quiet Himalayan village dotted with orange orchards, near Mirik, and a beautiful Homestay with picturesque cottages, along with all modern amenities, in the lap of nature. Rangbhang Homestay– run by the Gurung Family, is located at ‘Schooldara’ village, Mirik Busty – 5 km away from the popular Mirik lake. The bungalow type cottages are surrounded by plenty of ‘Orange Orchards’, variety of flowers and various species of plants. Rangbhang Homestay could be your perfect weekend getaway to cool off and relax in the lap of mountains. To get a sigh of relief from the scorching summer heat in the plains, we escaped to the Darjeeling hills in this May. Spending couple of days in the pleasantly cool climate at Rangbhang, located at an altitude of 4200 ft, in the warm hospitality of the Gurung family, away from hustle & bustle of city life, was quite refreshing. The stay was really close to nature. The family served us some delicious food (although pure vegetarian, because of some religious belief of the village). The owner is a hotel management diploma and his father is an educated farmer, owning acres of lands on the slope of hills, and vast knowledge on flora in this region. The Homestay is named after a local river -‘Rangbhang’. The extended family owns a number of houses and lands in the village and the members always greet tourists with gentle smile. It takes around 2.5 hours drive from NJP/ Siliguri and half an hour from Mirik to reach ‘Rangbhang Homestay’. The name of this village ‘Schooldara’, relates...
Kalej Valley – A Nature Lover’s Paradise in Darjeeling Himalaya

Kalej Valley – A Nature Lover’s Paradise in Darjeeling Himalaya

Reading Time: 10 minutes কালিজ ভ্যালির রামধনু ঝর্ণা একটি পাহাড়ি উপত্যকায় লোকচক্ষুর অন্তরালে, নির্জনতায় মোড়া পরিবেশে লুকিয়ে আছে এমন এক জলপ্রপাত,  মেঘ সরিয়ে রোদ উঠলেই যেখানে দেখা যায় রামধনু। স্থানীয় নাম ইন্দ্রানী ছাগো বা ইন্দ্রানী ফলস, তবে বেশি পরিচিত ‘রেনবো ফলস’ (Rainbow Falls) নামে। আর দার্জিলিং হিমালয়ের কোলে এই শান্ত, স্নিগ্ধ ও সৌন্দর্য্যময় পাহাড়ি উপত্যকাটির নাম ‘কালিজ ভ্যালি’ বা ‘রেনবো ভ্যালি’। সবুজে মোড়া ছবির মত সুন্দর এই উপত্যকায় থাকার জন্য আছে চা বাগানের ঢালে এক ভীষণ সুন্দর ও মিষ্টি একটি রিসর্ট, যার নাম ‘রেনবো ভ্যালি রিসর্ট’ (Rainbow Valley Resort)। ঠিক যেন শিল্পীর তুলিতে একটা সবুজ ক্যানভাসে কয়েকটা রঙিন বিন্দু আঁকা একটা ছবি। রিসর্টের পাশেই ‘কালিজ ভ্যালি চা বাগান’। একটু উপরে ‘আপার কালিজ ভ্যালি’ গ্রাম। এখানে অবসর যাপনে এসে বিশুদ্ধ প্রকৃতির মাঝে সারাদিন ধরে চা বাগান, পাহাড় ও ভ্যালির অসাধারণ দৃশ্য দেখে ও হরেক রকম পাখির ডাক শুনে মন ভরে যায়। কালিজ ভ্যালি (Kalej Valley) চা বাগান, রংবুল Rainbow Falls – কালিজ ভ্যালির রামধনু ঝর্ণা – ঝর্ণার জলে রামধনু ভুমিকাঃ বছর দুয়েক আগে ‘ভ্রমণ’ পত্রিকায় প্রথম সন্ধান পাই কালিজ ভ্যালির ‘রেনবো ভ্যালি রিসর্টের’। পয়লা বৈশাখের সময় দিনদুয়েকের ছুটিতে হঠাৎ করেই এনজেপির ট্রেনের টিকিটের ব্যবস্থা করে, ঠিক করে ফেলি এবারের আমাদের দুজনের ভ্রমণ কালিজ ভ্যালিতেই। এমনিতেই সবাই জানে আমার পায়ের তলায় অনেক সর্ষে। আর ছোট্ট ছুটিতে পাহাড়ে আবার যাব শুনলেই ইদানিং বন্ধুদের কাছ থেকে শুনতে হয় ‘সেকেন্ড হোমে যাচ্ছে’ বা ‘পাহাড়ে ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করে’ এরকম শব্দবন্ধ। তবে আমি তাতে দমবার পাত্র নই। কারণ উত্তরবঙ্গের পাহাড় যে আমায় টানে, শুধুই সময় সুযোগ ও ট্রেনের টিকিটের অপেক্ষায় থাকি। সোনাদার কাছে পাহাড়ের গায়ে দেওদার সারি – দার্জিলিংয়ের পাহাড়ের চেনা ছবি বিকেল ৫-৪৫ এ হাওড়া স্টেশন থেকে কামরূপ এক্সপ্রেসে রওনা হয়ে পরদিন সকাল সাড়ে সাতটায়...
Ajodhya Hill and Mesmerizing Murguma in Purulia

Ajodhya Hill and Mesmerizing Murguma in Purulia

Reading Time: 11 minutes অযোধ্যা পাহাড় ও মনোরম মুরগুমা পাহাড়ের কোলে এক মোহময়ী লেক ও বাঁধ। জঙ্গলময় সবুজ পাহাড়ে ঘেরা বিশাল নীল জলরাশি। বাঁধের উপর লাল মাটির রাস্তা। কাছেই একটি আদিবাসী গ্রাম। প্রকৃতি, বুনো গন্ধ ও একরাশ প্রশান্তির মেলবন্ধনে, পুরুলিয়া জেলায় অযোধ্যা পাহাড়ের পাদদেশে মুরগুমা। ড্যামের ৩০০মিটারের মধ্যে থাকার জন্য দুটি ইকো রিসর্ট। তারই একটা ‘পলাশ বিতান’। সাদামাটা একতলা কটেজের বারান্দায় চেয়ার নিয়ে বসে সামনের পলাশ গাছটা ও তার পিছনের পাহাড়টার শোভা দেখছিলাম। দুটি গাছে ফোটা পলাশের লালিমা বসন্তের আগমন জানান দিচ্ছে। রিসর্টের চারদিকেই পাহাড়ে ঘেরা। বড়ই শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশ মুরগুমার। কটেজের একটু উপরে, রিসর্টের বাইরের রাস্তা দিয়ে চলা গরুর গলার ঘন্টাধ্বনি কানে আসছে মাঝে মাঝে। অযোধ্যা পাহাড়ের আনাচে কানাচে ঘুরে, একটু আগে দুপুরে এসে পৌঁছেছি মুরগুমায়। এ বছর শীতের লম্বা ইনিংসে বসন্ত যেন এখনও ঠিক মাথা তুলতে পারছে না। তাই ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহেও বেশ ঠান্ডা আবহাওয়া দিনের বেলাতেও।  বরাভুম থেকে যাত্রা শুরু গতকাল হাওড়া থেকে রাত ১১টা ৫ এর আদ্রা-চক্রধরপুর প্যাসেঞ্জারে চেপে সকাল সোয়া ৭ টায় নামি বরাভুম স্টেশনে। পুরুলিয়া ছাড়িয়ে বরাভুম স্টেশন। জায়গাটা আসলে বলরামপুর। এখান থেকেই আমাদের এবারের পুরুলিয়া সফর শুরু। স্টেশনের বাইরেই ছৌনাচের কিছু মূর্তি বানানো, যা পুরুলিয়ায় আমাদের স্বাগত জানায়। আগে থেকে গাড়ি বলা ছিল বরাভুম স্টেশনে। কথা হয়েছিল যে সে গাড়িই আমাদের প্রথমে সাইট সিয়িংয়ে অযোধ্যা পাহাড় ঘুরিয়ে পৌঁছে দেবে মুরগুমায়। বলরামপুর থেকে বাঘমুন্ডির রাস্তায় গাড়ি ছুটল। প্রথম গন্তব্য ‘পাখি পাহাড়’, মিনিট কুড়ির মধ্যেই পৌঁছে গেলাম। মূল রাস্তা থেকে দেড় কিমি ভিতরে, শালের জঙ্গলে ঢাকা পাখি পাহাড়। একজন বিশিষ্ট ভাস্কর চিত্ত দে ও তাঁর টিম নিরলস প্রচেষ্টায় পাথরের গায়ে খোদাই করে সমগ্র পাহাড় জুড়ে অসংখ্য পাখি ফুটিয়ে তুলেছেন। শিল্পির ছোঁয়ায় একটা গোটা পাহাড় আজ ভাস্কর্য্যের রূপ পেয়েছে। পাখি পাহাড়ের উপরের অংশের খোদিত...
Bhalkimachan – A Refreshing Weekend Getaway with Jungle and Lonely Nature

Bhalkimachan – A Refreshing Weekend Getaway with Jungle and Lonely Nature

Reading Time: 7 minutes Bhalkimachan – A Refreshing Weekend Getaway with Jungle and Lonely Nature ভালকিমাচান – জঙ্গলে ঘেরা নির্জনতায় ভরা সপ্তাহান্তের এক ঠিকানা জঙ্গলের মাঝে একটি সুন্দর দোতলা লজ। চারপাশে শুধুই বিস্তীর্ণ সবুজ জঙ্গল ও নির্জনতায় মোড়া প্রকৃ্তি। জায়গাটি এতই নিস্তব্ধ, যে মাঝেমাঝে শুধু পাখির ডাক বা হাওয়ায় গাছের পাতা নড়ার শব্দ ছাড়া আর কোন শব্দ কানে আসে না। সপ্তাহান্তে নিরিবিলিতে আবকাশ যাপনের এক আদর্শ ঠিকানা। ভালকিমাচান। কলকাতার কাছেই বর্ধমান জেলায় জঙ্গলে ঘেরা এক দারুণ উইকএন্ড ডেস্টিনেশন। পর্যটন মানচিত্রে নব সংযোজন। লজটির নাম ‘অরণ্য সুন্দরী রিসর্ট’। কলকাতা থেকে ১৩৫ কিমি ও বর্ধমান শহর থেকে দূরত্ব মাত্র ৪৩ কিমি। এখনও হয়ত লোকচক্ষুর সামনে তেমন ভাবে উন্মোচিত হয় নি এ জায়গাটি। শীতের শেষে সপ্তাহান্তের ভ্রমণে কোন অদেখা, নতুন জায়গার খোঁজে ঠিক করে ফেললাম এবার গন্তব্য ভালকিমাচান। একটি ট্র্যাভেল ম্যাগাজিনে পড়ে ও এক অফিস কলিগের কাছে শুনে জেনেছিলাম জায়গাটির হদিশ। ওয়েবসাইট থেকে নম্বর নিয়ে দুটি ঘর বুক করেছিলাম অরণ্য সুন্দরী রিসর্টে। নির্দিষ্ট দিনে সপরিবারে, সকাল ৬টায় হাওড়া স্টেশন থেকে ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে চেপে পৌঁছই মানকর স্টেশনে। বর্ধমান – আসানসোল লাইনের এক স্টেশন মানকড়। আগে থেকে বলে রাখায় অরণ্য সুন্দরীর ম্যানেজার গাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছিল স্টেশনে। সেই গাড়িতেই আধ ঘণ্টায় পৌঁছে যাই ১৩ কিমি দূরের ভালকিমাচানে। অরণ্য সুন্দরীর দোতলায় আমাদের জন্য বরাদ্দ দুটি ঘর। বেড়া দিয়ে ঘেরা কম্পাউন্ডের বাইরেই শুরু শালের জঙ্গল। বারান্দায় বসলে সামনের বিস্তীর্ণ জঙ্গলের পানে চেয়ে, পাখির ডাক শুনে, সময় কেটে যায়। জঙ্গলের ঘ্রাণাস্বাদন করে মেলে এক অনাবিল আনন্দ। নামে রিসর্ট হলেও ‘অরণ্য সুন্দরী’ সাধারণ সাজের। তবে জঙ্গলের মাঝে মৌলিক সব সুযোগ সুবিধা, স্বাচ্ছ্যন্দ ও সুস্বাদু আহারের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। উঠোন মত জায়গাটায় একটা বড় আম গাছ। আর তার নিচে বড় একটা কড়াইয়ে, কাঠের জ্বালে, চলছে রান্না। অনেকটা পিকনিকের মেজাজে।...
Rinchenpong – The Jewel in West Sikkim

Rinchenpong – The Jewel in West Sikkim

Reading Time: 9 minutes পশ্চিম সিকিমে রিনচেনপং ও উত্তরে অনাবিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা, পশ্চিম সিকিমের এক ছোট্ট হিল স্টেশন রিনচেনপং, যেখানে কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ শোভা দেখার হাতছানি। সিকিমের পর্যটন মানচিত্রে নব সংযোজন কালুক ও রিনচেনপং এই দুটি জোড়া পাহাড়ি গ্রাম। (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({}); চার মাস আগে ট্রেনের টিকিট কেটে রেখেছিলাম NJP অবধি, পশ্চিম সিকিমের প্ল্যান করে। শনি ও রবির সাথে বড়দিন – সব মিলিয়ে তিন দিনের ট্যুর। পেলিং আগে ঘোরা। তাই ওদিকের রাস্তার করুণ দশার কথা শুনে শেষ মুহুর্তে পেলিং বাদ দিয়ে, রিনচেনপং যাওয়া ঠিক করে ফেলি। ইন্টারনেটে খোঁজখবর নিয়ে, “রিনচেনপং নেস্ট” হোটেলটির নম্বর জোগাড় করে, ফোনে ঘর বুক করি। বিনা অ্যাডভান্সে স্টেশনে গাড়িও পাঠিয়ে দেবার কথা বলে সিকিমিজ হোটেল মালিক। শুক্রবার রাতে পদাতিক এক্সপ্রেসে চড়ে পরদিন সকালে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন। সেই চেনা NJP,  স্টেশন চত্বরে  শতাধিক গাড়ি ও পাহাড়ে চড়ার ব্যস্ততা। Bengal Tourism এর “Welcome to Majestic Mountains and Enchanting Dooars”  লেখা বোর্ড। সব মিলিয়ে ট্রেন থেকে এখানে নামলেই যেন নতুন এক পাহাড় অভিযানের আনন্দে মনটা ভাল হয়ে যায়। কুয়াশার কারণে ঘণ্টা দেড়েক লেট ছিল ট্রেন। হোটেল থেকে পাঠানো কুমার দাজুর গাড়িতে রওনা দিতে সোয়া এগারোটা বেজে গেল। ১২০ কিমি পথ রিনচেনপংয়ের। শিলিগুড়ি শহরের জ্যাম পার হয়ে মহানন্দা স্যাংচুয়ারির রাস্তা, তারপর সেবক থেকে তিস্তাকে সঙ্গী করে সেই বহু চেনা পথ। ২০১৭র মাস চারেকের ভয়ংকর পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠেছে আমার প্রিয় পাহাড়। তিস্তাবাজারে তিস্তাকে পার হয়ে পূর্ব পাড়ে গিয়ে, ১0কিমি চলে মেলি। তারপর মেলিতে গ্যাংটক গামী রাস্তা ছেড়ে, আবার তিস্তা পার করে পশ্চিম পাড়ে এসে চেকপোস্ট পেরিয়ে সিকিমে প্রবেশ। (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({}); মেলির পর থেকেই রাস্তার বেহাল দশা, জাতীয় সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। মেলি থেকে শুরু হয়ে, পশ্চিম সিকিমের মধ্যে দিয়ে, একেবারে ভারত-নেপাল সীমান্তের শেষ গ্রাম উত্তরে...